ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিষিদ্ধ আ.লীগের ৭ নেতার মৃত্যুদন্ড সম্পত্তির অর্ধেক জুলাইযোদ্ধাদের একটানে জালে ওঠে আসে ২৬ লাখ টাকার ২ হাজার ২০০টি কাঙ্খিত  ইলিশ  কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান

Sanitary Napkin’ in trains : ট্রেনে ‘স্যানিটারি ন্যাপকিন’ এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ তরুণের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০২২ ৩৬১ বার পড়া হয়েছে

মোরশেদুল নামে এক তরুণ ট্রেনের পরিচালকদের কাছে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করেন: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ঢাকা থেকে ট্রেনে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছিলেন এক তরুণী। ট্রেনটি জয়দেবপুর স্টেশন অতিক্রম করার পরই তরুণীর ঋতুস্রাব শুরু হয়। পূর্বপ্রস্তুতি না থাকার কারণে খুব বিপদে পড় তরুণি। ভয় ও লজ্জায় কাতর। হাতের নাগালে সমাধান না পেয়ে ক্রমেই মানসিকভাবে অসস্তিতে পড়েনে। পাশের সিটে ছিলেন মোরশেদুল নামের একজন উন্নয়নকর্মী। তিনি বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সরাসরি কথা বললেন। তরুণী মোরশেদুলকে বিষয়টি জানান।

ট্রেনে স্যানিটারি ন্যাপকিন খোঁজ করেরও পেলেন না। ট্রেন পরিচালকের কাছে ছুটে গিয়ে বিষয়টি খুলে বলেন। তিনি বলেন, পরের স্টেশনে ট্রেন থামলে সেখানে নেমে স্যানিটারি প্যাড কিনুন। তাতে যতটুকু সময় লাগে ততক্ষণ ট্রেন থামিয়ে রাখা হবে। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব স্টেশনে ট্রেন থামল। মোরশেদুল ফার্মেসি খুঁজে স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে এলেন। পরিচালক কথা রেখেছিলেন। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমকে এভাবেই অভিজ্ঞতার কথা জানান রংপুরের বদরগঞ্জের উন্নয়নকর্মী মোরশেদুল হক।

মোরশেদুল বলেন, এ ঘটনা আমাকে বিব্রত করেছে। আমি রেলের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। সেভাবে সাড়া পাইনি। যার ফলে মনে হলো, প্রথমে আমি নিজেই শুরু করি। অবশেষে তাই করলেন।

নিজ উদ্যোগে শুক্রবার সকাল থেকে পার্বতীপুর রেলজংশন থেকে ছেড়ে যাওয়া তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনে ৪০টি করে বেল্টযুক্ত স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহ করেছেন। এই কাজে মোরশেদুলকে সহযোগিতা করেছেন আব্দুল আউয়াল রানা নামের একজন লোকো মাস্টার (ট্রেনচালক)। প্রথম দিনে পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী দ্রুতযান এক্সপ্রেস, খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী রূপসা এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেসে স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহ করেন মোরশেদুল।

মোরশেদুল বলেন, দেশের সকল ট্রেনের ফাস্ট এইড বাক্সে স্যানিটারি ন্যাপকিন থাকা দরকার। আজ তিনটি ট্রেনে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। পর্যায়ক্রমে সকল ট্রেনে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখব। প্রথমে উত্তরাঞ্চল থেকে ছেড়ে যাওয়া সব ট্রেনে সরবরাহ করার পর পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগ করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Sanitary Napkin’ in trains : ট্রেনে ‘স্যানিটারি ন্যাপকিন’ এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ তরুণের

আপডেট সময় : ০৬:৩১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০২২

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ঢাকা থেকে ট্রেনে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছিলেন এক তরুণী। ট্রেনটি জয়দেবপুর স্টেশন অতিক্রম করার পরই তরুণীর ঋতুস্রাব শুরু হয়। পূর্বপ্রস্তুতি না থাকার কারণে খুব বিপদে পড় তরুণি। ভয় ও লজ্জায় কাতর। হাতের নাগালে সমাধান না পেয়ে ক্রমেই মানসিকভাবে অসস্তিতে পড়েনে। পাশের সিটে ছিলেন মোরশেদুল নামের একজন উন্নয়নকর্মী। তিনি বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সরাসরি কথা বললেন। তরুণী মোরশেদুলকে বিষয়টি জানান।

ট্রেনে স্যানিটারি ন্যাপকিন খোঁজ করেরও পেলেন না। ট্রেন পরিচালকের কাছে ছুটে গিয়ে বিষয়টি খুলে বলেন। তিনি বলেন, পরের স্টেশনে ট্রেন থামলে সেখানে নেমে স্যানিটারি প্যাড কিনুন। তাতে যতটুকু সময় লাগে ততক্ষণ ট্রেন থামিয়ে রাখা হবে। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব স্টেশনে ট্রেন থামল। মোরশেদুল ফার্মেসি খুঁজে স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে এলেন। পরিচালক কথা রেখেছিলেন। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমকে এভাবেই অভিজ্ঞতার কথা জানান রংপুরের বদরগঞ্জের উন্নয়নকর্মী মোরশেদুল হক।

মোরশেদুল বলেন, এ ঘটনা আমাকে বিব্রত করেছে। আমি রেলের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। সেভাবে সাড়া পাইনি। যার ফলে মনে হলো, প্রথমে আমি নিজেই শুরু করি। অবশেষে তাই করলেন।

নিজ উদ্যোগে শুক্রবার সকাল থেকে পার্বতীপুর রেলজংশন থেকে ছেড়ে যাওয়া তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনে ৪০টি করে বেল্টযুক্ত স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহ করেছেন। এই কাজে মোরশেদুলকে সহযোগিতা করেছেন আব্দুল আউয়াল রানা নামের একজন লোকো মাস্টার (ট্রেনচালক)। প্রথম দিনে পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী দ্রুতযান এক্সপ্রেস, খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী রূপসা এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেসে স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহ করেন মোরশেদুল।

মোরশেদুল বলেন, দেশের সকল ট্রেনের ফাস্ট এইড বাক্সে স্যানিটারি ন্যাপকিন থাকা দরকার। আজ তিনটি ট্রেনে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। পর্যায়ক্রমে সকল ট্রেনে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখব। প্রথমে উত্তরাঞ্চল থেকে ছেড়ে যাওয়া সব ট্রেনে সরবরাহ করার পর পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগ করবেন।