আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব
- আপডেট সময় : ০৬:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আয়ুর্বেদ নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান ও চিকিৎসাপদ্ধতির আধুনিক গবেষণা এবং পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের কল্যাণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।
বুধবার ঢাকার গুলশানে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (আইজিসিসি) আয়োজিত ১১তম আয়ুর্বেদ দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ প্রস্তাব দেন। এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, সামগ্রিক সুস্থতা ও রোগ প্রতিরোধে ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানব্যবস্থার গুরুত্ব এখনও অপরিসীম।
ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আয়ুর্বেদ নিয়ে একটি যৌথ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হলে একাডেমিক ও পেশাগত জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ আরও বাড়বে। এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কও আরও শক্তিশালী হবে।
এবারের আয়ুর্বেদ দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল, আগামীর সুস্বাস্থ্যের জন্য আয়ুর্বেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক অ্যান মেরি জর্জ। তিনি আয়ুর্বেদ, যোগ ও ন্যাচারোপ্যাথি, ইউনানি, সিদ্ধা ও হোমিওপ্যাথি প্রসারে ভারতের আয়ুষ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সরকারি আয়ুর্বেদ ও ইউনানি কলেজের অধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান খান, প্রাচীর প্রতিনিধিত্বকারী ড. মোখলেসুর রহমান, নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ মামুন মিয়া এবং নারায়ণগঞ্জ আর্টস কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল আলম আজাদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনে আয়ুর্বেদ বিষয়ে কর্মশালা পরিচালনা করেন নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসাইন, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ুর্বেদ মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. বাবুল আক্তার এবং অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ মামুন মিয়া।
পরে বাংলাদেশি শিল্পী শাহীন সোবহানা সুরভীর উলের তৈরি গণেশের ট্যাপেস্ট্রি উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও বাংলা খেয়াল পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী ও সংগীতশিক্ষক রঞ্জন চন্দ্র সরকার।
অনুষ্ঠানে সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজ এবং দ্য আয়ুর্বেদ কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। পরে শিল্পীকে সম্মাননা এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।



















