ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

বোয়িং-অ্যামাজনের মতো বড় বড় কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে চায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪ ২৫১ বার পড়া হয়েছে

বোয়িং-অ্যামাজনের মতো বড় বড় কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে চায়

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, বাংলাদেশের বাজারে অ্যামাজন, বোয়িং, কোক, শেভরন ও টেলকোসহ বড় বড় মার্কিন কোম্পানি ব্যবসা করতে চায়। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যামাজন সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। আমরা সেন্টার ওয়্যারিং হাউস তৈরি করবো। তারা সেখান থেকে পণ্যগুলো সংগ্রহ করবে। এরপর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বিক্রি করবে।

তিনি আরো বলেন, যেসব মার্কিন কোম্পানি বাংলাদেশে অপারেট করে তারা যেন সহজে ব্যবসা করতে পারে, সেসব বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। ব্যবসায় যেন কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকে সেসব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া নতুন নতুন যেসব আমেরিকান কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে আগ্রহী, তারা কীভাবে বাংলাদেশের পণ্য এখানে যুক্ত করতে পারে এবং কীভাবে বাংলাদেশের মার্কেট এই গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হতে পারে, এসব সুযোগ-সুবিধা আমাদের এখানে আসছে।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, আমাদের ৯০ শতাংশ ব্যবসা গার্মেন্টসে। বৈঠকে গার্মেন্টসের কেউ ছিল না। তারা মূলত এ দেশের ই-কমার্স ইনফ্রাসট্রাকচার, ই-কমার্স বিজনেস থেকে শুরু করে এ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেছে। এখানে বোয়িং, শেভরন, টেলকো, মাস্টার কার্ড ও ভিসা কার্ডের প্রতিনিধিরা ছিল।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নেগেটিভ কোনো আলোচনা হয়নি, সব পজিটিভ আলোচনা হয়েছে। আমরা একক কোনো কোম্পানির ব্যবসায়িক প্রমোশনের জন্য এখানে বসিনি। মার্কিন কোম্পানিগুলো আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করার ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এসেছে। তাদের আসার মাধ্যমে আমাদের নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং নতুন কোম্পানি এ দেশে আসার পথ উন্মুক্ত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বোয়িং-অ্যামাজনের মতো বড় বড় কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে চায়

আপডেট সময় : ১১:২৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

 

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, বাংলাদেশের বাজারে অ্যামাজন, বোয়িং, কোক, শেভরন ও টেলকোসহ বড় বড় মার্কিন কোম্পানি ব্যবসা করতে চায়। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যামাজন সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। আমরা সেন্টার ওয়্যারিং হাউস তৈরি করবো। তারা সেখান থেকে পণ্যগুলো সংগ্রহ করবে। এরপর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বিক্রি করবে।

তিনি আরো বলেন, যেসব মার্কিন কোম্পানি বাংলাদেশে অপারেট করে তারা যেন সহজে ব্যবসা করতে পারে, সেসব বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। ব্যবসায় যেন কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকে সেসব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া নতুন নতুন যেসব আমেরিকান কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে আগ্রহী, তারা কীভাবে বাংলাদেশের পণ্য এখানে যুক্ত করতে পারে এবং কীভাবে বাংলাদেশের মার্কেট এই গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হতে পারে, এসব সুযোগ-সুবিধা আমাদের এখানে আসছে।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, আমাদের ৯০ শতাংশ ব্যবসা গার্মেন্টসে। বৈঠকে গার্মেন্টসের কেউ ছিল না। তারা মূলত এ দেশের ই-কমার্স ইনফ্রাসট্রাকচার, ই-কমার্স বিজনেস থেকে শুরু করে এ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেছে। এখানে বোয়িং, শেভরন, টেলকো, মাস্টার কার্ড ও ভিসা কার্ডের প্রতিনিধিরা ছিল।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নেগেটিভ কোনো আলোচনা হয়নি, সব পজিটিভ আলোচনা হয়েছে। আমরা একক কোনো কোম্পানির ব্যবসায়িক প্রমোশনের জন্য এখানে বসিনি। মার্কিন কোম্পানিগুলো আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করার ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এসেছে। তাদের আসার মাধ্যমে আমাদের নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং নতুন কোম্পানি এ দেশে আসার পথ উন্মুক্ত হবে।