অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ১০:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
অলাভজনক ও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সময়ানুবর্তিতার সঙ্গে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর অগ্রগতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে হলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পারলে এসব কারখানা পুনরায় চালুর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশের শিল্পখাত আরও গতিশীল হবে।
সভায় জানানো হয়, বন্ধ ও অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানাগুলোতে বিনিয়োগের বিষয়ে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি বেশ কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবগুলোর সম্ভাব্যতা যাচাই করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সময়োপযোগীভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ এড়িয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।
তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিল্পখাতের স্থবির সম্পদকে উৎপাদনমুখী সম্পদে রূপান্তর করতে হলে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিকল্প নেই।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।









