ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বর্ণের বাহক বিমানকর্মী, নেপথ্যে কারা? ডেঙ্গুর থাবা মৃত্যু ২ একদিনে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৯৮৮ রবি-বোরো মৌসুমের আগে নন-ইউরিয়া সার আমদানিতে জোর শিক্ষক দিবসে ফিদেলের আয়নায় নিজের মুখ বিরোধীদলকে রিজভী গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট কর্মসূচির পাশাপাশি বিকল্প পরিকল্পনা দিন অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী গত তিন বছরে চার শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে আইডিবির ১ বিলিয়ন ডলারের  চুক্তি সই ২০২৭ সালেও দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা দ্বীনের ময়দানে বিভাজনের ছায়া সংঘাত ঠেকানোই বড় চ্যালেঞ্জ

পরিবহন মালিকদের ৪ দফা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১ ২৭০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় লকডাউনে গণপরিবহন খাতের বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে। করোনা সংক্রমণের  চেয়ে বড় ঋণের বোঝা পরিবহন মালিকদের।  অনেক পরিবহন মালিক দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় গণপরিবহন খাতের জন্য চার দফা দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  রাজধানীর গাবতলীর বাগবাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ। ঈদ সামনে রেখে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত গণপরিবহন চালুর দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিদিন কমপক্ষে ২ কোটি যাত্রী গণপরিবহনে সড়কপথে যাতায়াত করে থাকেন। করোনা সংক্রমণ রোধে গত ৫ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফায় লকডাউনে মালিক-শ্রমিক, কর্মচারীদের পরিবার-পরিজন নিয়ে এক মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পরিবহন পরিচালনার সংশ্লিষ্ট ব্যয় চলমান রয়েছে জানিয়ে রমেশ চন্দ্র ঘোষ  গণপরিবহন খাতের জন্য চার দফা দাবি উত্থাপন করেন।

১. কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত গণপরিবহন মালিকদের গাড়ি মেরামত এবং কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারীদের বেতন, ঈদ-বোনাস পুনর্বাসনের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনার আবেদন।

২. গণপরিবহন ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগ বিপরীতে সমস্ত ঋণ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠন ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সুদ মওকুফসহ কিস্তি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত করতে হবে এবং লোন অ্যাকাউন্ট ৩০ জুন পর্যন্ত ক্লাসিফায়েড না করার আবেদন।

৩. গণপরিবহন মালিকদের এক শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে সকল ক্লাসিফায়েড লোন হালনাগাদ করার সুযোগ অব্যাহত রাখতে হবে।

৪. কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবে-২০২১ সালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী বহনের সিদ্ধন্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে পুনরায় এই দুর্যোগে সময়ময় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন পরিচালনা করার সুযোগ।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার জনসমাগম এড়াতে প্রথমে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে এ নিষেধাজ্ঞা আরওি বাড়িয়ে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। তবে সে সময় সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্পকারখানা, গণপরিবহন চালু ছিল।

এরপর সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনে যায়, যাতে বন্ধ ছিল গণপরিবহন এবং দোকানপাট। সরকারের সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৫ মে পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ থাকছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পরিবহন মালিকদের ৪ দফা

আপডেট সময় : ০৫:২২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় লকডাউনে গণপরিবহন খাতের বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে। করোনা সংক্রমণের  চেয়ে বড় ঋণের বোঝা পরিবহন মালিকদের।  অনেক পরিবহন মালিক দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় গণপরিবহন খাতের জন্য চার দফা দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  রাজধানীর গাবতলীর বাগবাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ। ঈদ সামনে রেখে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত গণপরিবহন চালুর দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিদিন কমপক্ষে ২ কোটি যাত্রী গণপরিবহনে সড়কপথে যাতায়াত করে থাকেন। করোনা সংক্রমণ রোধে গত ৫ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফায় লকডাউনে মালিক-শ্রমিক, কর্মচারীদের পরিবার-পরিজন নিয়ে এক মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পরিবহন পরিচালনার সংশ্লিষ্ট ব্যয় চলমান রয়েছে জানিয়ে রমেশ চন্দ্র ঘোষ  গণপরিবহন খাতের জন্য চার দফা দাবি উত্থাপন করেন।

১. কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত গণপরিবহন মালিকদের গাড়ি মেরামত এবং কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারীদের বেতন, ঈদ-বোনাস পুনর্বাসনের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনার আবেদন।

২. গণপরিবহন ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগ বিপরীতে সমস্ত ঋণ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠন ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সুদ মওকুফসহ কিস্তি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত করতে হবে এবং লোন অ্যাকাউন্ট ৩০ জুন পর্যন্ত ক্লাসিফায়েড না করার আবেদন।

৩. গণপরিবহন মালিকদের এক শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে সকল ক্লাসিফায়েড লোন হালনাগাদ করার সুযোগ অব্যাহত রাখতে হবে।

৪. কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবে-২০২১ সালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী বহনের সিদ্ধন্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে পুনরায় এই দুর্যোগে সময়ময় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন পরিচালনা করার সুযোগ।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার জনসমাগম এড়াতে প্রথমে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে এ নিষেধাজ্ঞা আরওি বাড়িয়ে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। তবে সে সময় সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্পকারখানা, গণপরিবহন চালু ছিল।

এরপর সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনে যায়, যাতে বন্ধ ছিল গণপরিবহন এবং দোকানপাট। সরকারের সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৫ মে পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ থাকছে।