ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

জাতীয় শোকদিবসে কলাবাগানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালামের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১ ৩৭৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উনিশ শ’ একাত্তর সালের সাতই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে হাজির হন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন রেসকোর্স ময়দান ছাপিয়ে মুক্তিকামী মানুষের স্রোত বয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশাপাশ এলাকায়। সেদিন

বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ শুনতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের পথ এসে মিশে গিয়েছিলো রমনার রেসকোর্স ময়দানে।

সেসময় ক্যাম্পাস কাঁপানো ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস ছালাম। তিনি একজন সংগঠও। দীর্ঘ ন’মাস দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে যুদ্ধ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে পথ চলছেন। যুদ্ধকালীন তার পরিবারের ওপরও বয়ে গিয়েছে হাজারো ঝামেলা। কারণ, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কাছাকাছি সেন্ট্রাল রোড। এখনকার মতো আকাশচুম্বি অট্টালিকা ছিলো না। তাদের বাড়ি থেকে দেখা যেত ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়ি।

আব্দুস ছালাম এক সময়ের তুখোর ছাত্রলীগ নেতা। ৭২ সালে লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও

ভালোবাসা এই বীর মুক্তিযোদ্ধার। আব্দুস ছালাম  ক্যালেন্ডারে কালো তারিখ তথা ১৫ আগস্টের কথা কেউ তাকে মনে করিয়ে দিতে হয় না। তিনি এদিনটির জন্যই সারাটি বছর পথ চেয়ে থাকেন। তিনি  হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে ১৫ আগস্ট জাতিরজনকের শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবারও কলাবাগানে আয়োজন করেন জাতীয় শোকদিবসের কর্মসূচি। এদিন দুস্থদের মাঝে খাদ্যবিতরণ করা হয়। এদিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপসের প্রতি সম্মান জানিয়ে শোকদিবসের আয়োজনে আরও যুক্ত হন

এডভোকেট কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম এবং কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় শোকদিবসে কলাবাগানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালামের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

আপডেট সময় : ১০:০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১

উনিশ শ’ একাত্তর সালের সাতই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে হাজির হন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন রেসকোর্স ময়দান ছাপিয়ে মুক্তিকামী মানুষের স্রোত বয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশাপাশ এলাকায়। সেদিন

বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ শুনতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের পথ এসে মিশে গিয়েছিলো রমনার রেসকোর্স ময়দানে।

সেসময় ক্যাম্পাস কাঁপানো ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস ছালাম। তিনি একজন সংগঠও। দীর্ঘ ন’মাস দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে যুদ্ধ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে পথ চলছেন। যুদ্ধকালীন তার পরিবারের ওপরও বয়ে গিয়েছে হাজারো ঝামেলা। কারণ, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কাছাকাছি সেন্ট্রাল রোড। এখনকার মতো আকাশচুম্বি অট্টালিকা ছিলো না। তাদের বাড়ি থেকে দেখা যেত ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়ি।

আব্দুস ছালাম এক সময়ের তুখোর ছাত্রলীগ নেতা। ৭২ সালে লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও

ভালোবাসা এই বীর মুক্তিযোদ্ধার। আব্দুস ছালাম  ক্যালেন্ডারে কালো তারিখ তথা ১৫ আগস্টের কথা কেউ তাকে মনে করিয়ে দিতে হয় না। তিনি এদিনটির জন্যই সারাটি বছর পথ চেয়ে থাকেন। তিনি  হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে ১৫ আগস্ট জাতিরজনকের শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবারও কলাবাগানে আয়োজন করেন জাতীয় শোকদিবসের কর্মসূচি। এদিন দুস্থদের মাঝে খাদ্যবিতরণ করা হয়। এদিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপসের প্রতি সম্মান জানিয়ে শোকদিবসের আয়োজনে আরও যুক্ত হন

এডভোকেট কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম এবং কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।