ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

চীন সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীরা:ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মালয়েশিয়া-চীন সফরে কূটনৈতিক সাফল্য চুক্তি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে নতুন দিগন্ত

চার দিনের সরকারি সফর শেষে চীন থেকে দেশের পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

একই সফরসূচিতে প্রথমে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর করে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের এই ধারাবাহিক সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও জনশক্তি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে একাধিক সমঝোতা ও সহযোগিতার বিষয়ে অগ্রগতি হয়।

অন্যদিকে চীন সফরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংসহ দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়। সফরের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এসব এমওইউর আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে তিস্তা প্রকল্পসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন উদ্যোগে চীনের সহযোগিতা নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

দুই দেশের সফর শেষে সরকারের প্রত্যাশা, নতুন চুক্তি ও সমঝোতাগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

একই সঙ্গে এ সফর বাংলাদেশের বহুমাত্রিক কূটনীতি এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :