ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

Rohingya camp : রোহিঙ্গা শিবিরে প্রয়োজনে সেনা অভিযান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২ ২৭৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

‘মানবতার আশ্রয় কেন্দ্রে’ হত্যা, গুম, সশস্ত্র ডাকাত দল ছাড়াও মাদক এবং সন্ত্রাসের শিবিরে পরিণত হয়েছে। রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন বাংলাদেশে অবস্থানের ফলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মানবপাচার থেকে শুরু করে হেন অপরাধ নেই, যা তারা করছে না। রোহিঙ্গা অপরাধের লাগাম টানতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসারের সমন্বয়ে অভিযান চলবে। প্রয়োজনে সেনা অভিযানও চলানো হবে। রোহিঙ্গা শিবিরে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের লাগাম টানতে  সাঁড়াশি  অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির  বৈঠক  শেষে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে  সেসময় রাখাইন রাজ্য থেকে ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে কক্সবাজারে এসে আশ্রয় নেয়। এখন প্রায় ১২ লাখের অধিক রোহিঙ্গা ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে রয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ আশ্রয় শিবিরে এই কক্সবাজারেই। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক পাচারের নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে নাফ নদী। নদীতে মাছ ধরার ট্রলারেও মাদক পাচার হয়ে থাকে। এসব ট্রলারগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, স্বরাষ্ট্রসচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংস হামলার শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাফ নদী পেরিয়ে পালিয়ে আস বাধ্য হয়। সেখানকার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন, ধর্ষণ এবং গ্রামগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার মতো মানবিক সংকট প্রত্যক্ষ করে বিশ্ব। বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বে বহুজাতিক সহায়তায় মারাত্মক মানবিক সংকট এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হবে, তা কারো পক্ষে অনুমান করাটা ছিলো দুরুহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Rohingya camp : রোহিঙ্গা শিবিরে প্রয়োজনে সেনা অভিযান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:২৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২

ছবি সংগ্রহ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

‘মানবতার আশ্রয় কেন্দ্রে’ হত্যা, গুম, সশস্ত্র ডাকাত দল ছাড়াও মাদক এবং সন্ত্রাসের শিবিরে পরিণত হয়েছে। রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন বাংলাদেশে অবস্থানের ফলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মানবপাচার থেকে শুরু করে হেন অপরাধ নেই, যা তারা করছে না। রোহিঙ্গা অপরাধের লাগাম টানতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসারের সমন্বয়ে অভিযান চলবে। প্রয়োজনে সেনা অভিযানও চলানো হবে। রোহিঙ্গা শিবিরে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের লাগাম টানতে  সাঁড়াশি  অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির  বৈঠক  শেষে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে  সেসময় রাখাইন রাজ্য থেকে ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে কক্সবাজারে এসে আশ্রয় নেয়। এখন প্রায় ১২ লাখের অধিক রোহিঙ্গা ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে রয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ আশ্রয় শিবিরে এই কক্সবাজারেই। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক পাচারের নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে নাফ নদী। নদীতে মাছ ধরার ট্রলারেও মাদক পাচার হয়ে থাকে। এসব ট্রলারগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, স্বরাষ্ট্রসচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংস হামলার শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাফ নদী পেরিয়ে পালিয়ে আস বাধ্য হয়। সেখানকার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন, ধর্ষণ এবং গ্রামগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার মতো মানবিক সংকট প্রত্যক্ষ করে বিশ্ব। বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বে বহুজাতিক সহায়তায় মারাত্মক মানবিক সংকট এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হবে, তা কারো পক্ষে অনুমান করাটা ছিলো দুরুহ।