রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুবার্ষিকীতে ভারতীয় হাইকমিশনের ‘ইতি রবিস্মরণে’
- আপডেট সময় : ১১:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ৬৮ বার পড়া হয়েছে
শ্রাবণের আকাশে মেঘের আনাগোনা, বাতাসে বিষণ্নতার নরম পরশ। এমনই এক আবহে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তাঁর ৮৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফিরে দেখা হলো বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির এই অনন্য মহীরুহকে।
রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণদিবস ২২ শ্রাবণ, ইংরেজি ৭ আগস্ট। দিনটি বাঙালির কাছে কেবল শোকের নয়, বরং তাঁর সৃষ্টির অনন্ত আলোয় নিজেদের নতুন করে আবিষ্কারেরও দিন। তাঁর কবিতার পঙ্ক্তি, গানের সুর আর মানবতাবাদী দর্শন আজও সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে মানুষের হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে সৌন্দর্য, প্রেম ও অসাম্প্রদায়িকতার বোধ।
এই আবহেই ঢাকার গুলশানে অবস্থিত ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে ভারতীয় হাইকমিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সংগীত ও কবিতা সন্ধ্যা ‘ইতি রবিস্মরণে’। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী স্বপ্নীল সজীব ও সামিউল ইসলাম পুলক তাঁদের কণ্ঠ ও শিল্পসুষমায় রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকে নতুন করে শ্রোতাদের হৃদয়ে পৌঁছে দেন। সংগীতের মূর্ছনা ও কবিতার আবৃত্তিতে যেন এক মুহূর্তের জন্য মিলেমিশে যায় অতীত ও বর্তমান, কবির শব্দ আর শ্রোতার অনুভব।
ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, ‘ইতি রবিস্মরণে’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরন্তন সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক পরম্পরাকে উদ্যাপন করা হয়েছে। যে পরম্পরা কোনো ভৌগোলিক সীমারেখায় আবদ্ধ নয়; বরং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে, হৃদয় থেকে হৃদয়ে বয়ে চলেছে অবিরাম।
এদিকে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, সংগীতানুষ্ঠান ও কবিতা আবৃত্তি। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে তার প্রিয় কবিকে।
রবীন্দ্রনাথ তাই মৃত্যুর ৮৫ বছর পরও অনুপস্থিত নন। তিনি আছেন বাংলার গান, কবিতা, প্রকৃতি ও মানুষের অনুভবে নিঃশব্দে, অথচ চিরজাগরূক এক আলোর মতো।




















