ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: মৎস্যমন্ত্রী বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় ভারতকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর তাগিদ জাতিসংঘে জিয়া পরিবার বাংলাদেশের কণ্ঠস্বরের চার দশকের পথচলা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি   কিলোমিটার প্রতি বাসভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ, এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ট্রাক ভাড়া বেড়েছে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা

জিয়ার আমলে কারাগারে কত লোককে হত্যা করা হয়েছে, খুঁজে দেখতে বললেন শেখ হাসিনা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৬৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বলেছেন, সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে দেশে ‘সামরিক ক্যু’র ওজর তুলে বিভিন্ন কারাগারে কি পরিমান মানুষ হত্যা করা হয়েছে, তা খুঁজে বের করুন। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে

সারাদেশের কারাগারগুলোতে কত লোককে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা খুঁজে দেখতে সংসদ সদস্যদের পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার একাদশ সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি আমাদের সংসদ সদস্যদের একটা উদ্যোগ নেয়া উচিত, জিয়ার আমলে প্রত্যেকটা কারাগারে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়ে মারা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা, বগুড়া,

রাজশাহী, খুলনা এবং কুমিল্লায়। একটার পর একটা ক্যু আর শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। সেগুলো একটু খুঁজে বের করে দেখেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, একেকটা ক্যু, আর শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আর্মি অফিসার, আর্মি সোলজার, বিমান বাহিনীর ৫৬৫ জন অফিসার এবং সোলজার এবং সব মিলে এই রকম

কত মারা হয়েছে। এদের কাছ থেকে মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়! এদের কাছে জ্ঞানের কথা শুনতে হয়! এদের কাছে আইনের শাসনের কথা শুনতে হয়!

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর কত শত সৈনিক-কর্মকর্তা এবং মানুষকে সে সময় হত্যা করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এগুলোতো (রেকর্ড) থেকে যায় সেগুলো একটু খুঁজে বের

করে দেখেন। একেক রাতে ফাঁসি দিতে দিতে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিল, এখনও এরকম লোক আছে।’

সরকারের সমালোচনা করা একটি শ্রেণির অভ্যাস উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষের একটা বদঅভ্যাস আছে। কথায় কথায় হতাশ হওয়া। যতই কাজ করি তারপরও

বলে এটা হলো না কেন? ওটা হলো না কেন? আমি বলতে চাই, এসব না করে আগে কী ছিল আর এখন কী হয়েছে সেটা দেখলে তো হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা-এই অবস্থায় কিছু লোক ভোগে, আর কিছু লোক এমনিতেই ভোগে। আর মিডিয়া কী লিখলো আর টকশোতে কী বললো সেটা শুনে আমি কখনও

দেশ পরিচালনা করি না। দেশ পরিচালনা করি অন্তর থেকে। কারণ, আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। দরিদ্র মানুষের জন্য তিনি বছরের পর বছর জেল খেটেছেন। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। সেই মানুষগুলোর জন্য কী কাজ করতে হবে। সেটা আমি বাবা-মায়ের থেকে শিখেছি।

আমি সেটাই কাজে লাগাই। মানুষ তার সুফল পাচ্ছে কী না তা যাচাই করি। কে কী বললো, ওটা শুনে হতাশ হওয়া বা উৎসাহিত হওয়া আমার সাজে না। আমি তা করি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :