ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রে প্রয়োজনে আবার পরীক্ষা: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে এইচএসসির কোনো কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারলে জরিপের ভিত্তিতে সেখানে আবার পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছেড়ে পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “যেসব কেন্দ্রে ভুলত্রুটি হয়েছে, সেখানে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার বিধান রয়েছে।”

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পটুয়াখালী-২ আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সঠিকভাবে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। আমি আশ্বাস দিচ্ছি যেসব কেন্দ্রে ভুল-ত্রুটি হয়েছে সেখানে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন শফিকুল ইসলাম মাসুদ শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, গতকাল যেসব এইচএসসি পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের বিশেষ মূল্যায়ন সহায়তা ব্যবস্থা এবং যেসব কেন্দ্র এখনো পানির নিচে, সে বিষয়ে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি না, একই সঙ্গে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্ষা মৌসুমে পরীক্ষা নিয়ে আমরা সবাই উদ্বিগ্ন। আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে ছিলাম এবং আছি। যেসব কেন্দ্রে পানি উঠেছে তাৎক্ষণিক আমরা কেন্দ্র সরিয়ে দিয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ যাবৎ শুধু কুমিল্লা সরকারি কলেজের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাছাড়া অন্যান্য যেসব গুটি কয়েক কেন্দ্রে সমস্যা হয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্র পাল্টানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, যেসব শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের শুধরে দেয়া বিরাট কোনো কাজ নয়। কারণ আমরা অনেক জায়গায় পরীক্ষা বন্ধ করেছি, আবার তাদের পরীক্ষা নেবো।

আমরা পর্যলোচনা করছি, যদি কোথাও প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ওঠার পর শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারে। তাহলে এই জরিপটা পেলে আমরা পুনরায় পরীক্ষাও নিতে পারি।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্ষা মৌসুম এড়াতে পরীক্ষা কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, তা নিয়ে কাজ করছে সরকার। ২০২৭ সালে এসএসসি থেকে বেজ ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বছরও এক মাস এগোনো হয়েছে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে শিক্ষাবর্ষ আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। সিলেবাস কীভাবে শেষ করবে সে বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রে প্রয়োজনে আবার পরীক্ষা: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে এইচএসসির কোনো কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারলে জরিপের ভিত্তিতে সেখানে আবার পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছেড়ে পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “যেসব কেন্দ্রে ভুলত্রুটি হয়েছে, সেখানে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার বিধান রয়েছে।”

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পটুয়াখালী-২ আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সঠিকভাবে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। আমি আশ্বাস দিচ্ছি যেসব কেন্দ্রে ভুল-ত্রুটি হয়েছে সেখানে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন শফিকুল ইসলাম মাসুদ শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, গতকাল যেসব এইচএসসি পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের বিশেষ মূল্যায়ন সহায়তা ব্যবস্থা এবং যেসব কেন্দ্র এখনো পানির নিচে, সে বিষয়ে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি না, একই সঙ্গে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্ষা মৌসুমে পরীক্ষা নিয়ে আমরা সবাই উদ্বিগ্ন। আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে ছিলাম এবং আছি। যেসব কেন্দ্রে পানি উঠেছে তাৎক্ষণিক আমরা কেন্দ্র সরিয়ে দিয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ যাবৎ শুধু কুমিল্লা সরকারি কলেজের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাছাড়া অন্যান্য যেসব গুটি কয়েক কেন্দ্রে সমস্যা হয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্র পাল্টানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, যেসব শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের শুধরে দেয়া বিরাট কোনো কাজ নয়। কারণ আমরা অনেক জায়গায় পরীক্ষা বন্ধ করেছি, আবার তাদের পরীক্ষা নেবো।

আমরা পর্যলোচনা করছি, যদি কোথাও প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ওঠার পর শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারে। তাহলে এই জরিপটা পেলে আমরা পুনরায় পরীক্ষাও নিতে পারি।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্ষা মৌসুম এড়াতে পরীক্ষা কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, তা নিয়ে কাজ করছে সরকার। ২০২৭ সালে এসএসসি থেকে বেজ ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বছরও এক মাস এগোনো হয়েছে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে শিক্ষাবর্ষ আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। সিলেবাস কীভাবে শেষ করবে সে বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।