ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

ন্যাশনাল জিওগ্রানারী হওয়ার কারণে আমার কাজ করতে সুবিধা হয়েছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১ ৫২৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

নারী হওয়ার কারণে তার কাজের সুবিধা হয়েছে বলে মন্তব্য করে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্রথম নারী ফটোগ্রাফার অ্যানি গ্রিফিথস। অ্যানি গ্রিফিথস মনে করেন, নারী হওয়ার কারণে কাজ করতে সুবিধা হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে তার তোলা হাজার হাজার ছবি রয়েছে। ৪৫ বছরের কর্মজীবনে ১৫০টির ও বেশি দেশ ঘুরেছেন ছবি তোলার জন্য।

ফটোসাংবাদিকতা করে তিনি উপলব্ধি করেন, অর্ধেক পৃথিবী তার কাছেই আছে। অ্যানি পাঁচ বছর মধ্যপ্রাচ্যে কাটিয়েছেন বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক অংশ এবং তাদের সংস্কৃতির অনেক দিকে আছে লিঙ্গবৈষম্য। পশ্চিমা বিশ্বে এ নিয়ে প্রায়ই সমালোচনা হয়। নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটা দেখার সুযোগ আছে! গ্রিফিথের ক্যামেরায় ধরা পড়ে নারীরা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, অভিবাসন, বৈষম্য, যুদ্ধ, মহামারি ও দুর্ভিক্ষ থেকে বেঁচে যাওয়া যোদ্ধা হয়ে ওঠার গল্প।

তিনি বলেন, এত বিপর্যয়ের পরও তারা ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখে, শিশুদের লালনপালন করে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। অ্যানি গ্রিফিথস জানান, ‘আমি সব সময় নারীদের সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। নারীর এক অশ্চর্য ক্ষমতা আছে। পুরুষেরা সংসারত্যাগী হলেও নারীরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সংসারের হাল ধরে রাখছেন।

তাদের সন্তানদের এবং কখনো কখনো তাদের শ্বশুর-শাশুড়িকেও দেখাশোনা করছেন। ব্যক্তিগত জীবনে অ্যানি গ্রিফিথস দুই সন্তানের মা। সন্তানদের কাছেও তার মমতা আর দায়িত্বশীলতার প্রমাণ রেখেছেন। সন্তানদের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি দুই সপ্তাহের বেশি তাদের কাছ থেকে দূরে থাকবেন না।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের সঙ্গে তার বেশির ভাগ কাজ অন্তত তিন মাস স্থায়ী হয়। এই সুযোগে গ্রিফিথের সন্তানেরা ডজনখানেক দেশ দেখেছে এবং হাজার হাজার মানুষ দেখেছে। ২০০৮ সালে গ্রিফিথস ছবির স্মৃতিকথার একটি বই প্রকাশ করেন, যার নাম দিয়েছেন ‘একটি ক্যামেরা, দুই সন্তান এবং একটি উট’। যেখানে লেখা রয়েছে কাজ, পরিবার এবং পুরো বিশ্ব এই তিনকে এক সুরে গাঁথা সম্ভব।
ফিকের প্রথম নারী ফটোগ্রাফার অ্যানি গ্রিফিথস

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ন্যাশনাল জিওগ্রানারী হওয়ার কারণে আমার কাজ করতে সুবিধা হয়েছে

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

নারী হওয়ার কারণে তার কাজের সুবিধা হয়েছে বলে মন্তব্য করে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্রথম নারী ফটোগ্রাফার অ্যানি গ্রিফিথস। অ্যানি গ্রিফিথস মনে করেন, নারী হওয়ার কারণে কাজ করতে সুবিধা হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে তার তোলা হাজার হাজার ছবি রয়েছে। ৪৫ বছরের কর্মজীবনে ১৫০টির ও বেশি দেশ ঘুরেছেন ছবি তোলার জন্য।

ফটোসাংবাদিকতা করে তিনি উপলব্ধি করেন, অর্ধেক পৃথিবী তার কাছেই আছে। অ্যানি পাঁচ বছর মধ্যপ্রাচ্যে কাটিয়েছেন বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক অংশ এবং তাদের সংস্কৃতির অনেক দিকে আছে লিঙ্গবৈষম্য। পশ্চিমা বিশ্বে এ নিয়ে প্রায়ই সমালোচনা হয়। নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটা দেখার সুযোগ আছে! গ্রিফিথের ক্যামেরায় ধরা পড়ে নারীরা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, অভিবাসন, বৈষম্য, যুদ্ধ, মহামারি ও দুর্ভিক্ষ থেকে বেঁচে যাওয়া যোদ্ধা হয়ে ওঠার গল্প।

তিনি বলেন, এত বিপর্যয়ের পরও তারা ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখে, শিশুদের লালনপালন করে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। অ্যানি গ্রিফিথস জানান, ‘আমি সব সময় নারীদের সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। নারীর এক অশ্চর্য ক্ষমতা আছে। পুরুষেরা সংসারত্যাগী হলেও নারীরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সংসারের হাল ধরে রাখছেন।

তাদের সন্তানদের এবং কখনো কখনো তাদের শ্বশুর-শাশুড়িকেও দেখাশোনা করছেন। ব্যক্তিগত জীবনে অ্যানি গ্রিফিথস দুই সন্তানের মা। সন্তানদের কাছেও তার মমতা আর দায়িত্বশীলতার প্রমাণ রেখেছেন। সন্তানদের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি দুই সপ্তাহের বেশি তাদের কাছ থেকে দূরে থাকবেন না।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের সঙ্গে তার বেশির ভাগ কাজ অন্তত তিন মাস স্থায়ী হয়। এই সুযোগে গ্রিফিথের সন্তানেরা ডজনখানেক দেশ দেখেছে এবং হাজার হাজার মানুষ দেখেছে। ২০০৮ সালে গ্রিফিথস ছবির স্মৃতিকথার একটি বই প্রকাশ করেন, যার নাম দিয়েছেন ‘একটি ক্যামেরা, দুই সন্তান এবং একটি উট’। যেখানে লেখা রয়েছে কাজ, পরিবার এবং পুরো বিশ্ব এই তিনকে এক সুরে গাঁথা সম্ভব।
ফিকের প্রথম নারী ফটোগ্রাফার অ্যানি গ্রিফিথস