ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৭:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফেরার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, জাতিসংঘের সভাপতি পদে বিজয়ী হয়ে ছুটি নেব কি না? এনিয়ে এত ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই!
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই বিজয় বাংলাদেশের বিজয়। এই বিজয় প্রধানমন্ত্রীর। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।
তিনি যদি এই সিদ্ধান্ত না নিতেন এবং দৃঢ়ভাবে, অবিচলভাবে ও বিরোধহীনভাবে আমাদের সমর্থন না করতেন, তাহলে ১০ বছরের এই পথ ১০ সপ্তাহে আমরা অতিক্রম করতে পারতাম না।
আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তা এবং বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত ব্যক্তিরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন।
আমাদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা-আমরা যে টিম স্পিরিট নিয়ে কাজ করেছি, এই বিজয়ের পেছনে তার অবদান ছিল বিপুল। এই বিজয় আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কাছে উৎসর্গ করছি।
এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, তিনি এখন ছুটিতে যাবেন কি না।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাকরি ছাড়ব কি না, এটাই তো? না না, ছুটি নেব কি না? ভাই, এত ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই! এর নজির আছে। আজ থেকে ৪০ বছর আগে হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী সাহেব, আমাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
আমি তাঁর একান্ত সচিব ছিলাম এবং তাঁর সঙ্গে কাজ করেছি। তিনি দুই পদেই পূর্ণকালীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন। তখন ছিল ইন্টারনেট-পূর্ব যুগ। কিন্তু এখন নিরবচ্ছিন্নভাবে দুটি দায়িত্বই একসঙ্গে পালন করা সম্ভব। এটা এখন খুবই স্বাভাবিক।
এ সময় আরেক সাংবাদিক বলেন, আমরা চাই আপনি দুটি পদেই থাকুন।
এর জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টি আমি আগেও পরিষ্কার করেছি। অনেকেই বলেছেন, বর্তমানে যিনি আছেন- জার্মানির প্রতিনিধি, তিনি তো পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু ওই পদ ছেড়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আসলে বিষয়টি হলো, তিনি গ্রিন পার্টির নেতা ছিলেন। তাঁর দল নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তিনি আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারেননি।
উল্লেখ্য, ২ জুন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হন। জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি সাইপ্রাসের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন।









