ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের সমর্থক ভাইয়ারা না থাকলে ঘটনা অন্য রকম হয়ে যেতো: নাঈম হাসান আদ্-দ্বীনের কোটি টাকার চাপ উপেক্ষা করে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর শনিবার, উন্নয়ন প্রত্যাশায় মুখিয়ে স্থানীয়রা যৌথ টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ, নভেম্বরে ঢাকায় পরবর্তী বৈঠক

‘নবসৃষ্টি’র অনুকরণীয় উদ্যোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ৪২৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

যে কোন ভালো সঙ্গে মন্দের আগমন ঘটে। তবে, ইচ্ছে শক্তির কাছে সবই একদিন পরাজিত হয়। তখন বাহবা দেবার লোকের অভাব হয় না। নিজেদের মানব কল্যাণে কাজ করে আজ মানুষের বাহবা পাচ্ছে নবসৃষ্টি বহুমুখী সমবায় সমিতি। বাহবা পেয়েই তাদের কর্মকান্ডের গতি থামেনি। বরং বেড়েছে। সমিতির উদ্যোগে অসহায় মানুষকে চিকিৎসাসেবা প্রদান, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বইসহ শিক্ষা উপকরণ প্রদান, ঈদ উপহার দেওয়াসহ নানা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। করোনাকালে সমিতির উদ্যোগে অসহায় মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় খাবারসহ নিত্যপণ্য। চাঁদপুরে এখন পরিচিত নাম নবসৃষ্টি বহুমুখী সমবায় সমিতি।

শুরুতে তাদের সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে মানুষ নানা কথা বলত। কিন্তু সেসব কথা তাদের কর্ম-উদ্দীপনা কমাতে পারেনি। বরং তারা নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। ধীরে ধীরে তাদের সংগঠন এগুতে থাকে এবং সেই সংগঠনের মাধ্যমে তারা সমাজের নানা কল্যাণ করছেন। ২০০৮ সালে এ সমিতির মূলধন ছিল ৬৫ হাজার টাকা। বর্তমানে তা ৫ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া বর্তমানে সমিতির শেয়ার হোন্ডার ২৮ জন। আর সদস্য সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০। আগে সমিতির সদস্যদের সর্বোচ্চ ঋণ দেওয়া হতো ৩ হাজার টাকা। আর এখন সদস্যদের প্রয়োজন অনুযায়ী দেওয়া হয়। সমিতির প্রধান উদ্যোক্তা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম. নূরে আলম পাটওয়ারী জানালেন, সমিতির শুরুর দিকে আমাদের নানা প্রতিবন্ধকতা ছিল। এখন তা কাটিয়ে ওঠেছি। সদস্য সংখ্যা বেশি, ঋণও দিতে পারি বেশি। এছাড়া আমরা সমিতির পক্ষ থেকে সদস্যদের সাধ্য মতো নানাভাবে সহায়তা করছি।

পাশাপাশি সদস্যদের বাইরেও আমরা অসহায় মানুষকে সহায়তা করে আসছি। অন্যদিকে করোনার প্রভাবে আমরা অনেক ঋণগ্রহীতার লভ্যাংশ মওকুফ ও অনেকের ক্ষেত্রে শিথিল করেছি। আবার অনেককে সমিতি থেকে প্রণোদনাও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সামনে আমাদের ইচ্ছে আছে, সমিতির উদ্যোগে স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ডেইরি ফার্ম ও পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘নবসৃষ্টি’র অনুকরণীয় উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৪:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

যে কোন ভালো সঙ্গে মন্দের আগমন ঘটে। তবে, ইচ্ছে শক্তির কাছে সবই একদিন পরাজিত হয়। তখন বাহবা দেবার লোকের অভাব হয় না। নিজেদের মানব কল্যাণে কাজ করে আজ মানুষের বাহবা পাচ্ছে নবসৃষ্টি বহুমুখী সমবায় সমিতি। বাহবা পেয়েই তাদের কর্মকান্ডের গতি থামেনি। বরং বেড়েছে। সমিতির উদ্যোগে অসহায় মানুষকে চিকিৎসাসেবা প্রদান, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বইসহ শিক্ষা উপকরণ প্রদান, ঈদ উপহার দেওয়াসহ নানা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। করোনাকালে সমিতির উদ্যোগে অসহায় মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় খাবারসহ নিত্যপণ্য। চাঁদপুরে এখন পরিচিত নাম নবসৃষ্টি বহুমুখী সমবায় সমিতি।

শুরুতে তাদের সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে মানুষ নানা কথা বলত। কিন্তু সেসব কথা তাদের কর্ম-উদ্দীপনা কমাতে পারেনি। বরং তারা নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। ধীরে ধীরে তাদের সংগঠন এগুতে থাকে এবং সেই সংগঠনের মাধ্যমে তারা সমাজের নানা কল্যাণ করছেন। ২০০৮ সালে এ সমিতির মূলধন ছিল ৬৫ হাজার টাকা। বর্তমানে তা ৫ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া বর্তমানে সমিতির শেয়ার হোন্ডার ২৮ জন। আর সদস্য সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০। আগে সমিতির সদস্যদের সর্বোচ্চ ঋণ দেওয়া হতো ৩ হাজার টাকা। আর এখন সদস্যদের প্রয়োজন অনুযায়ী দেওয়া হয়। সমিতির প্রধান উদ্যোক্তা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম. নূরে আলম পাটওয়ারী জানালেন, সমিতির শুরুর দিকে আমাদের নানা প্রতিবন্ধকতা ছিল। এখন তা কাটিয়ে ওঠেছি। সদস্য সংখ্যা বেশি, ঋণও দিতে পারি বেশি। এছাড়া আমরা সমিতির পক্ষ থেকে সদস্যদের সাধ্য মতো নানাভাবে সহায়তা করছি।

পাশাপাশি সদস্যদের বাইরেও আমরা অসহায় মানুষকে সহায়তা করে আসছি। অন্যদিকে করোনার প্রভাবে আমরা অনেক ঋণগ্রহীতার লভ্যাংশ মওকুফ ও অনেকের ক্ষেত্রে শিথিল করেছি। আবার অনেককে সমিতি থেকে প্রণোদনাও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সামনে আমাদের ইচ্ছে আছে, সমিতির উদ্যোগে স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ডেইরি ফার্ম ও পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করার।