ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

কক্সবাজারের সৈকতে ভেসে আসলো ১০ টন ওজনের মৃত তিমি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১ ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার সৈকতে শনিবার ভেসা আসা মৃত তিমি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের হিমছড়ি এলাকায় শুক্র ও শনিবার দু’টো মৃত তিমি ভেসে আসে। শনিবার ভেসে আসা তিমির ওজন প্রায় ১০ টন। আর লম্বায় ৪৬ ফুট ও প্রস্থে ১৮ ফুট। শুক্রবার আরও একটি মৃত তিমি একই এলাকায় ভেসে আসে। যেটি লম্বায় ৪৪ ফুট ও প্রস্থে ১৬ ফুট। সেটির ওজনও প্রায় ১০ টনের মতো। শুক্রবার রাতেই সৈকতের বালুচরে পুঁতে ফেলা হয়েছে। ভেসে আসা দ্বিতীয় তিমিটি সন্ধ্যা নাগাদ বালুচরে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

এদিন জোয়ারের জল নেমে যাবার পর তিমির শরীর দৃশ্যমান হয়। সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা তিমির দৈর্ঘ্য-প্রস্থ নির্ণয় করেছেন। মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, তিমিটির বয়স প্রায় ২৫ বছর। চামড়া পচে এটির দেহ বিকৃত হয়ে গেছে। মাথার অংশ নেই। লেজের অংশটাও অনেকটা বোঝা যায় না। নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

ঘটনাস্থলে সামুদ্রিক সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কক্সবাজারের বৈজ্ঞানিক আধিকারীকরা সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিমিটির আকার-আকৃতিও শুক্রবার যেটি ভেসে আসে প্রায় তেমনই। আগের তিমির পেটে আঘাতের চিহ্ন ছিল।

আর এটির পিঠে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। এটিও ১০ থেকে ১৫ দিন আগে মারা যেতে পারে। গভীর সমুদ্র থেকে জোয়ারের পানিতে ভেসে উপকূলে পৌঁছাতে এত দিন সময় লেগেছে। আগেরটির চেয়ে এটির দেহ বেশি বিকৃত। মুখ ও লেজের অংশ গলে গিয়েছে।

 

শুক্রবার বিশাল আকৃতির মৃত তিমি ভেসে আসে

স্থানীয় জেলে এক জেলে কামাল উদ্দিন জানান, সকালে আটটা নাগাদ তিনি সমুদ্রে মাছ ধরতে নামেন। এ সময় দেখতে পান একটি তিমি ভেসে আসছে। তিমিটি দরিয়ানগর সৈকতে ভিড়েছে। আগেরটি ভিড়েছে উত্তর দিকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে হিমছড়ি সৈকতে। ধারণা করা হচ্ছে, তিমি দুটি একই প্রজাতির। গভীর সমুদ্রে ফিশিং ট্রলারের ধাক্কায় তিমির মৃত্যু হতে পারে। অথবা বিষাক্ত বর্জ্য খেয়ে ফেলার কারণেও তিমির মৃত্যু হতে পারে।

পরিবেশবাদী সংগঠন কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা বলেন, বড় বড় মৃত তিমি ভেসে আসার খবরে উদ্বিগ্ন এলাকার মানুষ। ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালেও এই রকম দু’টো মৃত তিমি সৈকতে ভেসে এসেছিল। কিন্তু কোনোটির তদন্ত হয়নি। এগুলোর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরের জলসীমানায়, নাকি অন্য কোনো জায়গায় তা চিহ্নিত হওয়া দরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কক্সবাজারের সৈকতে ভেসে আসলো ১০ টন ওজনের মৃত তিমি

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১

কক্সবাজার সৈকতে শনিবার ভেসা আসা মৃত তিমি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের হিমছড়ি এলাকায় শুক্র ও শনিবার দু’টো মৃত তিমি ভেসে আসে। শনিবার ভেসে আসা তিমির ওজন প্রায় ১০ টন। আর লম্বায় ৪৬ ফুট ও প্রস্থে ১৮ ফুট। শুক্রবার আরও একটি মৃত তিমি একই এলাকায় ভেসে আসে। যেটি লম্বায় ৪৪ ফুট ও প্রস্থে ১৬ ফুট। সেটির ওজনও প্রায় ১০ টনের মতো। শুক্রবার রাতেই সৈকতের বালুচরে পুঁতে ফেলা হয়েছে। ভেসে আসা দ্বিতীয় তিমিটি সন্ধ্যা নাগাদ বালুচরে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

এদিন জোয়ারের জল নেমে যাবার পর তিমির শরীর দৃশ্যমান হয়। সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা তিমির দৈর্ঘ্য-প্রস্থ নির্ণয় করেছেন। মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, তিমিটির বয়স প্রায় ২৫ বছর। চামড়া পচে এটির দেহ বিকৃত হয়ে গেছে। মাথার অংশ নেই। লেজের অংশটাও অনেকটা বোঝা যায় না। নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

ঘটনাস্থলে সামুদ্রিক সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কক্সবাজারের বৈজ্ঞানিক আধিকারীকরা সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিমিটির আকার-আকৃতিও শুক্রবার যেটি ভেসে আসে প্রায় তেমনই। আগের তিমির পেটে আঘাতের চিহ্ন ছিল।

আর এটির পিঠে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। এটিও ১০ থেকে ১৫ দিন আগে মারা যেতে পারে। গভীর সমুদ্র থেকে জোয়ারের পানিতে ভেসে উপকূলে পৌঁছাতে এত দিন সময় লেগেছে। আগেরটির চেয়ে এটির দেহ বেশি বিকৃত। মুখ ও লেজের অংশ গলে গিয়েছে।

 

শুক্রবার বিশাল আকৃতির মৃত তিমি ভেসে আসে

স্থানীয় জেলে এক জেলে কামাল উদ্দিন জানান, সকালে আটটা নাগাদ তিনি সমুদ্রে মাছ ধরতে নামেন। এ সময় দেখতে পান একটি তিমি ভেসে আসছে। তিমিটি দরিয়ানগর সৈকতে ভিড়েছে। আগেরটি ভিড়েছে উত্তর দিকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে হিমছড়ি সৈকতে। ধারণা করা হচ্ছে, তিমি দুটি একই প্রজাতির। গভীর সমুদ্রে ফিশিং ট্রলারের ধাক্কায় তিমির মৃত্যু হতে পারে। অথবা বিষাক্ত বর্জ্য খেয়ে ফেলার কারণেও তিমির মৃত্যু হতে পারে।

পরিবেশবাদী সংগঠন কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা বলেন, বড় বড় মৃত তিমি ভেসে আসার খবরে উদ্বিগ্ন এলাকার মানুষ। ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালেও এই রকম দু’টো মৃত তিমি সৈকতে ভেসে এসেছিল। কিন্তু কোনোটির তদন্ত হয়নি। এগুলোর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরের জলসীমানায়, নাকি অন্য কোনো জায়গায় তা চিহ্নিত হওয়া দরকার।