ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: মৎস্যমন্ত্রী বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় ভারতকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর তাগিদ জাতিসংঘে জিয়া পরিবার বাংলাদেশের কণ্ঠস্বরের চার দশকের পথচলা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি   কিলোমিটার প্রতি বাসভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ, এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ট্রাক ভাড়া বেড়েছে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মেয়াদোত্তীর্ণ ২৭ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করলো চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১১:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ ২০২১ ৩২৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস রিপোর্ট, চট্টগ্রাম

আমদানিকৃত বিভিন্ন রকমের পণ্য ২৯৮টি কনটেইনার বন্দরে পড়েছিলো দীর্ঘদিন। অবশেষে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ২০০৯-২০ সাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ব্যবহার অযোগ্য, পচা, গলা, মেয়াদোত্তীর্ণ ২৯৮টি কনটেইনার পণ্য ধ্বংসের জন্য চিহ্নিত করে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। সোমবার তালিকাভুক্ত ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের ২৭টি কনটেইনারের পণ্য ধ্বংস করার মধ্যদিয়ে কর্মসূচি শুরু করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রামের উত্তর হালিশহরের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন রোডের চৌধুরী পাড়ার একটি নির্দিষ্ট জায়গায় এসব কনটেইনারের পণ্য ক্রেনের সাহায্যে বের করা হয়। এরপর খালি কনটেইনারগুলো সংশ্লিষ্ট শিপিং এজেন্টের প্রতিনিধিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কাস্টমসের নিলামকারী প্রতিষ্ঠান কেএম করপোরেশনের এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পণ্য ধ্বংস করতে কর্তৃপক্ষ গঠিত কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে কার্যক্রম শুরু করা হয়। প্রথম দিনে ১০-১২টি ক্রেন, স্কেভেটার, ট্রেইলার, ট্রাকসহ অর্ধশতাধিক শ্রমিক কাজে হাত লাগিয়েছে।

শিপিং এজেন্টের সূত্রের খবর, বিদেশ থেকে কনটেইনারে পণ্য আমদানির পর দেশের বাজারে দাম কমে গেলে কিংবা মামলাসহ নানা জটিলতার কারণে অনেক সময় আমদানিকারকরা বন্দর থেকে পণ্যের ডেলিভারি নেওয়া থেকে বিরত থাকেন। এ অবস্থায় বছরের পর বছর শিপিং এজেন্টের কনটেইনার আটকে থাকে। সব মিলিয়ে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হয় তাদের। বন্দরের কার্যক্রম গতিশীল আনতে এবং কনটেইনার জট সামাল দিতে বন্দর বা অফডকের জায়গা খালি করার প্রযোজন হয়।

কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, পণ্য ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালনায় ২১ মার্চ কাস্টম হাউসে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দিনক্ষণ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে ২৫ মার্চ ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালনা কমিটি থেকে জেলা প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন, সিএমপি, পরিবেশ অধিদফতর, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসকে চিঠি দেওয়া হয়। ১০ দিনে এবারের ধ্বংস কার্যক্রম সম্পন্নর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :