ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে  আমদানির বিদ্যুৎ গিলছে অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশা জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক যুদ্ধবিমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুবার্ষিকীতে ভারতীয় হাইকমিশনের ‘ইতি রবিস্মরণে’

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুবার্ষিকীতে ভারতীয় হাইকমিশনের ‘ইতি রবিস্মরণে’

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শ্রাবণের আকাশে মেঘের আনাগোনা, বাতাসে বিষণ্নতার নরম পরশ। এমনই এক আবহে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তাঁর ৮৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফিরে দেখা হলো বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির এই অনন্য মহীরুহকে।

রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণদিবস ২২ শ্রাবণ, ইংরেজি ৭ আগস্ট। দিনটি বাঙালির কাছে কেবল শোকের নয়, বরং তাঁর সৃষ্টির অনন্ত আলোয় নিজেদের নতুন করে আবিষ্কারেরও দিন। তাঁর কবিতার পঙ্‌ক্তি, গানের সুর আর মানবতাবাদী দর্শন আজও সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে মানুষের হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে সৌন্দর্য, প্রেম ও অসাম্প্রদায়িকতার বোধ।

এই আবহেই ঢাকার গুলশানে অবস্থিত ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে ভারতীয় হাইকমিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সংগীত ও কবিতা সন্ধ্যা ‘ইতি রবিস্মরণে’। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী স্বপ্নীল সজীব ও সামিউল ইসলাম পুলক তাঁদের কণ্ঠ ও শিল্পসুষমায় রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকে নতুন করে শ্রোতাদের হৃদয়ে পৌঁছে দেন। সংগীতের মূর্ছনা ও কবিতার আবৃত্তিতে যেন এক মুহূর্তের জন্য মিলেমিশে যায় অতীত ও বর্তমান, কবির শব্দ আর শ্রোতার অনুভব।

ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, ‘ইতি রবিস্মরণে’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরন্তন সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক পরম্পরাকে উদ্‌যাপন করা হয়েছে। যে পরম্পরা কোনো ভৌগোলিক সীমারেখায় আবদ্ধ নয়; বরং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে, হৃদয় থেকে হৃদয়ে বয়ে চলেছে অবিরাম।

এদিকে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, সংগীতানুষ্ঠান ও কবিতা আবৃত্তি। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে তার প্রিয় কবিকে।

রবীন্দ্রনাথ তাই মৃত্যুর ৮৫ বছর পরও অনুপস্থিত নন। তিনি আছেন বাংলার গান, কবিতা, প্রকৃতি ও মানুষের অনুভবে নিঃশব্দে, অথচ চিরজাগরূক এক আলোর মতো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুবার্ষিকীতে ভারতীয় হাইকমিশনের ‘ইতি রবিস্মরণে’

আপডেট সময় : ১১:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

শ্রাবণের আকাশে মেঘের আনাগোনা, বাতাসে বিষণ্নতার নরম পরশ। এমনই এক আবহে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তাঁর ৮৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফিরে দেখা হলো বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির এই অনন্য মহীরুহকে।

রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণদিবস ২২ শ্রাবণ, ইংরেজি ৭ আগস্ট। দিনটি বাঙালির কাছে কেবল শোকের নয়, বরং তাঁর সৃষ্টির অনন্ত আলোয় নিজেদের নতুন করে আবিষ্কারেরও দিন। তাঁর কবিতার পঙ্‌ক্তি, গানের সুর আর মানবতাবাদী দর্শন আজও সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে মানুষের হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে সৌন্দর্য, প্রেম ও অসাম্প্রদায়িকতার বোধ।

এই আবহেই ঢাকার গুলশানে অবস্থিত ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে ভারতীয় হাইকমিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সংগীত ও কবিতা সন্ধ্যা ‘ইতি রবিস্মরণে’। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী স্বপ্নীল সজীব ও সামিউল ইসলাম পুলক তাঁদের কণ্ঠ ও শিল্পসুষমায় রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকে নতুন করে শ্রোতাদের হৃদয়ে পৌঁছে দেন। সংগীতের মূর্ছনা ও কবিতার আবৃত্তিতে যেন এক মুহূর্তের জন্য মিলেমিশে যায় অতীত ও বর্তমান, কবির শব্দ আর শ্রোতার অনুভব।

ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, ‘ইতি রবিস্মরণে’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরন্তন সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক পরম্পরাকে উদ্‌যাপন করা হয়েছে। যে পরম্পরা কোনো ভৌগোলিক সীমারেখায় আবদ্ধ নয়; বরং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে, হৃদয় থেকে হৃদয়ে বয়ে চলেছে অবিরাম।

এদিকে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, সংগীতানুষ্ঠান ও কবিতা আবৃত্তি। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে তার প্রিয় কবিকে।

রবীন্দ্রনাথ তাই মৃত্যুর ৮৫ বছর পরও অনুপস্থিত নন। তিনি আছেন বাংলার গান, কবিতা, প্রকৃতি ও মানুষের অনুভবে নিঃশব্দে, অথচ চিরজাগরূক এক আলোর মতো।