ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৭৭৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই ‘বাংলাদেশ- একুশ শতকের পররাষ্ট্রনীতি: উন্নয়ন ও নেতৃত্ব’

ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের নতুন বই ‘বাংলাদেশ- একুশ শতকের পররাষ্ট্রনীতি: উন্নয়ন ও নেতৃত্ব’ প্রকাশিত হয়েছে। নিমফিয়া পাবলিকেশন প্রকাশিত এ বইয়ে স্থান পেয়েছে স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উপস্থিতি, বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নির্বাচনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও তার প্রেক্ষাপটসহ পররাষ্ট্রনীতির খুঁটিনাটি বিষয় ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে ছয় বছর প্রত্যক্ষ কাজের অভিজ্ঞতার নানা দিকও ড. মোমেনের লেখনীতে উঠে এসেছে ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ বিষয়ক বিশদ আলোচনা বইটিতে স্থান পেয়েছে। এ নীতির ওপর ভিত্তি করে বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ;  প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে। এ বইয়ে প্রাধান্য পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদেশতি বিষয়ক ভাবনা, পদক্ষেপ ও মানবিকতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিভাবে তাঁর চারিত্রিক দৃঢ়তা ও দূরদর্শীতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বাংলাদেশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এছাড়া উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘে উত্থাপিত বাংলাদেশের অনেকগুলো প্রস্তাব, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানবকল্যাণ, টেকসই উন্নয়ন এবং সকল জাতিসত্তার অব্যাহত উন্নয়ন ও মুক্তি।

ড. মোমেনের মতে, দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হল- মানবসম্পদ ও পানিসম্পদ। এ সম্পদের যথোপযুক্ত ব্যবহার করতে না পারলে তা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এ দুটি সম্পদ যথাযথভাবে কাজে লাগানো এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আমাদের স্বপ্ন ‘সোনার বাংলা’ অর্জনের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুটি প্যাকেজ পলিসি চালুল ফুটে উঠেছে।

কিশোরকালে ‘উষশী’পত্রিকা সম্পাদনা দিয়ে লেখালেখীর আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ঘটে ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা গবেষণাগ্রন্থে তাঁর প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা আড়াইশ’রও বেশি। ড. মোমেনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ: শেখ হাসিনা’, ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’, ‘বাংলাদেশ: রোড টু ডেভেলপমেন্ট’, বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি নয়’, ‘বাংলাদেশ মার্চিং ফরোয়ার্ড’, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’, ‘বাংলাদেশ: উন্নয়ন ও ভবিষ্যত সম্ভাবনা’, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সমগ্র ১৯৫৫-১৯৭৫’, বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা: বাংলাদেশের উন্নয়ন ভাবনা ও কূটনীতি’, টেকসই উন্নয়নের পথে অভিযাত্রা: বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’, ‘সাউথ সাউথ কো-অপারেশন: ফাইন্যান্সিং এসডিজি’, ‘বাংলাদেশ কান্ট্রি অব এমপাওয়ারিং পিপল’, ‘বাংলাদেশ: ফোরটি ইয়ারস ইন দ্যা ইউএন’ ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আপডেট সময় : ০৩:৫১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই ‘বাংলাদেশ- একুশ শতকের পররাষ্ট্রনীতি: উন্নয়ন ও নেতৃত্ব’

ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের নতুন বই ‘বাংলাদেশ- একুশ শতকের পররাষ্ট্রনীতি: উন্নয়ন ও নেতৃত্ব’ প্রকাশিত হয়েছে। নিমফিয়া পাবলিকেশন প্রকাশিত এ বইয়ে স্থান পেয়েছে স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উপস্থিতি, বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নির্বাচনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও তার প্রেক্ষাপটসহ পররাষ্ট্রনীতির খুঁটিনাটি বিষয় ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে ছয় বছর প্রত্যক্ষ কাজের অভিজ্ঞতার নানা দিকও ড. মোমেনের লেখনীতে উঠে এসেছে ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ বিষয়ক বিশদ আলোচনা বইটিতে স্থান পেয়েছে। এ নীতির ওপর ভিত্তি করে বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ;  প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে। এ বইয়ে প্রাধান্য পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদেশতি বিষয়ক ভাবনা, পদক্ষেপ ও মানবিকতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিভাবে তাঁর চারিত্রিক দৃঢ়তা ও দূরদর্শীতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বাংলাদেশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এছাড়া উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘে উত্থাপিত বাংলাদেশের অনেকগুলো প্রস্তাব, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানবকল্যাণ, টেকসই উন্নয়ন এবং সকল জাতিসত্তার অব্যাহত উন্নয়ন ও মুক্তি।

ড. মোমেনের মতে, দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হল- মানবসম্পদ ও পানিসম্পদ। এ সম্পদের যথোপযুক্ত ব্যবহার করতে না পারলে তা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এ দুটি সম্পদ যথাযথভাবে কাজে লাগানো এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আমাদের স্বপ্ন ‘সোনার বাংলা’ অর্জনের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুটি প্যাকেজ পলিসি চালুল ফুটে উঠেছে।

কিশোরকালে ‘উষশী’পত্রিকা সম্পাদনা দিয়ে লেখালেখীর আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ঘটে ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা গবেষণাগ্রন্থে তাঁর প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা আড়াইশ’রও বেশি। ড. মোমেনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ: শেখ হাসিনা’, ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’, ‘বাংলাদেশ: রোড টু ডেভেলপমেন্ট’, বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি নয়’, ‘বাংলাদেশ মার্চিং ফরোয়ার্ড’, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’, ‘বাংলাদেশ: উন্নয়ন ও ভবিষ্যত সম্ভাবনা’, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সমগ্র ১৯৫৫-১৯৭৫’, বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা: বাংলাদেশের উন্নয়ন ভাবনা ও কূটনীতি’, টেকসই উন্নয়নের পথে অভিযাত্রা: বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’, ‘সাউথ সাউথ কো-অপারেশন: ফাইন্যান্সিং এসডিজি’, ‘বাংলাদেশ কান্ট্রি অব এমপাওয়ারিং পিপল’, ‘বাংলাদেশ: ফোরটি ইয়ারস ইন দ্যা ইউএন’ ।