ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

noise pollution :  শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবিতে অনশন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৫:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২ ৭২২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

শব্দদূষণ কোন পর্যায়ে পৌছালে একজন সচেতন নাগরিক নিয়তন্ত্রনের দাবিতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তায় নেমে আসতে পারেন! শব্দদূষণ নাগরিক জীবনের ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। শিশু থেকে বয়স্ক মানুষ নানা জটিলতার শিকার হচ্ছে। স্কুলের পথে ছেলেমেয়েরা হাত দিয়ে দুই কান চেপে রাখছে। রাস্তাঘাটে নিয়ন্ত্রণহীন শব্দদূষণ। যানবাহনে সাধারণ হর্ণ থেকে শুরু করে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার হচ্ছে। অনভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষণ ছাড়া যানবাহন চালাচ্ছে সিংহভাগ চালক। গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণহীন, বেপরোয়া। সব সময় মারমুখো আচরণ তাদের। অকারণে হর্ণ বাজিয়ে রাস্তায় রীতিমত শব্দদূষণের ত্রাস সৃস্টি করে চলেছে।

বাংলাদেশ ভয়াবহ শব্দদূষণের কবলে। এর নিয়ন্ত্রণে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে মনে হয় না। গণপরিবহনের মালিকদেরও কোন প্রশিক্ষণ নেই। তারা পুজি বিনিয়োগ করেই মালিক বনে যাচ্ছে। গণপরিবহন পরিচালনার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা তাদের নেই। এর কারণে পরিবহন শ্রমিকদেরও তারা পরিচালনা করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। রাস্তায় চালকরা বেপরোয়া। তারা জনবহুল শহরেও হাইড্রোলিক হর্ণ বাজিয়ে আনন্দ উপভোগ করছে। যার ফলে অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে সকল বয়সী মানুষের।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবিতে বাংলাদেশের বন্দর নগরী চট্টগ্রাম শহরের এক বাসিন্দা সুজন বডুয়া প্ল্যাকার্ড নিয়ে একাই রাস্তায় নেমে এসেছেন। জানা গিয়েছে, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবিতে গত ২১ জুলাই একক আন্দোলনে নামেন তিনি। এ পর্যন্ত ২১টি সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছেন। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রনের দাবিতে সোচ্চার সুজন বড়ুয়া মঙ্গলবার থেকে অনশনে বসার কথা। সোমবার সকাল ১০ থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শহরের ব্যস্ততম এলাকায় অবস্থান শেষে অনশন কর্মসূচি ঘোষণা দেন।

গত বছর চট্টগ্রাম শহরে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকালে কোন কোন স্থানে শব্দের মাত্রা ১৩০ ডেসিবেল পর্যন্ত পাওয়া গেছে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে শব্দের মাত্রা ১২৫ দশমিক ৯ ডেসিবেল পর্যন্ত পেয়েছেন গবেষণা দল।

পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, আবাসিক এলাকায় শব্দের সহনীয় মাত্রা দিনের বেলায় ৫০ ডেসিবেল, বাণিজ্যিক এলাকায় ৬০ ডেসিবেল এবং শিল্প এলাকায় ৭৫ ডেসিবেল। কিন্তু হাইড্রোলিক হর্নের যথেচ্ছ ব্যবহার, যত্রতত্র মাইক বাজানো এবং নির্মাণকাজের শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে নগরবাসী। শব্দদূষণের প্রভাবে বৃদ্ধ ও শিশুদের
হৃদ্রোগ ও শ্রুতিহীনতার মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হওয়া ঝুঁকি বাড়ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

noise pollution :  শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবিতে অনশন

আপডেট সময় : ০৮:২৫:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২

ছবি সংগ্রহ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

শব্দদূষণ কোন পর্যায়ে পৌছালে একজন সচেতন নাগরিক নিয়তন্ত্রনের দাবিতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তায় নেমে আসতে পারেন! শব্দদূষণ নাগরিক জীবনের ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। শিশু থেকে বয়স্ক মানুষ নানা জটিলতার শিকার হচ্ছে। স্কুলের পথে ছেলেমেয়েরা হাত দিয়ে দুই কান চেপে রাখছে। রাস্তাঘাটে নিয়ন্ত্রণহীন শব্দদূষণ। যানবাহনে সাধারণ হর্ণ থেকে শুরু করে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার হচ্ছে। অনভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষণ ছাড়া যানবাহন চালাচ্ছে সিংহভাগ চালক। গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণহীন, বেপরোয়া। সব সময় মারমুখো আচরণ তাদের। অকারণে হর্ণ বাজিয়ে রাস্তায় রীতিমত শব্দদূষণের ত্রাস সৃস্টি করে চলেছে।

বাংলাদেশ ভয়াবহ শব্দদূষণের কবলে। এর নিয়ন্ত্রণে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে মনে হয় না। গণপরিবহনের মালিকদেরও কোন প্রশিক্ষণ নেই। তারা পুজি বিনিয়োগ করেই মালিক বনে যাচ্ছে। গণপরিবহন পরিচালনার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা তাদের নেই। এর কারণে পরিবহন শ্রমিকদেরও তারা পরিচালনা করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। রাস্তায় চালকরা বেপরোয়া। তারা জনবহুল শহরেও হাইড্রোলিক হর্ণ বাজিয়ে আনন্দ উপভোগ করছে। যার ফলে অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে সকল বয়সী মানুষের।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবিতে বাংলাদেশের বন্দর নগরী চট্টগ্রাম শহরের এক বাসিন্দা সুজন বডুয়া প্ল্যাকার্ড নিয়ে একাই রাস্তায় নেমে এসেছেন। জানা গিয়েছে, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবিতে গত ২১ জুলাই একক আন্দোলনে নামেন তিনি। এ পর্যন্ত ২১টি সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছেন। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রনের দাবিতে সোচ্চার সুজন বড়ুয়া মঙ্গলবার থেকে অনশনে বসার কথা। সোমবার সকাল ১০ থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শহরের ব্যস্ততম এলাকায় অবস্থান শেষে অনশন কর্মসূচি ঘোষণা দেন।

গত বছর চট্টগ্রাম শহরে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকালে কোন কোন স্থানে শব্দের মাত্রা ১৩০ ডেসিবেল পর্যন্ত পাওয়া গেছে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে শব্দের মাত্রা ১২৫ দশমিক ৯ ডেসিবেল পর্যন্ত পেয়েছেন গবেষণা দল।

পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, আবাসিক এলাকায় শব্দের সহনীয় মাত্রা দিনের বেলায় ৫০ ডেসিবেল, বাণিজ্যিক এলাকায় ৬০ ডেসিবেল এবং শিল্প এলাকায় ৭৫ ডেসিবেল। কিন্তু হাইড্রোলিক হর্নের যথেচ্ছ ব্যবহার, যত্রতত্র মাইক বাজানো এবং নির্মাণকাজের শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে নগরবাসী। শব্দদূষণের প্রভাবে বৃদ্ধ ও শিশুদের
হৃদ্রোগ ও শ্রুতিহীনতার মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হওয়া ঝুঁকি বাড়ছে।