ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল, সিলেট ও সুনামগঞ্জে নদ-নদীর জল বাড়ছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুন ২০২৩ ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

উজানের ঢলে সিলেট ও সুনামগঞ্জে নদনদীতে জল বাড়ছে। সিলেটে গত কয়েকদিনে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। তাতে সিলেট শহর জলমগ্ন হয়ে পড়ে। উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের জল নেমে আসলেও সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার পূর্বাভাস নেই।

সুনামগঞ্জে দুই দিন ধরে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এটি জেলায় এ মৌসুমে সর্বোচ্চ বৃষ্টি। সেই সঙ্গে নেমে আসছে উজানের ঢল। এতে নদী ও হাওরে জল বাড়ছে। গত বছরও এ সময়ে এমন আবহাওয়া ছিল। ফলে গতবারের মতো এবারও ভয়াবহ বন্যার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে মানুষের মনে।

তবে নদী ও হাওরে পানি বাড়লেও বন্যার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে জল উন্নয়ন বোর্ড। বলা হচ্ছে, গত তিন মাস সুনামগঞ্জে তেমন বৃষ্টি হয়নি। তাই হাওর ফাঁকা। এখন বৃষ্টি হওয়ায় হাওর- নদীতে জল ঢুকছে।

সিলেটে কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নদ-নদীর জল বাড়ছে। যদিও এখনও কোনো নদ-নদীর জল বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

সিলেট জল উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রের খবর, সিলেটে টানা কয়েক দিন ধরে নদ-নদীর জল বাড়ছে। সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। শুক্রবার সকাল ৯টায় সেখানে জল বিপৎসীমার দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছিল।

এই পয়েন্টে বৃহস্পতিবার সকালে ১০ দশমিক ৬১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর সিলেট পয়েন্টে বৃহস্পতিবার ৮ দশমিক ৫৮ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হলেও শুক্রবার ৯ দশমিক ৩৮ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রের খবর, জেলায় ১০টি উপজেলায় মোট ৬৮টি হাওর রয়েছে। নদ-নদী ও খাল-বিলের সংখ্যা ১৮৮। সব মিলে জলাশয়ের আয়তন ১ লাখ ১৬ হাজার ৩১৫ হেক্টর। এর মধ্যে হাওরের আয়তন ৫৬ হাজার ৬৭৬ হেক্টর।

অন্যান্য বছর বৈশাখ মাস থেকে হাওরজুড়ে জল থাকে। কিন্তু আষাঢ় মাসে হাওরে জল নেই।
জল উন্নয়ন বোর্ড সূত্র আরও জানায়, কুশিয়ারা নদীর শেওলা পয়েন্টে বিপৎসীমা ১৩ দশমিক শূন্য ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও শুক্রবার ৯ দশমিক ৮২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিনই নদীর জল বাড়ছে।

নেত্রকোনার খালিয়াজুরীর ধনু নদে হঠাৎ জল বাড়ায় হাওরের একমাত্র ফসল বোরো ধান নিয়ে শঙ্কায় স্থানীয় কৃষকেরা। এমন চিত্র ধরা পড়েছে রবিবার সকালে রসুলপু ঘাটে।

সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সিলেটে ১৩৫ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ২২ মিলিমিটার এবং সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সিলেটে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বভাস রয়েছে।

এবছর জলের অভাবে মৎস্য উৎপাদন কমেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রখভাবে এমনটি হচ্ছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহফুজুল হক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য