ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

Freshwater shrimp farming : ‘লোনা জলে বাগদা’ চাষ অতীত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে

মিঠাজলের পুকুরে উৎপাদিত বাগদা চিংড়ি : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পিঠাজলের পুকুর থেকে চিংড়ি পেয়েছেন প্রায় ৮০ মণ। প্রতি শতকে প্রায় ৩২ কেজির মতো বাগদার উৎপাদন।

১২০ দিনে বাগদার গড় ওজন হয়েছে প্রায় ৫০ গ্রাম। খরচের প্রায় দ্বিগুণ লাভ হয়েছে এ যাত্রায়

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

সাদা সোনার চাষের চারণভূমি খুলনা ও সাতক্ষীরা। সেখানেই মাইলকে মাইল চিংড়ি ঘের। লোনাজল জল যেন চিংড়ির প্রাণ। কিন্তু সময়ের পিঠ বেয়ে সব কিছুরই পরিবর্তন হয়। তারই প্রমাণ হয়ে থাকলেন খুলনার ডুমুরিয়ার হাসানপুরের মো. তবিবুর রহমান জোয়ার্দ্দার।

তিনিই মিঠাজলে বাগদা চাষে সাফল্য পেয়েছেন।  আগ্রহ, নিরলস চেষ্টা এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনিই আজ উদারণের ফলক স্থাপন করলেন।

একই পুকুরে বাগদার চাষের সঙ্গী হয়েছে অন্যান্য মাছও। আবার মাছ, চিংড়ির পর জল সেচে সেই জমিতেই ধান চাষ করছেন।

মৎস্য কর্মকর্তাদের মতে, চিংড়ি চাষের শুরুতে পোনাকে ১৫-২০ দিন নিয়ন্ত্রিত লবণাক্ত পানিতে (৫-৭ পিপিটি) রাখা হয়। এরপর লবণমুক্ত মিষ্টি জলের পুকুরে এনে চাষ করা হয়। তাতে স্বাদ পরিবর্তন হয় না। মিঠা ও লোনা দুই ধরনের জলে চিংড়ির বৃদ্ধির হারও প্রায় সমান।

খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে চিংড়ি চাষ করতে গিয়ে প্রথমে জমিতে মাটি কেটে সেখানে নোনাজল প্রবেশ করাতে হয়। তারপর চলে চিংড়ি চাষ। এ অবস্থায় পরিবেশ ধ্বংস হয়। কারণ চিংড়ি চাষের জমি স্বাভাবিক ফসল ফলানোতে বেশ কয়েক বছর সময় লাগে।

ছবি সংগ্রহ

 

জানা গেল বিগত তিন বছর যাবত এক একরের একটি মিঠাজলের পুকুরে বাগদা চাষ করে আসছেন তবিবুর। নিজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সাহায্য নিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তাদের। তিন বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছেন।

পুকুর থেকে চিংড়ি পেয়েছেন প্রায় ৮০ মণ। প্রতি শতকে প্রায় ৩২ কেজির মতো বাগদা পেয়েছেন। ১২০ দিনে বাগদার গড় ওজন হয়েছে প্রায় ৫০ গ্রাম। খরচের প্রায় দ্বিগুণ লাভ হয়েছে এ যাত্রায়।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে চিংড়ি চাষ করা জমির পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯৮০ হেক্টর। সেখান থেকে চিংড়ি (বাগদা, গলদা, হরিণা) উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৯৭ মেট্রিক টন। বিদেশে রপ্তানি করা হয়েছে ৩০ হাজার ৫৭১ মেট্রিক টন। রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই বাগদা, যা সম্পূর্ণ লোনাপানিতে উৎপাদন হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :