ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

সংকটের মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ৪ জ্বালানিবাহী জাহাজ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ১১২ বার পড়া হয়েছে

ফাইল জমি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা ও সংকটের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে আরও চারটি বিশাল জাহাজ। জাহাজগুলোতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি এবং গ্যাস অয়েল রয়েছে। বর্তমানে বন্দরে নোঙর করা এসব জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেরিন বিভাগ সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। বন্দরের সূত্র জানায়, ভারত, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও চীন থেকে জ্বালানি পণ্য নিয়ে এসব জাহাজ আসছে। এর মধ্যে ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ ৩১ মার্চ বন্দরে পৌঁছায় এবং বর্তমানে ‘ভাটিয়ারী’ এলাকায় অবস্থান করছে। মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আসা ‘শান গ্যাং ফা শিয়ান’ ৩ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে। এটি ‘ডিওজে-৬’ জেটিতে অবস্থান করছে এবং আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এর পণ্য খালাস সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে আসা ‘কুল ভয়েজার’ ৫ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছেছে। বর্তমানে এটি ‘এফএসআরইউ’-তে অবস্থান করছে এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে খালাস কার্যক্রম শেষ হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। চীনের এলপিজি জাহাজ ‘গ্যাস জার্নি’ও ৫ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে। এটি বর্তমানে ‘চার্লি’ এলাকায় অবস্থান করছে এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে এর খালাস শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতেই এসব জাহাজ থেকে পণ্য দ্রুত খালাস করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হলে দেশের জ্বালানি সংকটে স্বস্তি ফিরে আসবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব জাহাজের আগমনের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে স্বাভাবিকতা বজায় রাখবে।

সূত্র: বাসস

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সংকটের মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ৪ জ্বালানিবাহী জাহাজ

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা ও সংকটের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে আরও চারটি বিশাল জাহাজ। জাহাজগুলোতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি এবং গ্যাস অয়েল রয়েছে। বর্তমানে বন্দরে নোঙর করা এসব জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেরিন বিভাগ সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। বন্দরের সূত্র জানায়, ভারত, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও চীন থেকে জ্বালানি পণ্য নিয়ে এসব জাহাজ আসছে। এর মধ্যে ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ ৩১ মার্চ বন্দরে পৌঁছায় এবং বর্তমানে ‘ভাটিয়ারী’ এলাকায় অবস্থান করছে। মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আসা ‘শান গ্যাং ফা শিয়ান’ ৩ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে। এটি ‘ডিওজে-৬’ জেটিতে অবস্থান করছে এবং আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এর পণ্য খালাস সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে আসা ‘কুল ভয়েজার’ ৫ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছেছে। বর্তমানে এটি ‘এফএসআরইউ’-তে অবস্থান করছে এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে খালাস কার্যক্রম শেষ হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। চীনের এলপিজি জাহাজ ‘গ্যাস জার্নি’ও ৫ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে। এটি বর্তমানে ‘চার্লি’ এলাকায় অবস্থান করছে এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে এর খালাস শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতেই এসব জাহাজ থেকে পণ্য দ্রুত খালাস করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হলে দেশের জ্বালানি সংকটে স্বস্তি ফিরে আসবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব জাহাজের আগমনের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে স্বাভাবিকতা বজায় রাখবে।

সূত্র: বাসস