ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

জাতীয় শোকদিবসে কলাবাগানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালামের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১ ৩৮৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উনিশ শ’ একাত্তর সালের সাতই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে হাজির হন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন রেসকোর্স ময়দান ছাপিয়ে মুক্তিকামী মানুষের স্রোত বয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশাপাশ এলাকায়। সেদিন

বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ শুনতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের পথ এসে মিশে গিয়েছিলো রমনার রেসকোর্স ময়দানে।

সেসময় ক্যাম্পাস কাঁপানো ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস ছালাম। তিনি একজন সংগঠও। দীর্ঘ ন’মাস দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে যুদ্ধ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে পথ চলছেন। যুদ্ধকালীন তার পরিবারের ওপরও বয়ে গিয়েছে হাজারো ঝামেলা। কারণ, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কাছাকাছি সেন্ট্রাল রোড। এখনকার মতো আকাশচুম্বি অট্টালিকা ছিলো না। তাদের বাড়ি থেকে দেখা যেত ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়ি।

আব্দুস ছালাম এক সময়ের তুখোর ছাত্রলীগ নেতা। ৭২ সালে লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও

ভালোবাসা এই বীর মুক্তিযোদ্ধার। আব্দুস ছালাম  ক্যালেন্ডারে কালো তারিখ তথা ১৫ আগস্টের কথা কেউ তাকে মনে করিয়ে দিতে হয় না। তিনি এদিনটির জন্যই সারাটি বছর পথ চেয়ে থাকেন। তিনি  হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে ১৫ আগস্ট জাতিরজনকের শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবারও কলাবাগানে আয়োজন করেন জাতীয় শোকদিবসের কর্মসূচি। এদিন দুস্থদের মাঝে খাদ্যবিতরণ করা হয়। এদিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপসের প্রতি সম্মান জানিয়ে শোকদিবসের আয়োজনে আরও যুক্ত হন

এডভোকেট কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম এবং কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় শোকদিবসে কলাবাগানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালামের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

আপডেট সময় : ১০:০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১

উনিশ শ’ একাত্তর সালের সাতই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে হাজির হন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন রেসকোর্স ময়দান ছাপিয়ে মুক্তিকামী মানুষের স্রোত বয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশাপাশ এলাকায়। সেদিন

বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ শুনতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের পথ এসে মিশে গিয়েছিলো রমনার রেসকোর্স ময়দানে।

সেসময় ক্যাম্পাস কাঁপানো ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস ছালাম। তিনি একজন সংগঠও। দীর্ঘ ন’মাস দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে যুদ্ধ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে পথ চলছেন। যুদ্ধকালীন তার পরিবারের ওপরও বয়ে গিয়েছে হাজারো ঝামেলা। কারণ, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কাছাকাছি সেন্ট্রাল রোড। এখনকার মতো আকাশচুম্বি অট্টালিকা ছিলো না। তাদের বাড়ি থেকে দেখা যেত ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়ি।

আব্দুস ছালাম এক সময়ের তুখোর ছাত্রলীগ নেতা। ৭২ সালে লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও

ভালোবাসা এই বীর মুক্তিযোদ্ধার। আব্দুস ছালাম  ক্যালেন্ডারে কালো তারিখ তথা ১৫ আগস্টের কথা কেউ তাকে মনে করিয়ে দিতে হয় না। তিনি এদিনটির জন্যই সারাটি বছর পথ চেয়ে থাকেন। তিনি  হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে ১৫ আগস্ট জাতিরজনকের শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবারও কলাবাগানে আয়োজন করেন জাতীয় শোকদিবসের কর্মসূচি। এদিন দুস্থদের মাঝে খাদ্যবিতরণ করা হয়। এদিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপসের প্রতি সম্মান জানিয়ে শোকদিবসের আয়োজনে আরও যুক্ত হন

এডভোকেট কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম এবং কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।