ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক বছরে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা কক্মাসবাজার তারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৬২.২৫ শতাংশ নদী মরছে, বিপন্ন হচ্ছে নগরসভ্যতা থেমে গেছে প্রতিদিনের হাঁটা ১১ পলিথিনে খন্ডিত মরদেহ মেলেনি মাথা-পা বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত প্রধানমন্ত্রীর উপহার সিএনজি-রিকশা পেলেন জুলাইযোদ্ধারা

বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ১০৬ বার পড়া হয়েছে

চীন সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীরা:ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মালয়েশিয়া-চীন সফরে কূটনৈতিক সাফল্য চুক্তি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে নতুন দিগন্ত

চার দিনের সরকারি সফর শেষে চীন থেকে দেশের পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

একই সফরসূচিতে প্রথমে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর করে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের এই ধারাবাহিক সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও জনশক্তি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে একাধিক সমঝোতা ও সহযোগিতার বিষয়ে অগ্রগতি হয়।

অন্যদিকে চীন সফরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংসহ দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়। সফরের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এসব এমওইউর আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে তিস্তা প্রকল্পসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন উদ্যোগে চীনের সহযোগিতা নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

দুই দেশের সফর শেষে সরকারের প্রত্যাশা, নতুন চুক্তি ও সমঝোতাগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

একই সঙ্গে এ সফর বাংলাদেশের বহুমাত্রিক কূটনীতি এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

মালয়েশিয়া-চীন সফরে কূটনৈতিক সাফল্য চুক্তি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে নতুন দিগন্ত

চার দিনের সরকারি সফর শেষে চীন থেকে দেশের পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

একই সফরসূচিতে প্রথমে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর করে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের এই ধারাবাহিক সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও জনশক্তি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে একাধিক সমঝোতা ও সহযোগিতার বিষয়ে অগ্রগতি হয়।

অন্যদিকে চীন সফরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংসহ দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়। সফরের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এসব এমওইউর আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে তিস্তা প্রকল্পসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন উদ্যোগে চীনের সহযোগিতা নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

দুই দেশের সফর শেষে সরকারের প্রত্যাশা, নতুন চুক্তি ও সমঝোতাগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

একই সঙ্গে এ সফর বাংলাদেশের বহুমাত্রিক কূটনীতি এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।