ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকা পাবে ১ কোটি ৮০ শিশু: প্রথম দিনই পাবে প্রায় ১৯ লাখ শিশু তেল-গ্যাসের দাম বৃদ্ধি: মানবিক অর্থনীতির চ্যালেঞ্জে নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ জ্বালানি-বিদ্যুতের সংকটে শিল্প উৎপাদন ও কৃষি সেচে স্থবিরতা ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্যোগে বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হলো পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ হরমুজে ফি দিয়েও জাহাজ চলাচল বন্ধ করল ইরান, বাড়ছে উত্তেজনা বৈঠকের আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’, পরে আলোচনা: ইরান সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় ৩০০ মিটার সড়ক নদীগর্ভে, দুর্ভোগে লক্ষাধিক মানুষ ভারত থেকে আসলো আরও ৫ হাজার টন ডিজেল, স্বস্তির আভাস জ্বালানি খাতে মাত্র দুই মাসেই ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তোষণ, দুর্নীতি ও স্বার্থের জালে জ্বালানি খাত ধ্বংস করেছে পতিত সরকার: দেবপ্রিয়

নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ

ধর্মপাশা থেকে জাকিয়া সুলতানা, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার মহিষখলা সীমান্তে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় জাতীয় স্মৃতিসৌধটি বর্তমানে মারাত্মক নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঐতিহাসিক এই স্মৃতিচিহ্ন রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্মৃতিসৌধটির পাশ দিয়ে ভারত থেকে নেমে আসা নদীর প্রবল স্রোত ও ধারাবাহিক ভাঙনের কারণে আশপাশের মাটি ক্রমেই সরে যাচ্ছে। এতে করে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে পড়ছে গুরুত্বপূর্ণ এই স্মৃতিসৌধটি। সময়মতো প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধটি কেবল একটি স্থাপনা নয়; এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস ও শহীদদের স্মৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। প্রতি বছর জাতীয় দিবসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিনে এখানে স্থানীয় প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেন। তাই স্মৃতিসৌধটির সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

তবে এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই স্মৃতিসৌধটি নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। স্থানীয় সাংবাদিকরা একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ করলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তেমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ অবস্থায় দ্রুত নদী ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্মৃতিসৌধটির চারপাশে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি স্মৃতিসৌধটির সার্বক্ষণিক তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকারি উদ্যোগে একজন স্থায়ী কর্মচারী নিয়োগেরও দাবি তুলেছেন তারা।

স্থানীয়দের মতে, নিয়মিত পরিচর্যা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে এই ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্নটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহীদদের ত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী, যাতে নদী ভাঙনের কবল থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই স্মৃতিসৌধটি রক্ষা পায় এবং দ্রুত প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণসহ জরাজীর্ণ অংশগুলো সংস্কার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ

আপডেট সময় : ০৮:০১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার মহিষখলা সীমান্তে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় জাতীয় স্মৃতিসৌধটি বর্তমানে মারাত্মক নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঐতিহাসিক এই স্মৃতিচিহ্ন রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্মৃতিসৌধটির পাশ দিয়ে ভারত থেকে নেমে আসা নদীর প্রবল স্রোত ও ধারাবাহিক ভাঙনের কারণে আশপাশের মাটি ক্রমেই সরে যাচ্ছে। এতে করে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে পড়ছে গুরুত্বপূর্ণ এই স্মৃতিসৌধটি। সময়মতো প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধটি কেবল একটি স্থাপনা নয়; এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস ও শহীদদের স্মৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। প্রতি বছর জাতীয় দিবসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিনে এখানে স্থানীয় প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেন। তাই স্মৃতিসৌধটির সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

তবে এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই স্মৃতিসৌধটি নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। স্থানীয় সাংবাদিকরা একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ করলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তেমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ অবস্থায় দ্রুত নদী ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্মৃতিসৌধটির চারপাশে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি স্মৃতিসৌধটির সার্বক্ষণিক তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকারি উদ্যোগে একজন স্থায়ী কর্মচারী নিয়োগেরও দাবি তুলেছেন তারা।

স্থানীয়দের মতে, নিয়মিত পরিচর্যা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে এই ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্নটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহীদদের ত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী, যাতে নদী ভাঙনের কবল থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই স্মৃতিসৌধটি রক্ষা পায় এবং দ্রুত প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণসহ জরাজীর্ণ অংশগুলো সংস্কার করা হয়।