ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: মৎস্যমন্ত্রী বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় ভারতকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর তাগিদ জাতিসংঘে জিয়া পরিবার বাংলাদেশের কণ্ঠস্বরের চার দশকের পথচলা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি   কিলোমিটার প্রতি বাসভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ, এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ট্রাক ভাড়া বেড়েছে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নারী নির্যাতন বিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অপচেষ্টা করা হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২০ ৬৭৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভযেস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, নারী নির্যাতন বিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে কেউ কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অপচেষ্টা করছে।  যারা এমনটি করছেন, তাদের উদ্দেশ্য অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া নয়, ধর্ষণ ইস্যুর আড়ালে স্বার্থ চরিতার্থ করা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রকের সভাকক্ষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দীন আহমেদ কাউন্সিলের বার্ষিক প্রতিবেদন মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। এসময় বক্তব্য দিতে গিয়ে উপরোক্ত মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। এসময় প্রতিবেদন উপস্থাপন ও সম্পাদিত কার্যাবলীর জন্য প্রেস কাউন্সিলকে ধন্যবাদ জানান। প্রেস কাউন্সিলের বার্ষিক প্রতিবেদনটি তিনি প্রথানুযায়ী জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে গঠিত প্রেস কাউন্সিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বহুমাত্রিক ন্যায়ভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। প্রেস কাউন্সিল আইন যুগোপযোগী করার লক্ষ্যেও কাজ করছে সরকার।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে তথ্য মন্ত্রক গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বহু আগে থেকেই নানামুখী প্রচার চালিয়ে আসছে। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রকও এক্ষেত্রে বসে নেই। তারাও কাজ করছে। আজকের প্রেক্ষাপটে এ বিষয়ে প্রচার কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে ওটিটি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন প্লাটফর্মে যাতে দেশের আর্থসামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির পরিপন্থী কিছু আপলোড করা না হয়, সেজন্যও আমাদের মন্ত্রক থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের সবার সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইদানিংকালে যে সব অনাকাঙ্খিত ঘটনা বিশেষ করে নারী ও শিশু নির্যাতন ঘটছে,  সেই অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। তাদের বিরুদ্ধে ত্বরিত ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার করে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এসব বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ হচ্ছে।  সেটা স্বাভাবিক প্রতিবাদ হলে সরকারের পক্ষে ব্যবস্থা নেয়াও সহজ হয়। কিন্তু এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে সরকারের পদত্যাগ চাওয়া হয় কিংবা প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে মন্তব্য করা হয়। তখন বুঝে নিতে হবে এদের উদ্দেশ্য নির্যাতনকারীদের শাস্তি দেয়া নয়। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে এই ইস্যুর আড়ালে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করা এবং বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিতের অপচেষ্টা।

তথ্যসচিব কামরুন নাহার ও প্রেস কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল মজিদ, নূরে জান্নাত আকতার সীমা ও কাউন্সিল সচিব শাহ আলম এসময় উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :