Dhaka-Beijing : র্যাব নিয়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঢাকার পাশে বেইজিং
- আপডেট সময় : ০৭:৪৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩ ২৫৬ বার পড়া হয়েছে
র্যাব সংক্রান্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে শেখ হাসিনার বব্তেব্য সমর্থন করে ঢাকার পাশে থাকার ঘোষণা বেইজিংয়ের। তারা বলছে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীন অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে ঢাকার অবস্থানকে সমর্থন করে। এ বিষয়ে ঢাকার সঙ্গে কাজ করতেও প্রস্তুত চীন
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
র্যাব সংক্রান্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে শেখ হাসিনার বব্তেব্য সমর্থন করে ঢাকার পাশে থাকার ঘোষণা বেইজিংয়ের। তারা বলছে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীন অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে ঢাকার অবস্থানকে সমর্থন করে। এ বিষয়ে ঢাকার সঙ্গে কাজ করতেও প্রস্তুত চীন। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কে টানাপোড়েন নিয়ে চীনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন এ কথা বলেছেন।
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ঘটনাপ্রবাহের বিষয়ে প্রথম প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া জানালো বেইজিং। চীন ও বাংলাদেশ ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী। আমরা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা, স্বাধীন দেশীয় ও বৈদেশিক নীতি সমুন্নত এবং এর জাতীয় বাস্তবতার সঙ্গে মানানসই উন্নয়নের পথ অনুসরণে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।
ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য শুধু বাংলাদেশের জনগণের শক্ত অবস্থানই নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের, বিশেষ করে উন্নয়নশীল বিশ্বের বড় অংশের মনের কথা। তাই জাতীয় বাস্তবতা অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নীতি সমুন্নত রাখার জন্য বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন। মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য আমরা লক্ষ্য করেছি।
প্রকৃতপক্ষে নিজস্ব (যুক্তরাষ্ট্র) জাতিগত বৈষম্য, সহিংসতা এবং মাদক বিস্তারের সমস্যার প্রতি দৃষ্টি না রেখে, একটি নির্দিষ্ট দেশ দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের অজুহাতে বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে আসছে।
ওয়াং বলেন, সব ধরনের আধিপত্যবাদ ও শক্তির রাজনীতির বিরুদ্ধে আমরা বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে কাজ করবো। একইসঙ্গে জাতিসংঘকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক সিস্টেম, আন্তর্জাতিক আইনের ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে সমুন্নত রাখার জন্যও আমরা কাজ করব।




















