ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: মৎস্যমন্ত্রী বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় ভারতকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর তাগিদ জাতিসংঘে জিয়া পরিবার বাংলাদেশের কণ্ঠস্বরের চার দশকের পথচলা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি   কিলোমিটার প্রতি বাসভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ, এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ট্রাক ভাড়া বেড়েছে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা

নেপাল ও ভুটানে জলবিদ্যুত উৎপাদনে বিনিয়োগ করবে বাংলাদেশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুন ২০২১ ৩৪০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষমতার পথে জোরকদমে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। ‘ভবিষ্যতে দেশটি বিদ্যুৎ রফতানি করবে’। এরই মধ্যে জলবিদ্যুত উৎপাদনে নেপাল ও ভুটানে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে হাসিনা সরকার।

নেপাল ও ভুটানে এই অর্থ বিনিয়োগ করা গেলে দেশের বাইরে বিদ্যুৎ খাতে এটি বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ হবে। এখাতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগেই নেপালে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন। চুক্তি খসড়া চূড়ান্ত। নেপাল সঙ্গে জলবিদ্যুৎ সংক্রান্ত চুক্তিটি আগামী মাসেই হতে যাচ্ছে। অবশ্য এর আগে নেপালের সঙ্গে জলবিদ্যুৎ আমদানির জন্য এমওইউ সই করে বাংলাদেশ। বলা হচ্ছে, নেপালে জলবিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশের বিনিয়োগের সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে নেপালের জ্বালানি মন্ত্রী জনার্দন শর্মা ঢাকা সফরে করেন। সেই সময়েই আলোচনায় নেপাল-বাংলাদেশ জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। পরবর্তীতো ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং গত মার্চে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশে এলে সেখানে জলবিদ্যুৎ নির্মাণের প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ। তবে করোনাকালীন বিষয়টি খুব বেশি দূর এগোয়নি।

বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পার্বত্য অঞ্চল কাপ্তাইয়ে। বর্ষা মৌসুমে এ কেন্দ্র থেকে ২৩০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। শুষ্ক মৌসুমে জলের অভাবে কেন্দ্রটি পুরোমাত্রায় চালানো সম্ভব হয় না। ভৌলিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের আর কোথাও জল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সুযোগ নেই।

সেক্ষেত্রে নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার ছাড়াও ভারতের অরুণাচল মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা কথা জানালেন সংশ্লিষ্টরা। এই সম্ভাবনার খুব সামান্য পরিমাণ ব্যবহার হচ্ছে। দেশগুলো এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে অঞ্চলিক জ্বালানি সমস্যার সমাধান সম্ভব।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু জানিয়েছেন, ভারতীয় কোম্পানি জিএমআর-এর সঙ্গে যে চুক্তি করা হয়েছে। সে অনুযায়ী কোম্পানিটি ভারতে সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করছে। আমরা এখন নেপালের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে বিদ্যুৎ আমদানির, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ রফতানির চুক্তি করবো।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন খরচ প্রতি ইউনিটে ৩০ পয়সা। সে বিবেচনায় প্রতিবেশী দেশগুলো থেকেই বিদ্যুৎ আমদানি করা গেলে সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :