ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: মৎস্যমন্ত্রী বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় ভারতকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর তাগিদ জাতিসংঘে জিয়া পরিবার বাংলাদেশের কণ্ঠস্বরের চার দশকের পথচলা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি   কিলোমিটার প্রতি বাসভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ, এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ট্রাক ভাড়া বেড়েছে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কুয়াকাটায় প্রাইভেট ফ্লাইটে আগ্রহী হলে অবকাঠামো সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৪০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুয়াকাটায় সম্ভাব্য বিমানবন্দর ও প্রাইভেট ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে সরকারের সাম্প্রতিক অবস্থান অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও বিনিয়োগ-সুযোগের একটি ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র তুলে ধরে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর স্থাপনের বিষয়টি সরাসরি অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতার সঙ্গে যুক্ত।

সরকারি বিনিয়োগে বিমানবন্দর নির্মাণের ক্ষেত্রে লোকসানের ঝুঁকি থাকলে তা শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকেই সরকার সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

তবে একই সঙ্গে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। কোনো প্রাইভেট কোম্পানি যদি কুয়াকাটায় ফ্লাইট পরিচালনায় আগ্রহী হয়, তাহলে সরকার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সহায়তা করতে প্রস্তুত।

এতে সরকারি অর্থের ঝুঁকি কমবে এবং উদ্যোক্তারা বাজারভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই ও সম্ভাব্যতা বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

কুয়াকাটা ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যেখানে পায়রা বন্দর, নৌঘাঁটি ও ক্যান্টনমেন্টের মতো কৌশলগত স্থাপনাও রয়েছে।

একটি বিমানবন্দর চালু হলে পর্যটন খাতের বিকাশ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক অর্থনীতির সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত হতে পারে।

তবে চাহিদা, যাত্রীসংখ্যা ও পরিচালন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।

সার্বিকভাবে, সরকার কুয়াকাটার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আগ্রহী হলেও অর্থনৈতিক ঝুঁকি এড়িয়ে বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উন্নয়ন এগিয়ে নিতে চায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :