ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারের ভাতা বরাদ্দ এই বাজেটেই প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের হামে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, বাড়ছে উদ্বেগ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের: মাহদী আমিন বাংলা কিউআর চালু হলে বদলে যাবে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপে চাপা শত শত প্রাণ, উদ্ধার ২৩৫ মরদেহ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক তিয়েনআনমেন চীনের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর চীনের সঙ্গে গভীরতর শিল্প অংশীদারত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

চীন সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীরা:ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মালয়েশিয়া-চীন সফরে কূটনৈতিক সাফল্য চুক্তি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে নতুন দিগন্ত

চার দিনের সরকারি সফর শেষে চীন থেকে দেশের পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

একই সফরসূচিতে প্রথমে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর করে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের এই ধারাবাহিক সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও জনশক্তি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে একাধিক সমঝোতা ও সহযোগিতার বিষয়ে অগ্রগতি হয়।

অন্যদিকে চীন সফরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংসহ দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়। সফরের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এসব এমওইউর আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে তিস্তা প্রকল্পসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন উদ্যোগে চীনের সহযোগিতা নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

দুই দেশের সফর শেষে সরকারের প্রত্যাশা, নতুন চুক্তি ও সমঝোতাগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

একই সঙ্গে এ সফর বাংলাদেশের বহুমাত্রিক কূটনীতি এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

মালয়েশিয়া-চীন সফরে কূটনৈতিক সাফল্য চুক্তি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে নতুন দিগন্ত

চার দিনের সরকারি সফর শেষে চীন থেকে দেশের পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

একই সফরসূচিতে প্রথমে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর করে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের এই ধারাবাহিক সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও জনশক্তি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে একাধিক সমঝোতা ও সহযোগিতার বিষয়ে অগ্রগতি হয়।

অন্যদিকে চীন সফরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংসহ দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়। সফরের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এসব এমওইউর আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে তিস্তা প্রকল্পসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন উদ্যোগে চীনের সহযোগিতা নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

দুই দেশের সফর শেষে সরকারের প্রত্যাশা, নতুন চুক্তি ও সমঝোতাগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

একই সঙ্গে এ সফর বাংলাদেশের বহুমাত্রিক কূটনীতি এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।