ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

৫০ কোটি টাকা আত্মসাত

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুন ২০২১ ২৬৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এক, দুই হাজার বা লাখও নয়। কোটির ঘরে সীমাবদ্ধ থাকলেও স্বাভাবিক ঘটনার কাছাকাছি ভেবে নেওয়া যেতো। কিন্তু ৫০ কোটি? তাও আবার আত্মাসাত!

ঠিকই শুনেছেন।  ৪২ বছর বয়সের মশিউর রহমান খান ওরফে বাবু প্রতারণা করে ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন। মঙ্গলবার ঢাকার কাফরুল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।

তার বাড়ি মশিউর রহমানের গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়। তিনি মহাখালীর ডিওএইচএসের একটি বাড়িতে আবরার গ্রুপ নামে একটি কম্পানির অফিস খুলে নিজেকে কোম্পানির ক্রয় কর্মকর্তার পরিচয় দিতেন।

বুধবার সিআইডি সদর দপ্তরে জানানো হয়, মশিউর নিজেকে আবরার গ্রুপের ক্রয় কর্মকর্তা (বায়ার) হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পণ্য কেনার চুক্তি করতেন। চুক্তি অনুযায়ী পণ্যের মূল্য বাবদ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ পরিশোধ করে বাকি টাকার চেক দিতেন।

কিন্তু ব্যাংকে গিয়ে ব্যবসায়ীরা সেই টাকা আর তুলতে পারতেন না। এভাবে প্রতারণা করে প্রায় ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। পরে ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা করেন। তার নামে ৯২টিরও বেশি মামলা রয়েছে।

মশিউরের গ্রেপ্তারের খবর জানতে পেরে বিভিন্ন জায়গা থেকে সিআইডি কার্যালয়ে শতাধিক ব্যবসায়ী ছুটে আসেন। দারা সবাই প্রতারণার শিকার। তারা জানান, ব্যবসায়ীরা টাকা চাইলে মশিউর তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিতেন। দেশের প্রভাবশালী লোকদের সঙ্গে পরিচয়ের কথা বলেও তিনি ভয় দেখাতেন।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের দেলোয়ার ফ্লাওয়ার্স মিলের মালিক দেলোয়ার হোসেনের অভিযোগের ভিত্তিতে মশিউরের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে সিআইডি। সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার জাকির হোসাইন ও সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জহিরুল হকের নেতৃত্বে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৫০ কোটি টাকা আত্মসাত

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুন ২০২১

এক, দুই হাজার বা লাখও নয়। কোটির ঘরে সীমাবদ্ধ থাকলেও স্বাভাবিক ঘটনার কাছাকাছি ভেবে নেওয়া যেতো। কিন্তু ৫০ কোটি? তাও আবার আত্মাসাত!

ঠিকই শুনেছেন।  ৪২ বছর বয়সের মশিউর রহমান খান ওরফে বাবু প্রতারণা করে ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন। মঙ্গলবার ঢাকার কাফরুল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।

তার বাড়ি মশিউর রহমানের গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়। তিনি মহাখালীর ডিওএইচএসের একটি বাড়িতে আবরার গ্রুপ নামে একটি কম্পানির অফিস খুলে নিজেকে কোম্পানির ক্রয় কর্মকর্তার পরিচয় দিতেন।

বুধবার সিআইডি সদর দপ্তরে জানানো হয়, মশিউর নিজেকে আবরার গ্রুপের ক্রয় কর্মকর্তা (বায়ার) হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পণ্য কেনার চুক্তি করতেন। চুক্তি অনুযায়ী পণ্যের মূল্য বাবদ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ পরিশোধ করে বাকি টাকার চেক দিতেন।

কিন্তু ব্যাংকে গিয়ে ব্যবসায়ীরা সেই টাকা আর তুলতে পারতেন না। এভাবে প্রতারণা করে প্রায় ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। পরে ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা করেন। তার নামে ৯২টিরও বেশি মামলা রয়েছে।

মশিউরের গ্রেপ্তারের খবর জানতে পেরে বিভিন্ন জায়গা থেকে সিআইডি কার্যালয়ে শতাধিক ব্যবসায়ী ছুটে আসেন। দারা সবাই প্রতারণার শিকার। তারা জানান, ব্যবসায়ীরা টাকা চাইলে মশিউর তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিতেন। দেশের প্রভাবশালী লোকদের সঙ্গে পরিচয়ের কথা বলেও তিনি ভয় দেখাতেন।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের দেলোয়ার ফ্লাওয়ার্স মিলের মালিক দেলোয়ার হোসেনের অভিযোগের ভিত্তিতে মশিউরের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে সিআইডি। সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার জাকির হোসাইন ও সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জহিরুল হকের নেতৃত্বে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।