ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

ডেঙ্গু ও করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১ ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাঈদা নাসরীন বাবলী

করোনা প্রকোপের মধ্যে দেখা দিয়েছে ডেঙ্গু। এই ডেঙ্গুরে ভোগাকালীন দেখা দেয় করোনা পজেটিভ। প্রায় একমাস ডেঙ্গু ও করোনার সঙ্গে লড়াই করে বুধবার সকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাঈদা নাসরীন বাবলী।  ঢাকা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সহকর্মীরা জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। সবশেষ প্রায় ১৬ দিন আইসিইউতে ছিলেন।  ডেঙ্গুর সঙ্গে তার করোনা পজিটিভ ছিলো। এরমধ্যে প্রথম দফায় গত ২১ জুন লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হলেও ২৯ জুন তা খুলে দেওয়া হয়। এরমধ্যে তার কিডনি অকার্যকর হয়ে পরে। সর্বশেষ ৫ তারিখ আইসিইউতে থাকা অবস্থায় ব্রেন স্ট্রোক করলে তাকে আবার লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। আজ ভোরে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়।
দু’টোই ছিলো।। চিকিৎসা চলাকালে ওনার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হলেও ৫ তারিখ ভোরে ব্রেন স্ট্রোক করলে আবারও লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল।’

ইতিহাস বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোদেজা খাতুন জানিয়েছেন, বাবলীকে সিরাজগঞ্জে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে। সেখানে মরদেহ নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, সাঈদা নাসরিন বাবলীর বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গোল্ড মেডেল পাওয়া এই শিক্ষিকা ৩২তম বিসিএস পরীক্ষায় শিক্ষা ক্যাডারে হয়েছেন প্রথম। তার লেখা বেশ কিছু বই রয়েছে।
তার স্বামী ব্যারিস্টার এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বাংলাদেশ হাইকোর্টে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করছেন।  তাদের ৫ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ডেঙ্গু ও করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

সাঈদা নাসরীন বাবলী

করোনা প্রকোপের মধ্যে দেখা দিয়েছে ডেঙ্গু। এই ডেঙ্গুরে ভোগাকালীন দেখা দেয় করোনা পজেটিভ। প্রায় একমাস ডেঙ্গু ও করোনার সঙ্গে লড়াই করে বুধবার সকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাঈদা নাসরীন বাবলী।  ঢাকা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সহকর্মীরা জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। সবশেষ প্রায় ১৬ দিন আইসিইউতে ছিলেন।  ডেঙ্গুর সঙ্গে তার করোনা পজিটিভ ছিলো। এরমধ্যে প্রথম দফায় গত ২১ জুন লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হলেও ২৯ জুন তা খুলে দেওয়া হয়। এরমধ্যে তার কিডনি অকার্যকর হয়ে পরে। সর্বশেষ ৫ তারিখ আইসিইউতে থাকা অবস্থায় ব্রেন স্ট্রোক করলে তাকে আবার লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। আজ ভোরে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়।
দু’টোই ছিলো।। চিকিৎসা চলাকালে ওনার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হলেও ৫ তারিখ ভোরে ব্রেন স্ট্রোক করলে আবারও লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল।’

ইতিহাস বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোদেজা খাতুন জানিয়েছেন, বাবলীকে সিরাজগঞ্জে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে। সেখানে মরদেহ নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, সাঈদা নাসরিন বাবলীর বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গোল্ড মেডেল পাওয়া এই শিক্ষিকা ৩২তম বিসিএস পরীক্ষায় শিক্ষা ক্যাডারে হয়েছেন প্রথম। তার লেখা বেশ কিছু বই রয়েছে।
তার স্বামী ব্যারিস্টার এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বাংলাদেশ হাইকোর্টে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করছেন।  তাদের ৫ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।