ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান : ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা ও সৃজনশীল মানুষের প্রতিভাকে যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দিতে সরকার একটি আধুনিক, সহজ ও কার্যকর সেবা কাঠামো গড়ে তুলতে কাজ করছে।

তিনি মনে করেন, উদ্ভাবনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে।

বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ দিবসটি গুরুত্বের সঙ্গে উদযাপিত হচ্ছে, যা দেশের জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষাকে কার্যকর করতে ইতোমধ্যেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু, দ্রুত সেবা প্রদান নিশ্চিত করা, আইনি সুরক্ষা জোরদার এবং নকল পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ।

এসব উদ্যোগ উদ্ভাবকদের জন্য একটি নিরাপদ ও উৎসাহব্যঞ্জক পরিবেশ তৈরি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য  মেধাস্বত্ব ও ক্রীড়া: প্রস্তুত হও, শুরু করো, উদ্ভাবন করো, সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি ক্রীড়া খাতেও নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেওয়া সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নতুন ধারণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এবং ক্রীড়াপ্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, ক্রীড়াপণ্যের ব্র্যান্ডিং, সম্প্রচার শিল্প ও ডিজিটাল কনটেন্ট উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তা বিকাশও ত্বরান্বিত হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে তারুণ্যের শক্তিতে উজ্জ্বল। তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প, গবেষণা, স্টার্টআপ ও সৃজনশীল অর্থনীতির দ্রুত বিকাশের এই সময়ে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম পূর্বশর্ত। এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সচেতন ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জামদানি ও ইলিশের মতো দেশীয় বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পণ্যের বৈশ্বিক মর্যাদা রক্ষা ও সুদৃঢ় করতে সরকার কাজ করছে, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়।

ক্রীড়াকে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক খাত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন ক্রীড়া শুধু বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি শক্তিশালী শিল্প ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ভাতা ও স্পোর্টস কার্ড চালুর মাধ্যমে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে দেশজুড়ে নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তোলার কাজ চলমান রয়েছে।

এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ক্রীড়াভিত্তিক শিল্প, ক্রীড়াপণ্য উৎপাদন, ব্র্যান্ডিং, স্পোর্টস মিডিয়া, পর্যটন ও বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শেষে বলেন, এসব সমন্বিত উদ্যোগ দেশের জন্য টেকসই উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা ও সৃজনশীল মানুষের প্রতিভাকে যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দিতে সরকার একটি আধুনিক, সহজ ও কার্যকর সেবা কাঠামো গড়ে তুলতে কাজ করছে।

তিনি মনে করেন, উদ্ভাবনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে।

বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ দিবসটি গুরুত্বের সঙ্গে উদযাপিত হচ্ছে, যা দেশের জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষাকে কার্যকর করতে ইতোমধ্যেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু, দ্রুত সেবা প্রদান নিশ্চিত করা, আইনি সুরক্ষা জোরদার এবং নকল পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ।

এসব উদ্যোগ উদ্ভাবকদের জন্য একটি নিরাপদ ও উৎসাহব্যঞ্জক পরিবেশ তৈরি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য  মেধাস্বত্ব ও ক্রীড়া: প্রস্তুত হও, শুরু করো, উদ্ভাবন করো, সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি ক্রীড়া খাতেও নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেওয়া সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নতুন ধারণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এবং ক্রীড়াপ্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, ক্রীড়াপণ্যের ব্র্যান্ডিং, সম্প্রচার শিল্প ও ডিজিটাল কনটেন্ট উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তা বিকাশও ত্বরান্বিত হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে তারুণ্যের শক্তিতে উজ্জ্বল। তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প, গবেষণা, স্টার্টআপ ও সৃজনশীল অর্থনীতির দ্রুত বিকাশের এই সময়ে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম পূর্বশর্ত। এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সচেতন ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জামদানি ও ইলিশের মতো দেশীয় বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পণ্যের বৈশ্বিক মর্যাদা রক্ষা ও সুদৃঢ় করতে সরকার কাজ করছে, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়।

ক্রীড়াকে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক খাত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন ক্রীড়া শুধু বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি শক্তিশালী শিল্প ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ভাতা ও স্পোর্টস কার্ড চালুর মাধ্যমে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে দেশজুড়ে নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তোলার কাজ চলমান রয়েছে।

এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ক্রীড়াভিত্তিক শিল্প, ক্রীড়াপণ্য উৎপাদন, ব্র্যান্ডিং, স্পোর্টস মিডিয়া, পর্যটন ও বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শেষে বলেন, এসব সমন্বিত উদ্যোগ দেশের জন্য টেকসই উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।