ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় : তদন্ত কমিটির কাছে চুল কাটার বয়ান দিলেন শিক্ষার্থীরা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১ ৩০৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির কাছে চুল কাটার বয়ান দিলেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে নির্যাতিত ১৩ ছাত্র কমিটির কাছে

উপস্থিত হয়ে তাদের বয়ান দেন। অসুস্থ অপর শিক্ষার্থী হাসপাতাল থেকে ভার্চ্যুয়ালি বয়ান দেন।
এছাড়াও প্রত্যক্ষদর্শী ১৫ শিক্ষার্থী, ৩ শিক্ষক, ৫ কর্মচারী ও ৫ জন অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীর বয়ান

গ্রহণ করেন তদন্ত কমিটি। পাশাপাশি গত তিন বছরে অভিযুক্ত শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতা’র বর্ণনাও দেন বিভিন্ন বিভাগের আরও আট শিক্ষার্থী। সব মিলিয়ে প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি তাদের বয়ান দিলেন।

শাহজাদপুর পৌর এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে প্রত্যেককে পৃথকভাবে ডেকে নিয়ে তদন্ত কমিটি জিজ্ঞাসাবাদ করে। প্রত্যেকেই ঘটনার দিন চুল কেটে

দেওয়ার বর্ণনা দিয়েছেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অনেকেই এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র এ কে এম নাজমুল হোসাইন। তিনি আরও

জানান, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন এ ঘটনায় তাঁর বক্তব্য দিতে আসেননি। তিনি শেষ পর্যন্ত আসবেন কি না, তা-ও বলতে পারছেন না।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ ছাত্রের মাথার চুল কাঁচি দিয়ে কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ

অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন ও অনশন শুরু করেন। বৃহস্পতিবার রাতে শিক্ষক ফারহানা

ইয়াসমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ছাড়া এ ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

অবশেষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির আশ্বাসে শনিবার শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিয়ে আন্দোলন শিথিল করেন। রবিবার সকাল থেকে দিনভর তারা একাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন।

তারা ফারহানা ইয়াসমিনের স্থায়ী বরখাস্ত না হওয়া পর্যন্ত এ অবস্থান থেকে পিছু না হটার ঘোষণা দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় : তদন্ত কমিটির কাছে চুল কাটার বয়ান দিলেন শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ১০:২৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১

ছবি সংগ্রহ

পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির কাছে চুল কাটার বয়ান দিলেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে নির্যাতিত ১৩ ছাত্র কমিটির কাছে

উপস্থিত হয়ে তাদের বয়ান দেন। অসুস্থ অপর শিক্ষার্থী হাসপাতাল থেকে ভার্চ্যুয়ালি বয়ান দেন।
এছাড়াও প্রত্যক্ষদর্শী ১৫ শিক্ষার্থী, ৩ শিক্ষক, ৫ কর্মচারী ও ৫ জন অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীর বয়ান

গ্রহণ করেন তদন্ত কমিটি। পাশাপাশি গত তিন বছরে অভিযুক্ত শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতা’র বর্ণনাও দেন বিভিন্ন বিভাগের আরও আট শিক্ষার্থী। সব মিলিয়ে প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি তাদের বয়ান দিলেন।

শাহজাদপুর পৌর এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে প্রত্যেককে পৃথকভাবে ডেকে নিয়ে তদন্ত কমিটি জিজ্ঞাসাবাদ করে। প্রত্যেকেই ঘটনার দিন চুল কেটে

দেওয়ার বর্ণনা দিয়েছেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অনেকেই এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র এ কে এম নাজমুল হোসাইন। তিনি আরও

জানান, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন এ ঘটনায় তাঁর বক্তব্য দিতে আসেননি। তিনি শেষ পর্যন্ত আসবেন কি না, তা-ও বলতে পারছেন না।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ ছাত্রের মাথার চুল কাঁচি দিয়ে কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ

অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন ও অনশন শুরু করেন। বৃহস্পতিবার রাতে শিক্ষক ফারহানা

ইয়াসমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ছাড়া এ ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

অবশেষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির আশ্বাসে শনিবার শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিয়ে আন্দোলন শিথিল করেন। রবিবার সকাল থেকে দিনভর তারা একাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন।

তারা ফারহানা ইয়াসমিনের স্থায়ী বরখাস্ত না হওয়া পর্যন্ত এ অবস্থান থেকে পিছু না হটার ঘোষণা দিয়েছেন।