ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের উদ্বেগকে সমর্থন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজ: ড. মোমেন

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১ ২৮৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের উদ্বেগকে সমর্থন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজ। ড. মোমেন বলেন, প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সুশীল সমাজ সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর

সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক এবং শিল্পীরা সম্প্রতি সীমান্তে যেকোনো ধরনের হত্যা বন্ধ করার দাবি উত্থাপন করেছেন। ড. মোমেন আশা করেন পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এবং রাজ্য সরকারের পাশাপাশি ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করবে। আমরা সীমান্তে বাংলাদেশী বা

ভারতীয় যেই হোক না কেন, কোন হত্যাকান্ডই দেখতে চাই না। সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক এবং এটা ভারতের জন্য লজ্জার বিষয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের মধ্যে প্রতিশ্রুতির পরেও সীমান্তে এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ড. মোমেন ভারতীয় সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সীমান্তে

প্রাণঘাতি অস্ত্র ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন করা বাহিনী পর্যন্ত কেন পৌঁছেনি তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। এই বছর মার্চ মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের সময় যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী উভয় পক্ষ একমত হয়েছে যে সীমান্তে যে কোন মৃত্যু একটি উদ্বেগের বিষয়। সফরকালে উভয় পক্ষ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকেও নির্দেশ সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যুকে শূন্যের কোটায় নামিয়ে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের উদ্বেগকে সমর্থন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজ: ড. মোমেন

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের উদ্বেগকে সমর্থন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজ। ড. মোমেন বলেন, প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সুশীল সমাজ সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর

সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক এবং শিল্পীরা সম্প্রতি সীমান্তে যেকোনো ধরনের হত্যা বন্ধ করার দাবি উত্থাপন করেছেন। ড. মোমেন আশা করেন পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এবং রাজ্য সরকারের পাশাপাশি ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করবে। আমরা সীমান্তে বাংলাদেশী বা

ভারতীয় যেই হোক না কেন, কোন হত্যাকান্ডই দেখতে চাই না। সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক এবং এটা ভারতের জন্য লজ্জার বিষয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের মধ্যে প্রতিশ্রুতির পরেও সীমান্তে এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ড. মোমেন ভারতীয় সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সীমান্তে

প্রাণঘাতি অস্ত্র ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন করা বাহিনী পর্যন্ত কেন পৌঁছেনি তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। এই বছর মার্চ মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের সময় যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী উভয় পক্ষ একমত হয়েছে যে সীমান্তে যে কোন মৃত্যু একটি উদ্বেগের বিষয়। সফরকালে উভয় পক্ষ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকেও নির্দেশ সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যুকে শূন্যের কোটায় নামিয়ে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।