ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: মৎস্যমন্ত্রী বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় ভারতকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর তাগিদ জাতিসংঘে জিয়া পরিবার বাংলাদেশের কণ্ঠস্বরের চার দশকের পথচলা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি   কিলোমিটার প্রতি বাসভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ, এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ট্রাক ভাড়া বেড়েছে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সংকটের মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ৪ জ্বালানিবাহী জাহাজ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

ফাইল জমি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা ও সংকটের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে আরও চারটি বিশাল জাহাজ। জাহাজগুলোতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি এবং গ্যাস অয়েল রয়েছে। বর্তমানে বন্দরে নোঙর করা এসব জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেরিন বিভাগ সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। বন্দরের সূত্র জানায়, ভারত, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও চীন থেকে জ্বালানি পণ্য নিয়ে এসব জাহাজ আসছে। এর মধ্যে ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ ৩১ মার্চ বন্দরে পৌঁছায় এবং বর্তমানে ‘ভাটিয়ারী’ এলাকায় অবস্থান করছে। মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আসা ‘শান গ্যাং ফা শিয়ান’ ৩ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে। এটি ‘ডিওজে-৬’ জেটিতে অবস্থান করছে এবং আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এর পণ্য খালাস সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে আসা ‘কুল ভয়েজার’ ৫ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছেছে। বর্তমানে এটি ‘এফএসআরইউ’-তে অবস্থান করছে এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে খালাস কার্যক্রম শেষ হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। চীনের এলপিজি জাহাজ ‘গ্যাস জার্নি’ও ৫ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে। এটি বর্তমানে ‘চার্লি’ এলাকায় অবস্থান করছে এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে এর খালাস শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতেই এসব জাহাজ থেকে পণ্য দ্রুত খালাস করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হলে দেশের জ্বালানি সংকটে স্বস্তি ফিরে আসবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব জাহাজের আগমনের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে স্বাভাবিকতা বজায় রাখবে।

সূত্র: বাসস

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :