ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: মৎস্যমন্ত্রী বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় ভারতকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর তাগিদ জাতিসংঘে জিয়া পরিবার বাংলাদেশের কণ্ঠস্বরের চার দশকের পথচলা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি   কিলোমিটার প্রতি বাসভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ, এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ট্রাক ভাড়া বেড়েছে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু, ১৯ জনের মৃত্যু

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৫২৩ বার পড়া হয়েছে

বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনে ঢুকে পড়ার পর নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে তাদের তীব্র সংঘর্ষ হয়। ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোমবার ফের উত্তাল হয়ে উঠে হিমালয়ের দেশ নেপাল। রাজধানী কাঠমাণ্ডুর রাজপথের দখল কার্যত বিক্ষোভকারীদের হাতে চলে যায়। তাদের সিংহভাগ যুব। গায়ের জোরে পুলিশ আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করলে দুই তরফে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের গুলিতে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৯ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত শতাধিক।

নেপালের কাঠমান্ডুতে দুর্নীতি এবং সরকারের বেশ কয়েকটি মিডিয়া অ্যাপের উপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জেন-জির বিক্ষোভের সময় সহিংসতায় কমপক্ষে ১৯ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে এক ১২ বছরের কিশোরও রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু
সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু

এর আগে রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে গেলো এপ্রিলে উত্তাল হয়ে উঠেছিল নেপাল। সেসময় কড়া হাতে আন্দোলন দমন করে কোনওরকমে গদি সামলেছিল প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলি। এর ঠিক পাঁচ মাসের মাথায় ফের চ্যালেঞ্জের মুখে তার সরকার। এবার ইস্যু দুর্নীতি।

গত বুধবার রাত থেকে কার্যকর হয়েছে এই নির্দেশিকা। যার ফলে নেপালে অকেজো হয়ে পড়েছে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রামে, ইউটিউবসহ ২৬টি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। ওলি সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ফুঁসছে সেদেশের যুব সমাজ।

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু
সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু

তাদের বক্তব্য, পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি গোপন করার জন্য সরকার সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করছে। যে কারণে কোপ এসে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার উপরে। এর প্রতিবাদে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) কয়েক হাজার যুবক কাঠমাণ্ডুতে বিক্ষোভ দেখাতে জড়ো হয়। আর এই আন্দোলন ঘিরে রণক্ষেত্রের আকার নেয় গোটা এলাকা।

বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার পর, নতুন বানেশ্বরে ব্যারিকেড টপকে সংসদ ভবনে প্রবেশ করেন এবং এরপর বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠে। নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস এবং জলকামান ব্যবহার করে পাল্টা জবাব দেয়।

বিক্ষোভের সময় লাল এবং নীল জাতীয় পতাকা উড়িয়ে স্লোগান দেন প্রতিবাদকারীরা। তারা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করো, সোশ্যাল মিডিয়া নয়, দুর্নীতি বন্ধ করো।

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু
সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু

জেনারেশন জেড-এর প্রতিবাদ হিসেবে উল্লেখ করা প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, সোমবার কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে আসেন বিক্ষোভকারীরা। এক্স, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবসহ ২৬টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ এবং সাইট নিষিদ্ধ করার সরকারি আদেশের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা যায় তাদের।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা গাছের ডাল এবং জলের বোতল ছুঁড়ে মারলে এবং সরকার বিরোধী স্লোগান দেয়ার পর পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস এবং রাবার বুলেট ব্যবহার করে পাল্টা জবাব দেয়। কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদন অনুসারে, কয়েকজন বিক্ষোভকারী এমনকি সংসদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করে তোলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু, ১৯ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৮:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সোমবার ফের উত্তাল হয়ে উঠে হিমালয়ের দেশ নেপাল। রাজধানী কাঠমাণ্ডুর রাজপথের দখল কার্যত বিক্ষোভকারীদের হাতে চলে যায়। তাদের সিংহভাগ যুব। গায়ের জোরে পুলিশ আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করলে দুই তরফে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের গুলিতে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৯ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত শতাধিক।

নেপালের কাঠমান্ডুতে দুর্নীতি এবং সরকারের বেশ কয়েকটি মিডিয়া অ্যাপের উপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জেন-জির বিক্ষোভের সময় সহিংসতায় কমপক্ষে ১৯ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে এক ১২ বছরের কিশোরও রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু
সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু

এর আগে রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে গেলো এপ্রিলে উত্তাল হয়ে উঠেছিল নেপাল। সেসময় কড়া হাতে আন্দোলন দমন করে কোনওরকমে গদি সামলেছিল প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলি। এর ঠিক পাঁচ মাসের মাথায় ফের চ্যালেঞ্জের মুখে তার সরকার। এবার ইস্যু দুর্নীতি।

গত বুধবার রাত থেকে কার্যকর হয়েছে এই নির্দেশিকা। যার ফলে নেপালে অকেজো হয়ে পড়েছে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রামে, ইউটিউবসহ ২৬টি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। ওলি সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ফুঁসছে সেদেশের যুব সমাজ।

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু
সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু

তাদের বক্তব্য, পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি গোপন করার জন্য সরকার সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করছে। যে কারণে কোপ এসে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার উপরে। এর প্রতিবাদে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) কয়েক হাজার যুবক কাঠমাণ্ডুতে বিক্ষোভ দেখাতে জড়ো হয়। আর এই আন্দোলন ঘিরে রণক্ষেত্রের আকার নেয় গোটা এলাকা।

বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার পর, নতুন বানেশ্বরে ব্যারিকেড টপকে সংসদ ভবনে প্রবেশ করেন এবং এরপর বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠে। নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস এবং জলকামান ব্যবহার করে পাল্টা জবাব দেয়।

বিক্ষোভের সময় লাল এবং নীল জাতীয় পতাকা উড়িয়ে স্লোগান দেন প্রতিবাদকারীরা। তারা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করো, সোশ্যাল মিডিয়া নয়, দুর্নীতি বন্ধ করো।

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু
সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কাঠমাণ্ডু

জেনারেশন জেড-এর প্রতিবাদ হিসেবে উল্লেখ করা প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, সোমবার কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে আসেন বিক্ষোভকারীরা। এক্স, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবসহ ২৬টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ এবং সাইট নিষিদ্ধ করার সরকারি আদেশের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা যায় তাদের।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা গাছের ডাল এবং জলের বোতল ছুঁড়ে মারলে এবং সরকার বিরোধী স্লোগান দেয়ার পর পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস এবং রাবার বুলেট ব্যবহার করে পাল্টা জবাব দেয়। কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদন অনুসারে, কয়েকজন বিক্ষোভকারী এমনকি সংসদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করে তোলে।