ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

জিয়া-মোশতাকের বিচার বন্ধের আইন পশুরাও করে না: আইনমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২১ ২৫৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুনি মোশতাক ও তার সহচর জিয়াউর রহমানসহ অন্যরা এতোটাই ভীত ছিল যে, আইন করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করে দিয়েছো। এমন আইন জঙ্গলের পশুরাও করে না। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে আইন বাতিল করলে বিচারের পথ সুগম হয়।

রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের ভার্চুয়ালি আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে একথা বলেন, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তারের সভাপতিত্বে উপজেলা মিলনায়তনে এ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আইন মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের কথা কি বলব। তিনি শুধু যে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে জড়িত তা নয়, তিনি পরিষ্কার বাংলাদেশের স্বাধীনতায় এবং আইনের শাসনেও বিশ্বাস করতেন না তা প্রমাণ করেছে। বঙ্গবন্ধুর যারা হত্যাকারী তাদের সারাবিশ্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে

কূটনৈতিক মিশনে চাকরি দিয়ে গেছেন। আমাদের জীবনে কালো অধ্যায় সৃষ্টিকারীদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি।

আনিসুল হক আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসা ও পরে আরো সাত বছর ক্ষমতায় না থাকার সময় যেটা হয়েছে, সেটা হলো বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তারা পালিয়ে

যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। নেপথ্যে যারা ছিল তাদের সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্ট হয়েছে। তারপরও আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কার্যকর করে। একজন খুনি স্বাভাবিক

মৃত্যু ঘটেছে। আরেকজনের রায় কার্যকর করা হয়। খুনী রশিদ, ডালিদ, নূর, রাশেদ, মোসলেম উদ্দিন পলাতক। তাদের ধরে আনা যায়নি।

পরিষ্কারভাবে বলতে চাই শেখ হাসিনার সরকারের অঙ্গীকার, আমি কথা দিচ্ছি যতক্ষণ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত বাকি খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাদেরকে ধরে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

আইনমন্ত্রী নিজে ও একাধিক নেতার অর্থসহায়তায় নির্বাচনী এলাকা কসবা ও আখাউড়ায় ৩৪০০ জনকে খাদ্য সহায়তা যার মধ্যে কসবায় ২২০০ জন ও আখাউড়ায় ১২০০ জনকে এ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়। শোক দিবসে গণভোজের আয়োজন না করে সেলুন কর্মী, চায়ের

দোকানিসহ কর্মহীন শ্রমিকদের খাদ্য সহায়তার আহ্বান জানান মন্ত্রী। এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে দুই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই উদ্যোগ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জিয়া-মোশতাকের বিচার বন্ধের আইন পশুরাও করে না: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২১

খুনি মোশতাক ও তার সহচর জিয়াউর রহমানসহ অন্যরা এতোটাই ভীত ছিল যে, আইন করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করে দিয়েছো। এমন আইন জঙ্গলের পশুরাও করে না। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে আইন বাতিল করলে বিচারের পথ সুগম হয়।

রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের ভার্চুয়ালি আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে একথা বলেন, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তারের সভাপতিত্বে উপজেলা মিলনায়তনে এ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আইন মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের কথা কি বলব। তিনি শুধু যে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে জড়িত তা নয়, তিনি পরিষ্কার বাংলাদেশের স্বাধীনতায় এবং আইনের শাসনেও বিশ্বাস করতেন না তা প্রমাণ করেছে। বঙ্গবন্ধুর যারা হত্যাকারী তাদের সারাবিশ্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে

কূটনৈতিক মিশনে চাকরি দিয়ে গেছেন। আমাদের জীবনে কালো অধ্যায় সৃষ্টিকারীদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি।

আনিসুল হক আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসা ও পরে আরো সাত বছর ক্ষমতায় না থাকার সময় যেটা হয়েছে, সেটা হলো বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তারা পালিয়ে

যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। নেপথ্যে যারা ছিল তাদের সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্ট হয়েছে। তারপরও আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কার্যকর করে। একজন খুনি স্বাভাবিক

মৃত্যু ঘটেছে। আরেকজনের রায় কার্যকর করা হয়। খুনী রশিদ, ডালিদ, নূর, রাশেদ, মোসলেম উদ্দিন পলাতক। তাদের ধরে আনা যায়নি।

পরিষ্কারভাবে বলতে চাই শেখ হাসিনার সরকারের অঙ্গীকার, আমি কথা দিচ্ছি যতক্ষণ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত বাকি খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাদেরকে ধরে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

আইনমন্ত্রী নিজে ও একাধিক নেতার অর্থসহায়তায় নির্বাচনী এলাকা কসবা ও আখাউড়ায় ৩৪০০ জনকে খাদ্য সহায়তা যার মধ্যে কসবায় ২২০০ জন ও আখাউড়ায় ১২০০ জনকে এ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়। শোক দিবসে গণভোজের আয়োজন না করে সেলুন কর্মী, চায়ের

দোকানিসহ কর্মহীন শ্রমিকদের খাদ্য সহায়তার আহ্বান জানান মন্ত্রী। এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে দুই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই উদ্যোগ নেন।