ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

আনলক বাংলাদেশে প্রথম দিনেই ঢাকার পথে যানবাহনের চাপ

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১ ৩১৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

করোনার উচ্চমুখী সংক্রমণের লাগাম টানতে দফায় দফায় ঘোষণা আসে লকডাউনের। সবশেষ এপ্রিলের শুরু থেকেই রাজশাহীসহ সীমান্ত জেলাগুলোতে করোনার ডেল্টা ধরণ মারাত্মক রূপ নেয়। আক্রান্ত-মৃত্যু রুখতে প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ২৬ এপ্রিল থেকে প্রথমে ১৪

দিনের জন্য ভারতের সঙ্গে সকল সীমান্ত পথ বন্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে চালু রাখা হয় আমদানি-রপ্তানি। এরপর কয়ে দফা সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

সর্বশেষ ১৫ আগস্টের পর সীমান্ত পথ উন্মুক্ত করার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক। মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১১ আগস্ট থেকে আনলক বার্তায় ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলো বুধবার থেকে তাদের কার্যক্রম চালু করেছে। ভারতের ভ্রমণ ভিসা ছাড়া ভিসা সব ধরনের আবেদন নেওয়া হবে। এদিন ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুরোধে ১ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন তথা বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। পাশাপাশি জোরদার করা হয় টিকাকরণ কার্যক্রমে। কঠোর লকডাউন চলাকালীন

সময়ে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ১৪ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত শিথিল করা হয়। ২৩ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত টানা কঠোর বিধিনিষেধ চলে।

সরকারী ঘোষণা লকডাউন শিথিলের বার্তা আসার পর পরই মঙ্গলবার গভীর রাত থেকেই ট্রেন এবং দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু হয়ে যায়। চলাচল শুরু হয়েছে জলযানও। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় ৩০টি রুটে রুটে প্রায় চারশতাধিক লঞ্চ চলাচল করে।

আনলকের ঘোষণার পরপরই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে আসে। স্বস্তি নেমে আসে সকল ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে। জেগে ওঠে প্রতিটি বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল। আলোকিত হয়ে ওঠে ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত রেলস্টেশন কমলাপুর।

ভোর থেকেই রিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের চলাচলের সঙ্গে জেগে ওঠে ঢাকা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরানো চেহারায় ফিরতে শুরু করে ঢাকার রাজপথ। মার্কেট, দোকানপাট সকল কিছুই খোলা। ক্ষুদ্র ব্যবসায়রিা সকাল থেকেই নির্ধারিত জায়গায় প্রসরা সাজিয়ে বসেছেন।

ধূলি উড়ানো রাজপথ ব্যস্ত হয়ে যায়। অবস্থা দেখে কারো ধারণা হবে না একরাতের ব্যবধানে দৃশ্যপট এমন পরিবর্তন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আনলক বাংলাদেশে প্রথম দিনেই ঢাকার পথে যানবাহনের চাপ

আপডেট সময় : ০১:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

করোনার উচ্চমুখী সংক্রমণের লাগাম টানতে দফায় দফায় ঘোষণা আসে লকডাউনের। সবশেষ এপ্রিলের শুরু থেকেই রাজশাহীসহ সীমান্ত জেলাগুলোতে করোনার ডেল্টা ধরণ মারাত্মক রূপ নেয়। আক্রান্ত-মৃত্যু রুখতে প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ২৬ এপ্রিল থেকে প্রথমে ১৪

দিনের জন্য ভারতের সঙ্গে সকল সীমান্ত পথ বন্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে চালু রাখা হয় আমদানি-রপ্তানি। এরপর কয়ে দফা সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

সর্বশেষ ১৫ আগস্টের পর সীমান্ত পথ উন্মুক্ত করার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক। মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১১ আগস্ট থেকে আনলক বার্তায় ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলো বুধবার থেকে তাদের কার্যক্রম চালু করেছে। ভারতের ভ্রমণ ভিসা ছাড়া ভিসা সব ধরনের আবেদন নেওয়া হবে। এদিন ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুরোধে ১ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন তথা বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। পাশাপাশি জোরদার করা হয় টিকাকরণ কার্যক্রমে। কঠোর লকডাউন চলাকালীন

সময়ে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ১৪ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত শিথিল করা হয়। ২৩ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত টানা কঠোর বিধিনিষেধ চলে।

সরকারী ঘোষণা লকডাউন শিথিলের বার্তা আসার পর পরই মঙ্গলবার গভীর রাত থেকেই ট্রেন এবং দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু হয়ে যায়। চলাচল শুরু হয়েছে জলযানও। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় ৩০টি রুটে রুটে প্রায় চারশতাধিক লঞ্চ চলাচল করে।

আনলকের ঘোষণার পরপরই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে আসে। স্বস্তি নেমে আসে সকল ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে। জেগে ওঠে প্রতিটি বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল। আলোকিত হয়ে ওঠে ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত রেলস্টেশন কমলাপুর।

ভোর থেকেই রিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের চলাচলের সঙ্গে জেগে ওঠে ঢাকা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরানো চেহারায় ফিরতে শুরু করে ঢাকার রাজপথ। মার্কেট, দোকানপাট সকল কিছুই খোলা। ক্ষুদ্র ব্যবসায়রিা সকাল থেকেই নির্ধারিত জায়গায় প্রসরা সাজিয়ে বসেছেন।

ধূলি উড়ানো রাজপথ ব্যস্ত হয়ে যায়। অবস্থা দেখে কারো ধারণা হবে না একরাতের ব্যবধানে দৃশ্যপট এমন পরিবর্তন।