ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

৬ মাসে তিন লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভিসা দিয়েছে ভারতীয়

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩৮৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

করোনার ধাক্কায় বাংলাদেশ-ভারত যাতায়ত একটা লম্বা সময় বন্ধ থাকে। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এমন ব্যবস্থার পথে হাটে উভয় দেশ। ফার্স্ট ও সেকেন্ড ওয়েভ সামাল দিয়ে পরিস্থিতি

যখন শান্তর দিকে তখনই ভারত চিকিৎসা ভিসার ঘোষণা দেয়। এ অবস্থআয় বিগত ৬মাসে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রায় তিন লাখের বেশি মানুষ মেডিক্যাল তথা চিকিৎসার জন্য ভিসা পেয়েছেন।

যদিও এটা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। তারপরও উদ্যোগ থেমে নেই। করোনা মহামারি ঠেকাতে গত বছর মার্চ থেকে ভারত প্রবেশে সকল পর্যটক ভিসা স্থগিত রেখেছে। পর্যটক ভিসা ছাড়া ব্যবসা, কর্মসংস্থানসহ অন্য সব ক্যাটাগরিতে ভিসা প্রদান

চালু করেছে ভারত। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভারত এখন শর্ত সাপেক্ষে পর্যটক ভিসা দেওয়া শুরু করার কথা বিবেচনা করছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ৬

মাসে বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ ভিসা ইস্যু করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। এসব ভিসার সিংহভাগ মেডিক্যাল। চলতি বছরের শুরুর দিকে পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলেও মার্চের শেষ

দিক থেকে ফের মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে করোনা পরিস্থিতি। ভারতে পরিস্থিতি বলতে গেলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ অবস্থায় করোনার ডেল্টা ধরণ রুখতে ২৬ এপ্রিল থেকে স্থলবন্দরগুলো দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ। যা দফায় দফায় বাড়ানো হয়।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এ অবস্থায় পর্যটক ভিসা ছাড়া চিকিৎসাসহ অন্যান্য ভিসা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। এরই ধারাবাহিকতায়

চিকিৎসার বাংলাদেশি নাগরিকদের তিন লাখ ভিসা দেয় ভারতীয় হাইকমিশন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি-নিষেধকালে ভারতীয়

ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলোও বন্ধ থাকে। বিধি-নিষেধ প্রত্যাহারের পর আবেদনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকার সময়ও জরুরি মেডিক্যাল ভিসা দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ভিসার জন্য অনেকে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ

করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেই ভিসা আবেদনগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তখন দু’দেশের মধ্যে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের এয়ার

অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করতে হয়। বাংলাদেশ সরকার গত বৃহস্পতিবার থেকে স্থলবন্দর দিয়ে বৈধ যাতায়াতে বিধি-নিষেধ শিথিল করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৬ মাসে তিন লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভিসা দিয়েছে ভারতীয়

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

ছবি সংগ্রহ

করোনার ধাক্কায় বাংলাদেশ-ভারত যাতায়ত একটা লম্বা সময় বন্ধ থাকে। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এমন ব্যবস্থার পথে হাটে উভয় দেশ। ফার্স্ট ও সেকেন্ড ওয়েভ সামাল দিয়ে পরিস্থিতি

যখন শান্তর দিকে তখনই ভারত চিকিৎসা ভিসার ঘোষণা দেয়। এ অবস্থআয় বিগত ৬মাসে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রায় তিন লাখের বেশি মানুষ মেডিক্যাল তথা চিকিৎসার জন্য ভিসা পেয়েছেন।

যদিও এটা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। তারপরও উদ্যোগ থেমে নেই। করোনা মহামারি ঠেকাতে গত বছর মার্চ থেকে ভারত প্রবেশে সকল পর্যটক ভিসা স্থগিত রেখেছে। পর্যটক ভিসা ছাড়া ব্যবসা, কর্মসংস্থানসহ অন্য সব ক্যাটাগরিতে ভিসা প্রদান

চালু করেছে ভারত। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভারত এখন শর্ত সাপেক্ষে পর্যটক ভিসা দেওয়া শুরু করার কথা বিবেচনা করছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ৬

মাসে বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ ভিসা ইস্যু করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। এসব ভিসার সিংহভাগ মেডিক্যাল। চলতি বছরের শুরুর দিকে পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলেও মার্চের শেষ

দিক থেকে ফের মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে করোনা পরিস্থিতি। ভারতে পরিস্থিতি বলতে গেলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ অবস্থায় করোনার ডেল্টা ধরণ রুখতে ২৬ এপ্রিল থেকে স্থলবন্দরগুলো দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ। যা দফায় দফায় বাড়ানো হয়।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এ অবস্থায় পর্যটক ভিসা ছাড়া চিকিৎসাসহ অন্যান্য ভিসা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। এরই ধারাবাহিকতায়

চিকিৎসার বাংলাদেশি নাগরিকদের তিন লাখ ভিসা দেয় ভারতীয় হাইকমিশন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি-নিষেধকালে ভারতীয়

ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলোও বন্ধ থাকে। বিধি-নিষেধ প্রত্যাহারের পর আবেদনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকার সময়ও জরুরি মেডিক্যাল ভিসা দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ভিসার জন্য অনেকে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ

করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেই ভিসা আবেদনগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তখন দু’দেশের মধ্যে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের এয়ার

অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করতে হয়। বাংলাদেশ সরকার গত বৃহস্পতিবার থেকে স্থলবন্দর দিয়ে বৈধ যাতায়াতে বিধি-নিষেধ শিথিল করেছে।