ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

জাতীয় শোক দিবসে স্বাস্থ্য বিভাগের গাইডলাইন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১ ৩০২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৫ আগস্ট ‘জাতীয় শোক দিবস’ পালনে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের তরফে একটি গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে সবাইকে যেন নিরাপদ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন সেই লক্ষেই এই গাইড তৈরি করা হয়েছে।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বৃহস্পতিবার জারীকৃত নির্দেশনায় বলা হয়েছে,
জাতিরজনকের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান স্থলের প্রবেশ ও বের হবার আলাদা পথ ও নির্দিষ্ট করতে হবে, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন স্থানে এক সঙ্গে সর্বোচ্চ (১৫-২০) জনের বেশি মানুষ প্রবেশ করতে পারবেন না।

আগত ব্যক্তিদের শারীরিক দূরত্ব মেনে (৩ ফুট বা কমপক্ষে ২ হাত) সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করতে হবে। জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে বের হয়ে যেতে হবে। সম্ভব হলে পুরো পথ পরিক্রমাটি গোল চিহ্ন দিয়ে নির্দিষ্ট করা যেতে পারে।

সমাবেশে আগত সকলের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। প্রবেশ পথে হ্যান্ডস্যানিটাইজার সরবরাহ ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সর্দি, কাশি, জ্বর বা শ্বাসকষ্ট নিয়ে কেউ অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করবেন না।

হাঁচি বা কাশির সময় টিস্যু, রুমাল বা কনুই দিয়ে নাক ও মুখ ঢাকতে হবে। ব্যবহৃত টিস্যু ও বর্জ্য ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ঢাকনাযুক্ত বিনের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং জরুরীভাবে তা অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে।

স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল, জনসমাগম যথাসম্ভব কম রাখতে হবে। অনুষ্ঠানস্থল বা কক্ষের আয়তনের ওপর লোকসংখ্যার উপস্থিতি নির্ধারণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আগত সকলের মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক। মাস্ক ছাড়া কাউকে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। প্রবেশ পথে সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সম্ভব না হলে হ্যান্ডস্যানিটাইজারের সরবরাহ ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানস্থলে একজন থেকে আরেকজন নির্দিষ্ট দূরত্ব (৩ ফুট বা কমপক্ষে ২ হাত) বজায় রেখে বসার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে বসার স্থানটি নির্দিষ্ট করে দিতে হবে।

হাঁচি বা কাশির সময় টিস্যু অথবা কনুই দিয়ে মুখ এবং নাক ঢাকতে হবে এবং ব্যবহৃত টিস্যু ও বর্জ্য নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে। জরুরি বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।

স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় শোক দিবসে স্বাস্থ্য বিভাগের গাইডলাইন

আপডেট সময় : ১০:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১

১৫ আগস্ট ‘জাতীয় শোক দিবস’ পালনে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের তরফে একটি গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে সবাইকে যেন নিরাপদ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন সেই লক্ষেই এই গাইড তৈরি করা হয়েছে।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বৃহস্পতিবার জারীকৃত নির্দেশনায় বলা হয়েছে,
জাতিরজনকের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান স্থলের প্রবেশ ও বের হবার আলাদা পথ ও নির্দিষ্ট করতে হবে, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন স্থানে এক সঙ্গে সর্বোচ্চ (১৫-২০) জনের বেশি মানুষ প্রবেশ করতে পারবেন না।

আগত ব্যক্তিদের শারীরিক দূরত্ব মেনে (৩ ফুট বা কমপক্ষে ২ হাত) সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করতে হবে। জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে বের হয়ে যেতে হবে। সম্ভব হলে পুরো পথ পরিক্রমাটি গোল চিহ্ন দিয়ে নির্দিষ্ট করা যেতে পারে।

সমাবেশে আগত সকলের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। প্রবেশ পথে হ্যান্ডস্যানিটাইজার সরবরাহ ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সর্দি, কাশি, জ্বর বা শ্বাসকষ্ট নিয়ে কেউ অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করবেন না।

হাঁচি বা কাশির সময় টিস্যু, রুমাল বা কনুই দিয়ে নাক ও মুখ ঢাকতে হবে। ব্যবহৃত টিস্যু ও বর্জ্য ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ঢাকনাযুক্ত বিনের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং জরুরীভাবে তা অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে।

স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল, জনসমাগম যথাসম্ভব কম রাখতে হবে। অনুষ্ঠানস্থল বা কক্ষের আয়তনের ওপর লোকসংখ্যার উপস্থিতি নির্ধারণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আগত সকলের মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক। মাস্ক ছাড়া কাউকে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। প্রবেশ পথে সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সম্ভব না হলে হ্যান্ডস্যানিটাইজারের সরবরাহ ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানস্থলে একজন থেকে আরেকজন নির্দিষ্ট দূরত্ব (৩ ফুট বা কমপক্ষে ২ হাত) বজায় রেখে বসার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে বসার স্থানটি নির্দিষ্ট করে দিতে হবে।

হাঁচি বা কাশির সময় টিস্যু অথবা কনুই দিয়ে মুখ এবং নাক ঢাকতে হবে এবং ব্যবহৃত টিস্যু ও বর্জ্য নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে। জরুরি বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।

স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।