ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক বছরে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা কক্মাসবাজার তারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৬২.২৫ শতাংশ নদী মরছে, বিপন্ন হচ্ছে নগরসভ্যতা থেমে গেছে প্রতিদিনের হাঁটা ১১ পলিথিনে খন্ডিত মরদেহ মেলেনি মাথা-পা বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত প্রধানমন্ত্রীর উপহার সিএনজি-রিকশা পেলেন জুলাইযোদ্ধারা

dollar manipulated : ডলার কারসাজিত, দেশি-বিদেশি ৬ ব্যাংকের ট্রেজারিপ্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ অগাস্ট ২০২২ ৩৩৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাজারে ডলার সংকট সৃষ্টি করে অস্বাভাবিক মুনাফা করেছে কয়েকটি দেশি-বিদেশি ব্যাংক। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডলার সংরক্ষণ করে দর বৃদ্ধির প্রমাণ পায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপরই ব্র্যাক, সিটি, ডাচ-বাংলা, প্রাইম ও সাউথইস্ট ব্যাংক এবং বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণ করতে সোমবার চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম।

সম্প্রতি ডলারের বাজারে অস্থিরতার কারণ অনুসন্ধানে মাঠে নামে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তারা ৬ ব্যাংকের ডলার কেনাবেচার তথ্য খতিয়ে দেখতে পায় কোনোটি ডলার কেনাবেচা করে গত মে মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করেছে। যার মাধ্যমে ডলার বাজার আরও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাঠ পর্যায়ের পরিদর্শন প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ৬টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ আসে।

মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ৬টি ব্যাংকের ট্রেজারী প্রধানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। যেখানে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদের ব্যাক্তিও রয়েছেন।

২০০২ সালে ‘ওম প্রকাশ আগরওয়াল’ নামের এক ব্যবসায়ী জালিয়াতির মাধ্যমে ৫টি ব্যাংক থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় একসঙ্গে পাঁচ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) অপসারণের নজির গড়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ডলার সংকটের কারণে আমদানি খরচ বেড়ে যায়। প্রভাব পণ্যবাজারে। যার পরিণতি ভোগ করে আমজনতাকে।

অন্যদিকে কিছুদিন স্থিতিশীল থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের বিপরীতে আরও ৩০ পয়সা দর হারিয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকা। আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে সোমবার এক ডলারে বিক্রি হয়েছে ৯৫ টাকা। খোলাবাজারে ডলারের দর উঠে ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা। সর্বশেষ ২৫ জুলাই ডলারের বিপরীতে টাকার মান ২৫ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

dollar manipulated : ডলার কারসাজিত, দেশি-বিদেশি ৬ ব্যাংকের ট্রেজারিপ্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ অগাস্ট ২০২২

ছবি সংগ্রহ

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাজারে ডলার সংকট সৃষ্টি করে অস্বাভাবিক মুনাফা করেছে কয়েকটি দেশি-বিদেশি ব্যাংক। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডলার সংরক্ষণ করে দর বৃদ্ধির প্রমাণ পায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপরই ব্র্যাক, সিটি, ডাচ-বাংলা, প্রাইম ও সাউথইস্ট ব্যাংক এবং বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণ করতে সোমবার চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম।

সম্প্রতি ডলারের বাজারে অস্থিরতার কারণ অনুসন্ধানে মাঠে নামে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তারা ৬ ব্যাংকের ডলার কেনাবেচার তথ্য খতিয়ে দেখতে পায় কোনোটি ডলার কেনাবেচা করে গত মে মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করেছে। যার মাধ্যমে ডলার বাজার আরও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাঠ পর্যায়ের পরিদর্শন প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ৬টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ আসে।

মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ৬টি ব্যাংকের ট্রেজারী প্রধানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। যেখানে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদের ব্যাক্তিও রয়েছেন।

২০০২ সালে ‘ওম প্রকাশ আগরওয়াল’ নামের এক ব্যবসায়ী জালিয়াতির মাধ্যমে ৫টি ব্যাংক থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় একসঙ্গে পাঁচ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) অপসারণের নজির গড়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ডলার সংকটের কারণে আমদানি খরচ বেড়ে যায়। প্রভাব পণ্যবাজারে। যার পরিণতি ভোগ করে আমজনতাকে।

অন্যদিকে কিছুদিন স্থিতিশীল থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের বিপরীতে আরও ৩০ পয়সা দর হারিয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকা। আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে সোমবার এক ডলারে বিক্রি হয়েছে ৯৫ টাকা। খোলাবাজারে ডলারের দর উঠে ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা। সর্বশেষ ২৫ জুলাই ডলারের বিপরীতে টাকার মান ২৫ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা।