ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে চালু হচ্ছে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০ ৪৬৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা

২০২১ সালে বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে চালু হতে যাচ্ছে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ। এটি এখন চালুর অপেক্ষায়। সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পঞ্চম রেলসংযোগের কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। এই রেলপথটি চালু হলে শিয়ালদা থেকে ভারতের উত্তারাঞ্চের পথে ট্রেন ছেড়ে বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে এবং চিলাহাটি দিয়ে হলদিবাড়ি হয়ে গন্তব্যে পৌছাবে। তাতে করে অন্তত ২০০ কিলোমিটার পথ কমবে। এই রেলপথ চালুর মধ্য দিয়ে বাণিজ্যের দুয়ার খুলে যাবে। বুধবার বাংলাদেশের রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে সাক্ষাতে আসেন ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। বৈঠককালে ভারতের অর্থায়নে বাংলাদেশ রেলওয়েতে চলমান প্রকল্প সহ উভয় দেশের রেল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিলো ‘চিলাহাটি-হলদিবাড়ি’ নতুন লাইন উদ্বোধন ও ট্রেন চলাচলের বিষয়টি।
রেলভবনে বৈঠককালে সাক্ষাৎকালে রেলপথ মন্ত্রী ডিসেম্বরে বিজয় দিবস উপলক্ষে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী নতুন আন্তঃদেশীয় যোগাযোগ উদ্বোধন করবেন এবং শুরুতে পণ্যবাহী ট্রেন চলবে। এছাড়া আগামী বছরের ২৬ শে মার্চ উপলক্ষে ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত একটি যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। রেলপথ মন্ত্রী আরও বলেছেন বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর কাজ আগামী মাসে শুরু হবে। এই সেতুটি নির্মিত হলে দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পাশাপাশি মিটারগেজ লাইনকে পর্যায়ক্রমে ডুয়েল গেজে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।
রেলওয়েতে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ। এই প্রকল্পটি চালু হবার পর ভারতে যাতায়তকারী ট্রেন যশোরের বেনাপোল থেকে সহজেই স্বল্প সময়ে পণ্য ও যাত্রী ঢাকায় পরিবহন করতে পারবে। অপর দিকে সিরাজগঞ্জে একটি কন্টেইনার টার্মিনাল ডিপো নির্মাণ বিষয়েও আলোচনা হয়। এটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে পণ্য পরিবহন খুব সহজ হবে। সৈয়দপুর একটি নতুন কোচ তৈরীর কারখানা নির্মাণ সম্পর্কেও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।


রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ভারতের আদলে বাংলাদেশ রেলওয়েতে কনসালটেন্সি বিষয়ে একটি বিভাগ চালু করা হবে। ভারতীয় হাইকমিশনার এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়েতে ক্যাটারিং সার্ভিস এবং ট্রেনিং একাডেমি উন্নয়নের তাঁর আগ্রহের কথা জানান। রেলপথ মন্ত্রী বাংলাদেশের রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভারতে ট্রেনিং করার বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করেন। সাক্ষাৎকালে রেলপথ মন্ত্রকের সচিব মো সেলিম রেজা এবং মহাপরিচালক মোঃ শামসুজ্জামানসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে চালু হচ্ছে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা

২০২১ সালে বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে চালু হতে যাচ্ছে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ। এটি এখন চালুর অপেক্ষায়। সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পঞ্চম রেলসংযোগের কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। এই রেলপথটি চালু হলে শিয়ালদা থেকে ভারতের উত্তারাঞ্চের পথে ট্রেন ছেড়ে বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে এবং চিলাহাটি দিয়ে হলদিবাড়ি হয়ে গন্তব্যে পৌছাবে। তাতে করে অন্তত ২০০ কিলোমিটার পথ কমবে। এই রেলপথ চালুর মধ্য দিয়ে বাণিজ্যের দুয়ার খুলে যাবে। বুধবার বাংলাদেশের রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে সাক্ষাতে আসেন ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। বৈঠককালে ভারতের অর্থায়নে বাংলাদেশ রেলওয়েতে চলমান প্রকল্প সহ উভয় দেশের রেল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিলো ‘চিলাহাটি-হলদিবাড়ি’ নতুন লাইন উদ্বোধন ও ট্রেন চলাচলের বিষয়টি।
রেলভবনে বৈঠককালে সাক্ষাৎকালে রেলপথ মন্ত্রী ডিসেম্বরে বিজয় দিবস উপলক্ষে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী নতুন আন্তঃদেশীয় যোগাযোগ উদ্বোধন করবেন এবং শুরুতে পণ্যবাহী ট্রেন চলবে। এছাড়া আগামী বছরের ২৬ শে মার্চ উপলক্ষে ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত একটি যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। রেলপথ মন্ত্রী আরও বলেছেন বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর কাজ আগামী মাসে শুরু হবে। এই সেতুটি নির্মিত হলে দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পাশাপাশি মিটারগেজ লাইনকে পর্যায়ক্রমে ডুয়েল গেজে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।
রেলওয়েতে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ। এই প্রকল্পটি চালু হবার পর ভারতে যাতায়তকারী ট্রেন যশোরের বেনাপোল থেকে সহজেই স্বল্প সময়ে পণ্য ও যাত্রী ঢাকায় পরিবহন করতে পারবে। অপর দিকে সিরাজগঞ্জে একটি কন্টেইনার টার্মিনাল ডিপো নির্মাণ বিষয়েও আলোচনা হয়। এটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে পণ্য পরিবহন খুব সহজ হবে। সৈয়দপুর একটি নতুন কোচ তৈরীর কারখানা নির্মাণ সম্পর্কেও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।


রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ভারতের আদলে বাংলাদেশ রেলওয়েতে কনসালটেন্সি বিষয়ে একটি বিভাগ চালু করা হবে। ভারতীয় হাইকমিশনার এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়েতে ক্যাটারিং সার্ভিস এবং ট্রেনিং একাডেমি উন্নয়নের তাঁর আগ্রহের কথা জানান। রেলপথ মন্ত্রী বাংলাদেশের রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভারতে ট্রেনিং করার বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করেন। সাক্ষাৎকালে রেলপথ মন্ত্রকের সচিব মো সেলিম রেজা এবং মহাপরিচালক মোঃ শামসুজ্জামানসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।