ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী

Freshwater shrimp farming : ‘লোনা জলে বাগদা’ চাষ অতীত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩৫২ বার পড়া হয়েছে

মিঠাজলের পুকুরে উৎপাদিত বাগদা চিংড়ি : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পিঠাজলের পুকুর থেকে চিংড়ি পেয়েছেন প্রায় ৮০ মণ। প্রতি শতকে প্রায় ৩২ কেজির মতো বাগদার উৎপাদন।

১২০ দিনে বাগদার গড় ওজন হয়েছে প্রায় ৫০ গ্রাম। খরচের প্রায় দ্বিগুণ লাভ হয়েছে এ যাত্রায়

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

সাদা সোনার চাষের চারণভূমি খুলনা ও সাতক্ষীরা। সেখানেই মাইলকে মাইল চিংড়ি ঘের। লোনাজল জল যেন চিংড়ির প্রাণ। কিন্তু সময়ের পিঠ বেয়ে সব কিছুরই পরিবর্তন হয়। তারই প্রমাণ হয়ে থাকলেন খুলনার ডুমুরিয়ার হাসানপুরের মো. তবিবুর রহমান জোয়ার্দ্দার।

তিনিই মিঠাজলে বাগদা চাষে সাফল্য পেয়েছেন।  আগ্রহ, নিরলস চেষ্টা এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনিই আজ উদারণের ফলক স্থাপন করলেন।

একই পুকুরে বাগদার চাষের সঙ্গী হয়েছে অন্যান্য মাছও। আবার মাছ, চিংড়ির পর জল সেচে সেই জমিতেই ধান চাষ করছেন।

মৎস্য কর্মকর্তাদের মতে, চিংড়ি চাষের শুরুতে পোনাকে ১৫-২০ দিন নিয়ন্ত্রিত লবণাক্ত পানিতে (৫-৭ পিপিটি) রাখা হয়। এরপর লবণমুক্ত মিষ্টি জলের পুকুরে এনে চাষ করা হয়। তাতে স্বাদ পরিবর্তন হয় না। মিঠা ও লোনা দুই ধরনের জলে চিংড়ির বৃদ্ধির হারও প্রায় সমান।

খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে চিংড়ি চাষ করতে গিয়ে প্রথমে জমিতে মাটি কেটে সেখানে নোনাজল প্রবেশ করাতে হয়। তারপর চলে চিংড়ি চাষ। এ অবস্থায় পরিবেশ ধ্বংস হয়। কারণ চিংড়ি চাষের জমি স্বাভাবিক ফসল ফলানোতে বেশ কয়েক বছর সময় লাগে।

ছবি সংগ্রহ

 

জানা গেল বিগত তিন বছর যাবত এক একরের একটি মিঠাজলের পুকুরে বাগদা চাষ করে আসছেন তবিবুর। নিজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সাহায্য নিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তাদের। তিন বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছেন।

পুকুর থেকে চিংড়ি পেয়েছেন প্রায় ৮০ মণ। প্রতি শতকে প্রায় ৩২ কেজির মতো বাগদা পেয়েছেন। ১২০ দিনে বাগদার গড় ওজন হয়েছে প্রায় ৫০ গ্রাম। খরচের প্রায় দ্বিগুণ লাভ হয়েছে এ যাত্রায়।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে চিংড়ি চাষ করা জমির পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯৮০ হেক্টর। সেখান থেকে চিংড়ি (বাগদা, গলদা, হরিণা) উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৯৭ মেট্রিক টন। বিদেশে রপ্তানি করা হয়েছে ৩০ হাজার ৫৭১ মেট্রিক টন। রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই বাগদা, যা সম্পূর্ণ লোনাপানিতে উৎপাদন হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Freshwater shrimp farming : ‘লোনা জলে বাগদা’ চাষ অতীত

আপডেট সময় : ১০:২৩:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পিঠাজলের পুকুর থেকে চিংড়ি পেয়েছেন প্রায় ৮০ মণ। প্রতি শতকে প্রায় ৩২ কেজির মতো বাগদার উৎপাদন।

১২০ দিনে বাগদার গড় ওজন হয়েছে প্রায় ৫০ গ্রাম। খরচের প্রায় দ্বিগুণ লাভ হয়েছে এ যাত্রায়

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

সাদা সোনার চাষের চারণভূমি খুলনা ও সাতক্ষীরা। সেখানেই মাইলকে মাইল চিংড়ি ঘের। লোনাজল জল যেন চিংড়ির প্রাণ। কিন্তু সময়ের পিঠ বেয়ে সব কিছুরই পরিবর্তন হয়। তারই প্রমাণ হয়ে থাকলেন খুলনার ডুমুরিয়ার হাসানপুরের মো. তবিবুর রহমান জোয়ার্দ্দার।

তিনিই মিঠাজলে বাগদা চাষে সাফল্য পেয়েছেন।  আগ্রহ, নিরলস চেষ্টা এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনিই আজ উদারণের ফলক স্থাপন করলেন।

একই পুকুরে বাগদার চাষের সঙ্গী হয়েছে অন্যান্য মাছও। আবার মাছ, চিংড়ির পর জল সেচে সেই জমিতেই ধান চাষ করছেন।

মৎস্য কর্মকর্তাদের মতে, চিংড়ি চাষের শুরুতে পোনাকে ১৫-২০ দিন নিয়ন্ত্রিত লবণাক্ত পানিতে (৫-৭ পিপিটি) রাখা হয়। এরপর লবণমুক্ত মিষ্টি জলের পুকুরে এনে চাষ করা হয়। তাতে স্বাদ পরিবর্তন হয় না। মিঠা ও লোনা দুই ধরনের জলে চিংড়ির বৃদ্ধির হারও প্রায় সমান।

খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে চিংড়ি চাষ করতে গিয়ে প্রথমে জমিতে মাটি কেটে সেখানে নোনাজল প্রবেশ করাতে হয়। তারপর চলে চিংড়ি চাষ। এ অবস্থায় পরিবেশ ধ্বংস হয়। কারণ চিংড়ি চাষের জমি স্বাভাবিক ফসল ফলানোতে বেশ কয়েক বছর সময় লাগে।

ছবি সংগ্রহ

 

জানা গেল বিগত তিন বছর যাবত এক একরের একটি মিঠাজলের পুকুরে বাগদা চাষ করে আসছেন তবিবুর। নিজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সাহায্য নিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তাদের। তিন বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছেন।

পুকুর থেকে চিংড়ি পেয়েছেন প্রায় ৮০ মণ। প্রতি শতকে প্রায় ৩২ কেজির মতো বাগদা পেয়েছেন। ১২০ দিনে বাগদার গড় ওজন হয়েছে প্রায় ৫০ গ্রাম। খরচের প্রায় দ্বিগুণ লাভ হয়েছে এ যাত্রায়।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে চিংড়ি চাষ করা জমির পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯৮০ হেক্টর। সেখান থেকে চিংড়ি (বাগদা, গলদা, হরিণা) উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৯৭ মেট্রিক টন। বিদেশে রপ্তানি করা হয়েছে ৩০ হাজার ৫৭১ মেট্রিক টন। রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই বাগদা, যা সম্পূর্ণ লোনাপানিতে উৎপাদন হয়।