severe winter : তীব্র শীতে কাঁপছে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চের মানুষ
- আপডেট সময় : ১১:২২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ ৪০৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
মধ্যপৌষেই রীতিমত মানুষকে কাঁপিয়ে দিয়ে তার আগমনি বার্তা দিল। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে, কোথায় তার প্রবণতা কম আবার কোথায় বেশি।
দেশটির উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের শীতের তীব্রতা বেশি। কিবশেষ করে সীমান্তজেলা কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, রংপুরের স্বাভাবিক পরিস্থিতি থমকে দিয়েছে শৈত্যপ্রবাহ।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে তীব্র শীতে কাঁপছে মানুষ। সাধারণ খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চরমে। অতিপ্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে কেউ পা রাখছেন না।
সাত দিন ধরে এই অঞ্চলে ঘন কুয়াশার সঙ্গী কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়া। তাতে কাবু হয়ে পড়েছে শিশু, বৃদ্ধসহ শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষজন। শীতে নানা রোগবাইলের প্রকোপ বেড়েছে। শীতকালীন রোগবাইলে আক্রান্ত হচ্ছেন বয়োস্ক ও শিশুরা।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট ও কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আধিকারীক তুহিন মিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বছরের শেষ দিন তথা শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ কুড়িগ্রাম জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। আরও দু’দিন তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বরং শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে।
এখানের পাইকেরছড়া ইউনিয়নের মানুষ যারা সোনাহাট স্থলবন্দরে কাজ করেন এমন ব্যক্তিরা জানান, তাদের সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে বন্দরে পৌঁছাতে হয়। ঘন কুয়াশা ও শীতের কারণে সময় মত কাজে যোগ দিতে দেওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে।
কনকনে শীতে ও ঠাণ্ডার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কৃষি শ্রমিকরা। এ অবস্থায় ঠাণ্ডায় শ্রমিকরা ঠিকমতো মাঠে কাজ করতে পারছেন না। এতে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি কাজ।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন আধিকারীক শাহিনুর আলম জানিয়েছেন, তারা প্রথম পর্যায় পাঁচ হাজার কম্বল বরাদ্দ পেয়েছেন। তা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বিতরণ করেছেন।










