ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

Grenade: রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবীর ঘরে মিলল গ্রেনেড!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩ ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবি (ক্যাম্প-৮ পশ্চিম) থেকে উদ্ধার করা হয় গ্রেনেড ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে অপরাধ প্রকাশ্যে আসছে। উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবিরের এক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর ঘর থেকে একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিবির (ক্যাম্প-৮ পশ্চিম) গ্রেনেডটি উদ্ধারের পর থেকেই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। শিবিরে গ্রেনেড আসল কিভাবে?

গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের বক্তব্য এটি দেখতে আর্জেস গ্রেনেড মনে হলেও এটি মিয়ানমারের তৈরি হতে পারে। গ্রেনেডের গায়ে কোনো সিল বা লেখা নেই। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

শিবিরে মোহাম্মদ নবীর যে ঘর থেকে গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। নবী রোহিঙ্গা শিবিরের একজন মাদক কারবারি। আশ্রয়শিবিরে মাদক বাণিজ্যের অন্যতম পাণ্ডা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নবী গ্রুপের প্রধান নবী হোসেনের সহযোগী। মাদক কারবারের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ নবীর বিরোধ ছিল। এরই জেরে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলায় সন্ত্রাসী মোহাম্মদ নবী (৪০) গুলিবিদ্ধ হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মোহাম্মদ নবী : ছবি সংগ্রহ

ঘটনার দিন শুক্রবার ১০-১২ জনের আরসা সন্ত্রাসী শিবিরে ঢুকে নবীকে তুলে নিতে ব্যর্থ হয়ে কয়েকটি গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আহত নবীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

পুলিশ সূত্রের খবর, এদিন বিকেলে এপিবিএন নবীর ঘরে অভিযান চালিয়ে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে। শনিবার দুপুরে সেনাবাহিনীর ৩০ জনের একটি বিস্ফোরক দল ঘটনাস্থলে গ্রেনেডটি দেখে আসেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আশ্রয়শিবিরগুলোর রোহিঙ্গা নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে চার মাস ধরে প্রায়ই স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হচ্ছে। এসব সংঘর্ষে এ ধরনের গ্রেনেড ব্যবহার হয়ে আসছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, চার মাসে উখিয়ার একাধিক আশ্রয়শিবিরে আরসার সঙ্গে নবী হোসেন বাহিনীর একাধিক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ২৩ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ১০ রোহিঙ্গা মাঝি ও পাঁচজন আরসার সদস্য। নিহত মাঝি নবী হোসেন গ্রুপের সমর্থক।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Grenade: রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবীর ঘরে মিলল গ্রেনেড!

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে অপরাধ প্রকাশ্যে আসছে। উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবিরের এক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর ঘর থেকে একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিবির (ক্যাম্প-৮ পশ্চিম) গ্রেনেডটি উদ্ধারের পর থেকেই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। শিবিরে গ্রেনেড আসল কিভাবে?

গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের বক্তব্য এটি দেখতে আর্জেস গ্রেনেড মনে হলেও এটি মিয়ানমারের তৈরি হতে পারে। গ্রেনেডের গায়ে কোনো সিল বা লেখা নেই। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

শিবিরে মোহাম্মদ নবীর যে ঘর থেকে গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। নবী রোহিঙ্গা শিবিরের একজন মাদক কারবারি। আশ্রয়শিবিরে মাদক বাণিজ্যের অন্যতম পাণ্ডা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নবী গ্রুপের প্রধান নবী হোসেনের সহযোগী। মাদক কারবারের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ নবীর বিরোধ ছিল। এরই জেরে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলায় সন্ত্রাসী মোহাম্মদ নবী (৪০) গুলিবিদ্ধ হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মোহাম্মদ নবী : ছবি সংগ্রহ

ঘটনার দিন শুক্রবার ১০-১২ জনের আরসা সন্ত্রাসী শিবিরে ঢুকে নবীকে তুলে নিতে ব্যর্থ হয়ে কয়েকটি গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আহত নবীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

পুলিশ সূত্রের খবর, এদিন বিকেলে এপিবিএন নবীর ঘরে অভিযান চালিয়ে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে। শনিবার দুপুরে সেনাবাহিনীর ৩০ জনের একটি বিস্ফোরক দল ঘটনাস্থলে গ্রেনেডটি দেখে আসেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আশ্রয়শিবিরগুলোর রোহিঙ্গা নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে চার মাস ধরে প্রায়ই স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হচ্ছে। এসব সংঘর্ষে এ ধরনের গ্রেনেড ব্যবহার হয়ে আসছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, চার মাসে উখিয়ার একাধিক আশ্রয়শিবিরে আরসার সঙ্গে নবী হোসেন বাহিনীর একাধিক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ২৩ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ১০ রোহিঙ্গা মাঝি ও পাঁচজন আরসার সদস্য। নিহত মাঝি নবী হোসেন গ্রুপের সমর্থক।