ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢলনের চাপে আমচাষি, কেজিভিত্তিক বেচাকেনার সিদ্ধান্তেও মিলছে না সুফল বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ: শিগগিরই জারি হচ্ছে নবম পে-স্কেলের গেজেট পুশইন বিতর্ক, কূটনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ প্রথম বাজেটেই জনগণের আস্থা জয়ের বার্তা নতুন সরকারের ১০০ কোটির প্রথম নায়িকা, বিয়ের পরই রুপালি পর্দা থেকে বিদায়, এখন কোথায় আসিন? টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, ১৫ বছর পর দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু ইসরায়েলকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প: ইরানে হামলা হলে পাশে থাকবে না ওয়াশিংটন ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত প্রায় ১০ হাজার পরিবার নতুন টোল বসানোর পরিকল্পনা: হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে যাচ্ছে ইরান-ওমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারে একমত বাংলাদেশ-রাশিয়া

প্রথম বাজেটেই জনগণের আস্থা জয়ের বার্তা নতুন সরকারের

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:২২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানি ৫ শতাংশ কর সম্পূর্ণ মওকুফ

ক্যান্সার ও হার্টের চিকিৎসাসামগ্রীর কর প্রত্যাহার বা হ্রাস

চিকিৎসা ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে

চাল, গম, ভোজ্যতেলসহ ৬০টির বেশি নিত্য পণ্যের উৎসে কর কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব

কৃষিপণ্যের উৎসে কর কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে

 

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নতুন সরকার প্রথমবারের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, চিকিৎসা, জ্বালানি ও শিল্পখাতে কর ও শুল্ক হ্রাসের বড় ধরনের পরিকল্পনা নিতে যাচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং বাজারে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা।

প্রস্তাবিত বাজেটে চাল, গম, ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজসহ প্রায় ৬০টিরও বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কৃষিপণ্যের ওপর উৎসে কর কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে রেগুলেটরি ডিউটি প্রত্যাহারের কথাও বিবেচনায় আছে। এতে বাজারে এসব পণ্যের দাম কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। চিকিৎসা খাতে বড় ধরনের কর ছাড়ের প্রস্তাব এসেছে।

কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ কর সম্পূর্ণ মওকুফ করা হতে পারে। একই সঙ্গে ক্যান্সার ও হার্টের চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর কর প্রত্যাহার বা হ্রাসের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে চিকিৎসা ব্যয় কমে সাধারণ রোগীদের জন্য কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতেও কর ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মোবাইল ফোন ও টেলিযোগাযোগ সরঞ্জামের উৎপাদন ব্যয় কমাতে বিভিন্ন পর্যায়ে কর হ্রাস করা হচ্ছে। মোবাইল উৎপাদনের কাঁচামালে অগ্রিম কর ১ শতাংশে নামিয়ে আনা হচ্ছে। কম্পিউটার, প্রিন্টার, মডেম ও ফ্ল্যাশ মেমোরির অগ্রিম কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে।

ইলেকট্রনিক্স শিল্পেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত টেলিভিশন, ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার ও ওয়াশিং মেশিনের ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে উৎসাহিত করতে ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক এবং চার্জিং স্টেশন আমদানিতে উৎসে কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতে কর রেয়াত বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

প্রথম বাজেটেই জনগণের আস্থা জয়ের বার্তা নতুন সরকারের
সংগৃহিত

তবে বাজেটে শুধু কর ছাড় নয়, কিছু পণ্যে কর বৃদ্ধির ইঙ্গিতও রয়েছে। বিলাসী পণ্য, উচ্চমূল্যের আমদানি পণ্য, রড, তামাকজাত পণ্য ও অ্যালকোহলের ওপর নতুন করে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আরোপ বা বৃদ্ধির প্রস্তাব আসতে পারে।

বিশেষ করে সিগারেট ও নিকোটিনজাত পণ্যে সম্পূরক শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যা এসব পণ্যের দাম বাড়াতে পারে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এসব কর পরিবর্তনের ফলে একদিকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ কিছুটা কমতে পারে, অন্যদিকে বিলাসী পণ্যের দাম বাড়বে। এতে ভোক্তা আচরণে পরিবর্তন আসতে পারে এবং মানুষ তুলনামূলকভাবে প্রয়োজনীয় পণ্যের দিকে বেশি ঝুঁকবে।

তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, কর ছাড়ের কারণে রাজস্ব আয় কমে গেলে সরকারের ঋণনির্ভরতা বাড়তে পারে। তাই রাজস্ব সংস্কার, কর প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আয় বৃদ্ধির বিকল্প উৎস তৈরি করা জরুরি হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৪২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এপ্রিল মাসে এই হার ছিল ৯.০৪ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা বলেন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়লে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তার মতে, বাজেটে এমন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত যাতে সাধারণ মানুষ তাদের আয় দিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে সংসার চালাতে পারে।

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আজীবন সদস্য নিগার সুলতানা রানি বলেন, নতুন সরকারের প্রথম বাজেটটি জনবান্ধব করার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। কৃষিপণ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও স্বাস্থ্যখাতে কর হ্রাস সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে।

বিশেষ করে ভোজ্যতেল, চিনি, আটা-ময়দাসহ বহু পণ্যে কর ছাড় সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সব মিলিয়ে আসন্ন জাতীয় বাজেটকে ঘিরে দেশের ভোক্তা ও বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। একদিকে নিত্যপণ্যের দাম কমার আশা, অন্যদিকে কিছু বিলাসী পণ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা—সব মিলিয়ে বাজেটটি অর্থনৈতিক দিক থেকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কিন্তু চ্যালেঞ্জিং পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রথম বাজেটেই জনগণের আস্থা জয়ের বার্তা নতুন সরকারের

আপডেট সময় : ০৬:২২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানি ৫ শতাংশ কর সম্পূর্ণ মওকুফ

ক্যান্সার ও হার্টের চিকিৎসাসামগ্রীর কর প্রত্যাহার বা হ্রাস

চিকিৎসা ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে

চাল, গম, ভোজ্যতেলসহ ৬০টির বেশি নিত্য পণ্যের উৎসে কর কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব

কৃষিপণ্যের উৎসে কর কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে

 

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নতুন সরকার প্রথমবারের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, চিকিৎসা, জ্বালানি ও শিল্পখাতে কর ও শুল্ক হ্রাসের বড় ধরনের পরিকল্পনা নিতে যাচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং বাজারে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা।

প্রস্তাবিত বাজেটে চাল, গম, ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজসহ প্রায় ৬০টিরও বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কৃষিপণ্যের ওপর উৎসে কর কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে রেগুলেটরি ডিউটি প্রত্যাহারের কথাও বিবেচনায় আছে। এতে বাজারে এসব পণ্যের দাম কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। চিকিৎসা খাতে বড় ধরনের কর ছাড়ের প্রস্তাব এসেছে।

কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ কর সম্পূর্ণ মওকুফ করা হতে পারে। একই সঙ্গে ক্যান্সার ও হার্টের চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর কর প্রত্যাহার বা হ্রাসের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে চিকিৎসা ব্যয় কমে সাধারণ রোগীদের জন্য কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতেও কর ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মোবাইল ফোন ও টেলিযোগাযোগ সরঞ্জামের উৎপাদন ব্যয় কমাতে বিভিন্ন পর্যায়ে কর হ্রাস করা হচ্ছে। মোবাইল উৎপাদনের কাঁচামালে অগ্রিম কর ১ শতাংশে নামিয়ে আনা হচ্ছে। কম্পিউটার, প্রিন্টার, মডেম ও ফ্ল্যাশ মেমোরির অগ্রিম কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে।

ইলেকট্রনিক্স শিল্পেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত টেলিভিশন, ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার ও ওয়াশিং মেশিনের ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে উৎসাহিত করতে ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক এবং চার্জিং স্টেশন আমদানিতে উৎসে কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতে কর রেয়াত বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

প্রথম বাজেটেই জনগণের আস্থা জয়ের বার্তা নতুন সরকারের
সংগৃহিত

তবে বাজেটে শুধু কর ছাড় নয়, কিছু পণ্যে কর বৃদ্ধির ইঙ্গিতও রয়েছে। বিলাসী পণ্য, উচ্চমূল্যের আমদানি পণ্য, রড, তামাকজাত পণ্য ও অ্যালকোহলের ওপর নতুন করে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আরোপ বা বৃদ্ধির প্রস্তাব আসতে পারে।

বিশেষ করে সিগারেট ও নিকোটিনজাত পণ্যে সম্পূরক শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যা এসব পণ্যের দাম বাড়াতে পারে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এসব কর পরিবর্তনের ফলে একদিকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ কিছুটা কমতে পারে, অন্যদিকে বিলাসী পণ্যের দাম বাড়বে। এতে ভোক্তা আচরণে পরিবর্তন আসতে পারে এবং মানুষ তুলনামূলকভাবে প্রয়োজনীয় পণ্যের দিকে বেশি ঝুঁকবে।

তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, কর ছাড়ের কারণে রাজস্ব আয় কমে গেলে সরকারের ঋণনির্ভরতা বাড়তে পারে। তাই রাজস্ব সংস্কার, কর প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আয় বৃদ্ধির বিকল্প উৎস তৈরি করা জরুরি হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৪২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এপ্রিল মাসে এই হার ছিল ৯.০৪ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা বলেন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়লে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তার মতে, বাজেটে এমন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত যাতে সাধারণ মানুষ তাদের আয় দিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে সংসার চালাতে পারে।

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আজীবন সদস্য নিগার সুলতানা রানি বলেন, নতুন সরকারের প্রথম বাজেটটি জনবান্ধব করার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। কৃষিপণ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও স্বাস্থ্যখাতে কর হ্রাস সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে।

বিশেষ করে ভোজ্যতেল, চিনি, আটা-ময়দাসহ বহু পণ্যে কর ছাড় সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সব মিলিয়ে আসন্ন জাতীয় বাজেটকে ঘিরে দেশের ভোক্তা ও বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। একদিকে নিত্যপণ্যের দাম কমার আশা, অন্যদিকে কিছু বিলাসী পণ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা—সব মিলিয়ে বাজেটটি অর্থনৈতিক দিক থেকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কিন্তু চ্যালেঞ্জিং পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।