ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

করোনাকে জৈব অস্ত্র বানানোর ছক ২০১৫ সালে! চীনা নথি নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১ ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সার্স করোনাভাইরাসকে ‘জৈব’ অস্ত্ররূপে গড়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বছর পাঁচেক আগেই হয়েছিল। ফাঁস হওয়া একটি চীনা নথিতে মিলেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেই নথিই হাতে আসে সাপ্তাহিক সংবাদ পত্রিকা ‘উইকেন্ড অস্ট্রেলিয়া’-র।

নথির তথ্য তুলে ধরে তাদের বক্তব্য, মহামারীর আগে ২০১৫ সালেই গোটা পরিকল্পনা করে ফেলেছিলেন চীনের সামরিক বিজ্ঞানীরা। সার্স করোনাভাইরাস আদতে এক নতুন ধরনের ‘জেনেটিক অস্ত্র’, যাকে কৃত্রিম প্রক্রিয়ায় মারণ ভাইরাসে রূপান্তরিত করা সম্ভব।

ফাঁস হওয়া চীনা নথি ভুয়া কি না, তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রবার্ট পটারকে। তিনি জানান, “ওই চীনা নথি একেবারেই ভুয়া নয়। কিন্তু এতে যা লেখা রয়েছে, তা গবেষকদেরই বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে, বিষয়টি কতটা গুরুতর।”

‘উইকেন্ড অস্ট্রেলিয়া’ জানাচ্ছে, ওই চীনা নথির নাম ‘দ্য আনন্যাচারাল অরিজিন অব সার্স অ্যান্ড নিউ স্পিসিস অব ম্যান-মেড ভাইরাসেস অ্যাজ জেনেটিক বায়োওয়েপন’। সেখানে চীনা গবেষকদের অনুমান, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে লড়াই হবে ‘জৈব অস্ত্র’ দিয়ে। আর সেই কারণেই সার্স করোনাভাইরাসকে মারণ ভাইরাস হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছিল চীন।

এ বিষয়ে ‘দ্য অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউট’-এর এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর পিটার জেনিংস বলেন, “নথি থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, করোনাভাইরাসের বিভিন্ন প্রজাতিকে কীভাবে অস্ত্র হিসেবে কাজে লাগানো যায়, সে ব্যাপারেই গবেষণা করছিলেন চীনা গবেষকরা।”

তার বক্তব্য, করোনাভাইরাসের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণায় এই কারণেই বিশেষ উৎসাহ দেখায়নি চীন। তার কথায়, “এই ভাইরাস যদি বাজার থেকে ছড়াত, সে ক্ষেত্রে চীনও এই ভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে আগ্রহী হতো।” সূত্র: এনডিটিভি

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনাকে জৈব অস্ত্র বানানোর ছক ২০১৫ সালে! চীনা নথি নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

আপডেট সময় : ১০:৫৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১

সার্স করোনাভাইরাসকে ‘জৈব’ অস্ত্ররূপে গড়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বছর পাঁচেক আগেই হয়েছিল। ফাঁস হওয়া একটি চীনা নথিতে মিলেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেই নথিই হাতে আসে সাপ্তাহিক সংবাদ পত্রিকা ‘উইকেন্ড অস্ট্রেলিয়া’-র।

নথির তথ্য তুলে ধরে তাদের বক্তব্য, মহামারীর আগে ২০১৫ সালেই গোটা পরিকল্পনা করে ফেলেছিলেন চীনের সামরিক বিজ্ঞানীরা। সার্স করোনাভাইরাস আদতে এক নতুন ধরনের ‘জেনেটিক অস্ত্র’, যাকে কৃত্রিম প্রক্রিয়ায় মারণ ভাইরাসে রূপান্তরিত করা সম্ভব।

ফাঁস হওয়া চীনা নথি ভুয়া কি না, তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রবার্ট পটারকে। তিনি জানান, “ওই চীনা নথি একেবারেই ভুয়া নয়। কিন্তু এতে যা লেখা রয়েছে, তা গবেষকদেরই বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে, বিষয়টি কতটা গুরুতর।”

‘উইকেন্ড অস্ট্রেলিয়া’ জানাচ্ছে, ওই চীনা নথির নাম ‘দ্য আনন্যাচারাল অরিজিন অব সার্স অ্যান্ড নিউ স্পিসিস অব ম্যান-মেড ভাইরাসেস অ্যাজ জেনেটিক বায়োওয়েপন’। সেখানে চীনা গবেষকদের অনুমান, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে লড়াই হবে ‘জৈব অস্ত্র’ দিয়ে। আর সেই কারণেই সার্স করোনাভাইরাসকে মারণ ভাইরাস হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছিল চীন।

এ বিষয়ে ‘দ্য অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউট’-এর এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর পিটার জেনিংস বলেন, “নথি থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, করোনাভাইরাসের বিভিন্ন প্রজাতিকে কীভাবে অস্ত্র হিসেবে কাজে লাগানো যায়, সে ব্যাপারেই গবেষণা করছিলেন চীনা গবেষকরা।”

তার বক্তব্য, করোনাভাইরাসের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণায় এই কারণেই বিশেষ উৎসাহ দেখায়নি চীন। তার কথায়, “এই ভাইরাস যদি বাজার থেকে ছড়াত, সে ক্ষেত্রে চীনও এই ভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে আগ্রহী হতো।” সূত্র: এনডিটিভি