ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক বছরে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা কক্মাসবাজার তারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৬২.২৫ শতাংশ নদী মরছে, বিপন্ন হচ্ছে নগরসভ্যতা থেমে গেছে প্রতিদিনের হাঁটা ১১ পলিথিনে খন্ডিত মরদেহ মেলেনি মাথা-পা বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত প্রধানমন্ত্রীর উপহার সিএনজি-রিকশা পেলেন জুলাইযোদ্ধারা

ফিরোজ আলম মিলন-এর কবিতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

ফিরোজ আলম মিলন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাসপাতাল 

দালান কোঠা সবই আছে নাই শুধু দক্ষ জনবল রোগী গেলে একেই আওয়াজ যন্ত্রপাতি সব বিকল।

কাগজে পত্রে পদায়ন আছে ডাক্তার বিহীন হাসপাতাল

জেলা সদরে থাকেন বাবু যাইতে চায়না মফস্বল।

কর্মস্থলে না গিয়েও বেতন তোলেন আছে উপরে তদবির

এই হলো আমাদের অসহায় দরিদ্রদের তকদির।

কোম্পানিরা পালন করে ডাক্তার বাবুর সব আবদার এ জন্য বাবু হয় কমিশনের বড় ভাগীদার।

হাসপাতালে রোগী গেলে খালি পায় না আসন বিনিময়ে মাস শেষে ক্লিনিক থেকে পায় কার্টুন।

দালালরা সব তাকিয়ে থাকে ভাগিয়ে নিতে রোগী স্বাস্থ্য সেবায় অতিষ্ঠ দিশেহারা আমরা ভুক্তভোগী।

লুটেরারা চিকিৎসার নামে জমায় বিদেশে পাড়ি এই তালিকায় যোগ হয় যাদের আছে কাড়ি কাড়ি।

স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনায় অবহেলা সকলেরই জানা দায়িত্বের আসনে বসে জাতির সাথে এ যেন প্রতারণা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফিরোজ আলম মিলন-এর কবিতা

আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

হাসপাতাল 

দালান কোঠা সবই আছে নাই শুধু দক্ষ জনবল রোগী গেলে একেই আওয়াজ যন্ত্রপাতি সব বিকল।

কাগজে পত্রে পদায়ন আছে ডাক্তার বিহীন হাসপাতাল

জেলা সদরে থাকেন বাবু যাইতে চায়না মফস্বল।

কর্মস্থলে না গিয়েও বেতন তোলেন আছে উপরে তদবির

এই হলো আমাদের অসহায় দরিদ্রদের তকদির।

কোম্পানিরা পালন করে ডাক্তার বাবুর সব আবদার এ জন্য বাবু হয় কমিশনের বড় ভাগীদার।

হাসপাতালে রোগী গেলে খালি পায় না আসন বিনিময়ে মাস শেষে ক্লিনিক থেকে পায় কার্টুন।

দালালরা সব তাকিয়ে থাকে ভাগিয়ে নিতে রোগী স্বাস্থ্য সেবায় অতিষ্ঠ দিশেহারা আমরা ভুক্তভোগী।

লুটেরারা চিকিৎসার নামে জমায় বিদেশে পাড়ি এই তালিকায় যোগ হয় যাদের আছে কাড়ি কাড়ি।

স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনায় অবহেলা সকলেরই জানা দায়িত্বের আসনে বসে জাতির সাথে এ যেন প্রতারণা।