ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুনে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসাবে যোগ দেবেন দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদের পদত্যাগ হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর পরিবারকে দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট মোহাম্মদপুরে ৯ হত্যা: সাবেক মন্ত্রী   নানকসহ ২৮ জনের বিচার শুরু দেশে শান্তি ও গণতন্ত্র রক্ষায় মানবিক পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শ্রীলঙ্কায় শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বৌদ্ধ ভিক্ষু গ্রেফতার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিএনপির নতুন যুদ্ধ শুরু: প্রধানমন্ত্রী লোহাগাড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত অন্তত ১৫ নেত্রকোনায় ধান তলিয়ে ক্ষতি ৩৭৩ কোটি টাকার, ক্ষতিগ্রস্ত ৭৮ হাজার কৃষক
রুপি বাণিজ্যে বাংলাদেশ, প্রথম দিনে ২৮ মিলিয়ন রুপি লেনদেন

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা 

ডলার সংকট কাটিয়ে ওঠতে রুপিতে বাণিজ্য শুরু করলো বাংলাদেশ-ভারত। এর মধ্য দিয়ে বৈদেশিক বাণিজ্যের মুদ্রা বহুমুখীকরণের নতুন যুগের সূচনা হলো। যার সুফলভোগী হবে উভয় দেশ। বাংলাদেশ বছরে ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। আর ভারতে রফতানি করে ২০০ কোটি ডলারের পণ্য।

মঙ্গলবার ঢাকায় রুপিতে বাণিজ্য কার্য্যক্রমের উদ্বোধনের প্রথম দিনেই ২৮ মিলিয়ন রুপি লেনদেন হয়েছে। এদিন বাংলাদেশ থেকে প্রথম দিনে ১৬ মিলিয়ন রুপির রফতানি চালান পাঠিয়েছে বগুড়ার তামিম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এই আমদানির ঋণপত্র খোলে ভারতের আইসিআইসিআই ব্যাংক।

আর রফতানিকারকের ব্যাংক ছিল স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (এসবিআই) বাংলাদেশ শাখা। অনুষ্ঠানে অতিথিদের কাছ থেকে রফতানি নথি গ্রহণ করেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। একই দিনে ১২ মিলিয়ন রুপি আমদানি করেছে নিটল-নিলয় গ্রুপ। আমদানির ঋণপত্র খোলে এসবিআই এর ঢাকা অফিস।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের কাছ থেকে আমদানি নথি গ্রহণ করেন নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতলুব আহমেদ। আমদানি ও রফতানির চালানগুলো হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক এবং ভারতের স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও আইসিআইসিআই ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান বলেন, ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন সুবিধা চালু হলো। তার আশা, এই পদ্ধতি থেকে উভয় দেশই লাভবান হবে।

রুপিতে লেনদেনের এই উদ্যোগ দেশের আমদানিকারকদের কিছুটা স্বস্তি দেবে। উভয় দেশের ডলার সংকট রয়েছে। প্রতিবেশী দেশ থেকে পণ্য কিনতে রুপিতে এলসি খুলতে পারবেন। ফলে ডলারের ব্যবহার কিছুটা কমবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর থেকে টাকা-রুপির ডুয়েল কারেন্সি কার্ড চালু হবে।

ডুয়েল কারেন্সি কার্ড চালু হলে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেনের খরচ কমবে। গভর্নর বলেন, ডুয়েল কারেন্সি কার্ড প্রায় প্রস্তুত। রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক) গভর্নর শক্তিকান্ত দাসের সঙ্গে আমি বেঙ্গালুরুতে দেখা করে দুটি প্রস্তাব দেই। এর একটি ছিল রুপিতে বাণিজ্য। এই বাণিজ্যের একটি মনস্তাত্ত্বিক দিকও আছে। কারণ ভারতীয়রা যখন তাদের নিজেদের মুদ্রায় (বাংলাদেশের) পণ্য কিনবে, তখন সেটা তাদের নিজ দেশের পণ্য বলেই মনে করবে। এতে আমাদের বাণিজ্য বাড়বে।

ডলারের পাশাপাশি রুপিতেও বাণিজ্য হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সোনালী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক ও ভারতের স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়াকে (এসবিআই) প্রতিবেশী দেশটিতে তাদের অংশীদারদের সঙ্গে নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দিয়েছে।