ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সোমবার   ঢাকার  বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-এ ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের উদ্যোগে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

ঋতু পরিবর্তন ও প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে উপজীব্য করে সাজানো এই অনুষ্ঠানে উঠে আসে বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনন্য প্রকাশ। নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি ও লোকজ পরিবেশনার সমন্বয়ে এক বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর রবীন্দ্রসংগীত এবং কাজী নজরুল ইসলাম-এর নজরুলগীতি, যা দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। পাশাপাশি জারি গান, আবৃত্তি এবং ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনায় ফুটে ওঠে গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত জীবনচিত্র।

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ
চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কূটনীতিক, সংস্কৃতিকর্মী, শিল্পী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। বাঙালির উৎসবমুখর চেতনা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এ আয়োজনে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

এসময় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা চৈত্র সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, এ উৎসব শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে, এই উৎসবগুলো তারই প্রতিফলন।

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ
চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের মানুষের জীবনযাপন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে ঘনিষ্ঠ মিল, যা পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

সব মিলিয়ে, চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে ঘিরে এই আয়োজন শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই নয়, বরং ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন ঐতিহ্য ও বন্ধুত্বের এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সোমবার   ঢাকার  বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-এ ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের উদ্যোগে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

ঋতু পরিবর্তন ও প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে উপজীব্য করে সাজানো এই অনুষ্ঠানে উঠে আসে বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনন্য প্রকাশ। নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি ও লোকজ পরিবেশনার সমন্বয়ে এক বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর রবীন্দ্রসংগীত এবং কাজী নজরুল ইসলাম-এর নজরুলগীতি, যা দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। পাশাপাশি জারি গান, আবৃত্তি এবং ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনায় ফুটে ওঠে গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত জীবনচিত্র।

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ
চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কূটনীতিক, সংস্কৃতিকর্মী, শিল্পী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। বাঙালির উৎসবমুখর চেতনা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এ আয়োজনে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

এসময় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা চৈত্র সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, এ উৎসব শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে, এই উৎসবগুলো তারই প্রতিফলন।

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ
চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের মানুষের জীবনযাপন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে ঘনিষ্ঠ মিল, যা পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

সব মিলিয়ে, চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে ঘিরে এই আয়োজন শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই নয়, বরং ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন ঐতিহ্য ও বন্ধুত্বের এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছে।