ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

যুদ্ধ নয়, কৌশলে চাপ: ইরানকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি নৌ-অবরোধের নতুন হিসাব

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১৬ বার পড়া হয়েছে

ডোনাল্ড ট্রাম্প ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরাসরি সামরিক হামলার পথ থেকে সরে এসে ইরানের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নৌ–অবরোধ জোরদার করার পরিকল্পনা নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প ইতোমধ্যে তার ঘনিষ্ঠ নীতিনির্ধারকদের ইরানের বিরুদ্ধে এই কৌশল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের বন্দরগুলোতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, যাতে দেশটির অর্থনীতি, বিশেষ করে তেল রপ্তানি খাত চাপে পড়ে।

ওয়াশিংটনের ধারণা, সরাসরি যুদ্ধের চেয়ে অর্থনৈতিক অবরোধের মাধ্যমে তেহরানকে আলোচনার টেবিলে আনা অধিক কার্যকর হতে পারে।

মার্কিন প্রশাসন এখনো ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি দীর্ঘমেয়াদে, অন্তত ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার দাবিতে অনড় রয়েছে।

নীতিনির্ধারকদের মতে, তাৎক্ষণিক সামরিক পদক্ষেপের তুলনায় নৌ–অবরোধ তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইরানের জ্বালানি খাতকে দুর্বল করে দিতে পারে।

ইরানের পক্ষ থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো ছাড় না পাওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ প্রত্যাহারের সম্ভাবনাও নেই বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষিতে নতুন প্রস্তাব দেওয়ার আগে অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে আরও আলোচনা করতে চান। পাকিস্তানের মাধ্যমে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার ইঙ্গিত থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা প্রশমনের পথ জটিল হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি–কে কেন্দ্র করে এই নৌ–অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে অবরোধ দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অস্থির হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে ইরানকে কোণঠাসা করাই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান কৌশল। এখন নজর থাকবে ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে, যা এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :