ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোহিঙ্গাদের জন্য ২০ লাখ ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ফিনল্যান্ড মায়ের টানে ৭৮ তলা সমান গভীর গুহা থেকে অলৌকিক ফেরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: সামনে কঠিন সময়, দায়িত্বশীল না হলে দেশের ক্ষতি হবে সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ

বিশ্বশান্তি সম্মেলন আয়োজন করবে বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মে ২০২১ ২৭৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শান্তি পুরষ্কার প্রদান করা হবে’

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, মুজিববর্ষেই নভেম্বরে দু’দিন ব্যাপী বিশ্বশান্তি সম্মেলন আয়োজন করবে বাংলাদেশ। এসময় বঙ্গবন্ধু শান্তি পুরষ্কার প্রদান করা হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি পদক প্রাপ্তির ৪৮তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রবিবার আলোচনা সভায় যুক্ত একথা জানালেন বিদেশমন্ত্রী।

ড. মোমেন বলেন, প্রগতিশীল ও বুদ্ধিজীবীসহ সারা পৃথিবীতে যারা শান্তির জন্য কাজ করছেন, তাদের নিয়ে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। এ সম্মেলনে বিশ্ব শান্তি ও মানবতার অগ্রদূত বঙ্গবন্ধুর ওপর আলোচনার আয়োজন করা হবে। এ বিষয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে।

ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর পথ ধরে বাংলাদেশ শান্তির মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ সারা পৃথিবীতে শান্তির বাণী পৌঁছে দিচ্ছে এবং তা হচ্ছে ‘শান্তির সংস্কৃতি’। জাতিসংঘের ১৯৩টি দেশ শান্তির সংস্কৃতির প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছে। একে অন্যের প্রতি হিংসা বিদ্বেষের কারণে দেশে দেশে হানাহানি হচ্ছে।

হিংসা-বিদ্বেষ দূর করতে পারলে আমরা পৃথিবীতে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারব। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমারের ১১ লক্ষ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বঙ্গবন্ধু সারাজীবন শান্তির জন্য এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। সে কারণে তিনি বাংলাদেশের ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ এমন বিদেশনীতি প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছেন।

ড. মোমেন বলেন, জুলিও কুরি পুরস্কার প্রাপ্তিতে বঙ্গবন্দু যেমন সম্মানিত হয়েছেন, বাঙালি জাতিও তেমনি সম্মানিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সবসময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করতেন। আমরা প্রতিবেশী দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী এবং এটা বঙ্গবন্ধু বারবার উচ্চারণ করেছেন।

আলাচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু না থাকলেও তাঁর মহান আদর্শ, তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। প্রধানমন্ত্রী মানুষের মুক্তি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় মূল বক্তা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক বীর প্রতীক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিদেশ সচিব মাসুদ বিন মোমেন। জুলিও কুরি পুরস্কার গ্রহণকালে বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা পাঠ করেন রাষ্ট্রাচার প্রধান আমানুল হক।

অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং বাংলাদেশের দূতাবাস প্রধানগণ। এছাড়া বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির মূখ্য সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বিশ্বশান্তি পরিষদ-বাংলাদেশ অংশের সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু ।

এ সময় ‘শান্তির দূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শিরোনামে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিশ্বশান্তি সম্মেলন আয়োজন করবে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১০:১৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মে ২০২১

‘বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শান্তি পুরষ্কার প্রদান করা হবে’

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, মুজিববর্ষেই নভেম্বরে দু’দিন ব্যাপী বিশ্বশান্তি সম্মেলন আয়োজন করবে বাংলাদেশ। এসময় বঙ্গবন্ধু শান্তি পুরষ্কার প্রদান করা হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি পদক প্রাপ্তির ৪৮তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রবিবার আলোচনা সভায় যুক্ত একথা জানালেন বিদেশমন্ত্রী।

ড. মোমেন বলেন, প্রগতিশীল ও বুদ্ধিজীবীসহ সারা পৃথিবীতে যারা শান্তির জন্য কাজ করছেন, তাদের নিয়ে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। এ সম্মেলনে বিশ্ব শান্তি ও মানবতার অগ্রদূত বঙ্গবন্ধুর ওপর আলোচনার আয়োজন করা হবে। এ বিষয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে।

ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর পথ ধরে বাংলাদেশ শান্তির মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ সারা পৃথিবীতে শান্তির বাণী পৌঁছে দিচ্ছে এবং তা হচ্ছে ‘শান্তির সংস্কৃতি’। জাতিসংঘের ১৯৩টি দেশ শান্তির সংস্কৃতির প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছে। একে অন্যের প্রতি হিংসা বিদ্বেষের কারণে দেশে দেশে হানাহানি হচ্ছে।

হিংসা-বিদ্বেষ দূর করতে পারলে আমরা পৃথিবীতে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারব। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমারের ১১ লক্ষ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বঙ্গবন্ধু সারাজীবন শান্তির জন্য এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। সে কারণে তিনি বাংলাদেশের ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ এমন বিদেশনীতি প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছেন।

ড. মোমেন বলেন, জুলিও কুরি পুরস্কার প্রাপ্তিতে বঙ্গবন্দু যেমন সম্মানিত হয়েছেন, বাঙালি জাতিও তেমনি সম্মানিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সবসময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করতেন। আমরা প্রতিবেশী দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী এবং এটা বঙ্গবন্ধু বারবার উচ্চারণ করেছেন।

আলাচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু না থাকলেও তাঁর মহান আদর্শ, তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। প্রধানমন্ত্রী মানুষের মুক্তি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় মূল বক্তা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক বীর প্রতীক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিদেশ সচিব মাসুদ বিন মোমেন। জুলিও কুরি পুরস্কার গ্রহণকালে বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা পাঠ করেন রাষ্ট্রাচার প্রধান আমানুল হক।

অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং বাংলাদেশের দূতাবাস প্রধানগণ। এছাড়া বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির মূখ্য সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বিশ্বশান্তি পরিষদ-বাংলাদেশ অংশের সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু ।

এ সময় ‘শান্তির দূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শিরোনামে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।