ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিশুহত্যার অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে ঘিরে আদিতমারীতে রণক্ষেত্র, এসপিসহ আহত ২০ ইরান-মার্কিন চুক্তি আলোচনায় তিন হাজার কোটি ডলার রাজশাহীর আম ও কালাইরুটি স্বাদে মুগ্ধ মার্কিন অতিথি   বেনজীরকে বিচারের মুখোমুখি করতে দেশে ফেরানো প্রক্রিয়া চলছে: উপদেষ্টা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের

ফিরোজ আলম মিলন-এর কবিতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

ফিরোজ আলম মিলন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাসপাতাল 

দালান কোঠা সবই আছে নাই শুধু দক্ষ জনবল রোগী গেলে একেই আওয়াজ যন্ত্রপাতি সব বিকল।

কাগজে পত্রে পদায়ন আছে ডাক্তার বিহীন হাসপাতাল

জেলা সদরে থাকেন বাবু যাইতে চায়না মফস্বল।

কর্মস্থলে না গিয়েও বেতন তোলেন আছে উপরে তদবির

এই হলো আমাদের অসহায় দরিদ্রদের তকদির।

কোম্পানিরা পালন করে ডাক্তার বাবুর সব আবদার এ জন্য বাবু হয় কমিশনের বড় ভাগীদার।

হাসপাতালে রোগী গেলে খালি পায় না আসন বিনিময়ে মাস শেষে ক্লিনিক থেকে পায় কার্টুন।

দালালরা সব তাকিয়ে থাকে ভাগিয়ে নিতে রোগী স্বাস্থ্য সেবায় অতিষ্ঠ দিশেহারা আমরা ভুক্তভোগী।

লুটেরারা চিকিৎসার নামে জমায় বিদেশে পাড়ি এই তালিকায় যোগ হয় যাদের আছে কাড়ি কাড়ি।

স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনায় অবহেলা সকলেরই জানা দায়িত্বের আসনে বসে জাতির সাথে এ যেন প্রতারণা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফিরোজ আলম মিলন-এর কবিতা

আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

হাসপাতাল 

দালান কোঠা সবই আছে নাই শুধু দক্ষ জনবল রোগী গেলে একেই আওয়াজ যন্ত্রপাতি সব বিকল।

কাগজে পত্রে পদায়ন আছে ডাক্তার বিহীন হাসপাতাল

জেলা সদরে থাকেন বাবু যাইতে চায়না মফস্বল।

কর্মস্থলে না গিয়েও বেতন তোলেন আছে উপরে তদবির

এই হলো আমাদের অসহায় দরিদ্রদের তকদির।

কোম্পানিরা পালন করে ডাক্তার বাবুর সব আবদার এ জন্য বাবু হয় কমিশনের বড় ভাগীদার।

হাসপাতালে রোগী গেলে খালি পায় না আসন বিনিময়ে মাস শেষে ক্লিনিক থেকে পায় কার্টুন।

দালালরা সব তাকিয়ে থাকে ভাগিয়ে নিতে রোগী স্বাস্থ্য সেবায় অতিষ্ঠ দিশেহারা আমরা ভুক্তভোগী।

লুটেরারা চিকিৎসার নামে জমায় বিদেশে পাড়ি এই তালিকায় যোগ হয় যাদের আছে কাড়ি কাড়ি।

স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনায় অবহেলা সকলেরই জানা দায়িত্বের আসনে বসে জাতির সাথে এ যেন প্রতারণা।